ঢাকা, বাংলাদেশ || বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ || ৩ আশ্বিন ১৪২৬
শিরোনাম: ■ জাসদ নেতা মিন্টু গ্রেফতার ■ ফের নির্বাচনের দাবিতে ইসিকে স্মারকলিপি দেবে ঐক্যফ্রন্ট ■ নতুন মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ রোববার ■ বিবিসি’র সেই ভিডিও নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী ■ বিদেশিদের বিএনপির ভরাডুবির কারণ জানালেন শেখ হাসিনা ■ বিশ্ব গণমাধ্যমে বাংলাদেশের নির্বাচন ■ সংবিধান লঙ্ঘনে ইসির বিচার দাবি খোকনের ■ শপথ গ্রহণে যাচ্ছে না ঐক্যফ্রন্টের সংসদ সদস্যরা! ■ আ’ লীগের দুই গ্রুপের কোন্দলে যুবলীগ নেতা নিহত ■ বিদেশি পর্যবেক্ষক ছিল একেবারেই আইওয়াশ ■ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় গভীর উদ্বেগ টিআইবি’র ■  আ’লীগের জয়জয়কার, মুছে গেল বিরোধীরা
বিজয় অতঃপর, একটি চেতনার বিস্ফোরণ
হাসান আল বান্না :
Published : Sunday, 8 July, 2018 at 1:42 AM, Update: 08.07.2018 1:52:31 AM

জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্র সমূহের অধিকাংশ রাষ্ট্র রয়েছে যাদের সরকার পরিবর্তনের সাথে বিশ্ব রাজনৈতিক ও বিশ্বায়নের গতিধারা পরিবর্তনের কোনই সম্পর্ক অথবা প্রভাব থাকেনা। আর বিশ্বের কিছু ক্ষমতাধর রাষ্ট্র রয়েছে যাদের আভ্যন্তরীণ সরকার পরিবর্তনের সাথে আন্তর্জাতিক বিশ্বের গতিধারা পরিবর্তনের সম্পর্ক রয়ে যায় তারমধ্যে তুরস্ক অন্যতম।

বিশ্ব প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্র হিসেবে তুরস্কের গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণ:  
ক. ভৌগলিক : পূর্ব ইউরোপের দেশ তুরস্কের অবস্থান মূলত ইউরোপ ও এশিয়ার সন্ধিক্ষনে। তুরস্ক মোটামুটি চতুর্ভুজাকৃতির। এর পশ্চিমে এজীয় সাগর ও গ্রিস; উত্তর-পূর্বে জর্জিয়া, আর্মেনিয়া ও স্বায়ত্বশাসিত আজারবাইজানি প্রজাতন্ত্র নাখচিভান; পূর্বে ইরান; দক্ষিণে ইরাক, সিরিয়া ও ভূমধ্যসাগর। তুরস্কের রয়েছে বিস্তৃত উপকূল, যা দেশটির সীমান্তের তিন-চতুর্থাংশ গঠন করেছে।

খ. ঐতিহাসিকভাবে : তুরস্কের ইতিহাস দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল। প্রাচীনকাল থেকে বহু বিচিত্র জাতি ও সংস্কৃতির লোক এলাকাটি দখল করেছে। ১৯০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের দিকে এখানে হিটাইটদের বাস ছিল। তাদের সময়েই এখানে প্রথম বড় শহর গড়ে ওঠে। এরপর এখানে ফ্রিজীয়, গ্রিক, পারসিক, রোমান এবং আরবদের আগমন ঘটে। মধ্য এশিয়ার যাযাবর তুর্কি জাতির লোকেরা ১১শ শতকে দেশটি দখল করে এবং এখানে সেলজুক রাজবংশের পত্তন করে। তাদের শাসনের মাধ্যমেই এই অঞ্চলের জনগণ তুর্কি ভাষা ও সংস্কৃতির সাথে মিশে যায়। ১৩শ’ শতকে মোঙ্গলদের আক্রমণে সেলজুক রাজবংশের পতন ঘটে। উসমানীয় খেলাফতের সাম্রাজ্যের ৬০০ বছর তুরস্ক শাসন করে এবং আনাতোলিয়া ছাড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্য, পূর্ব ইউরোপ এবং উত্তর আফ্রিকার এক বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃতি লাভ করে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর সাম্রাজ্যটির পতন ঘটে।

গ. ধর্মীয় : বর্তমানকালে তুরস্ক একটি সাংবিধানিক ধর্মনিরপেক্ষ দেশ যার কোন রাষ্ট্রধর্ম নেই এবং সংবিধানে এর প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তায় গুরুত্তারোপ করা হয়েছে। তবে পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তুরস্কের ৯৬.৫ শতাংশ লোক ইসলাম ধর্মাবলম্বী ০.৩ শতাংশ খ্রিস্টান ও ৩.২ শতাংশ অন্যান্য ধর্মাবলম্বী। তুরস্কের সংস্কৃতি বৈচিত্র্যময়। গ্রিক, রোমান, ইসলামিক ও পশ্চিমা সংস্কৃতির মিশ্রণে তাদের একটি সংকর সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। অটোমান সম্রাটদের সময় তুরস্কে পশ্চিমা সংস্কৃতি ভিড়তে থাকে এবং আজও তা দেশটিতে অব্যাহত আছে।

তুরস্কের বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসিপ তাইয়েপ এরদোগান ব্যক্তিগতভাবে আমার আইকন ও ভালোবাসার মানুষ। তুরস্কের ২৪ তারিখের নির্বাচন পর্যালোচনা করলে একটা বিষয় খুব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠে, সকল দলই নির্বাচনে আগের চেয়ে ভালো ফলাফল করেছে কিংবা প্রত্যাশিত ফলাফল করেছে কিন্তু ব্যতিক্রম শুধু সাদাত পার্টির ক্ষেত্রে।

ফলাফল নিয়ে একটু যদি ব্যাখ্যা করি তবে
১. একে পার্টি ও সরকারি জোট: প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ৫২.৪০% ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন যা একে পার্টিতে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো রেজাল্ট। পার্লামেন্টে সরকারি জোট ৩৪৩ টি আসন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্টতা পেয়েছে। যেটা পাওয়ার ব্যাপারে সবচেয়ে বেশী চ্যালেঞ্জ ছিল ।
২. বিরোধী জোট: বিরোধী দল মানেই জিততে চায় কিন্তু তাদের ভোট কখনোই ২৬% এর উপরে ছিলনা (২০০২ সাল থেকে)। সেখানে তাদের প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর ৩০.৮% ভোট পাওয়াটাও রীতিমত চমক। যদিও তাদের ব্যাপক ফান্ডিং ছিল এবং পশ্চিমা মিডিয়ার ব্যাপক সহায়তা পেয়েছে, সেটা অন্য বিষয়।

৩. কুর্দী দল: এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে সংকটে ছিল কুর্দীদের দল। তারা পার্লামেন্ট ঢুকতে পারবে কিনা তা নিয়ে রীতিমত হইচই ছিল। কিন্তু তাদের ভোট ও আসন দুটোই বেড়েছে। এবার তারা ১১.৬% ভোট পেয়ে ৬৭ টি আসন পেয়েছে। উপরের এই দলগুলো যখন প্রত্যাশিত এবং প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফলাফল করেছে তখন একমাত্র ব্যতিক্রম হয়েছে সাদাত পার্টির ক্ষেত্রে। সাদাত পার্টি সেক্যুলারদের সাথে জোট করার পর সেক্যুলার মিডিয়াগুলো যখন একটু বেশী সম্মান দিতে লাগলো তখন তাদের পা মাটিতে পড়তো না। তারা ধরেই নিয়েছিল এবার তাদের বড় বিজয় হচ্ছে। তাদের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মিনিমাম ৭-১৫% ভোট পাবে এবং প্রথম দফার এরদোয়ান হারবেন তাতে দ্বিতীয় দফায় তারা চমক দেখাবেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠার সতের বছর পর সাদাত পার্টি পার্লামেন্টে ঢুকতে পারবে। কিন্তু তা আর হইলো কই? প্রেসিডেন্ট প্রার্থী পেয়েছে ০.৯০% ভোট আর সংসদে পেয়েছে ১.৪% (০০ টি আসন)। এখানে। সাদাত পার্টি কোন প্রদেশেই এমপি হওয়ার জন্য নূন্যতম ভোট পায়নি। সাদেত পার্টিতে এক ধরনের অহঙ্কারবোধ ছিলো যে, তাদের ভোটেই এরদোগানের জয়-পরাজয় নির্ভর করে। তাদের এই ১-২% ভোট যে দিকে যাবে সেদিকেই বিজয় হবে। সম্ভবত এই নির্বাচনে সেই অহঙ্কারবোধটা রোধ হবে।

১৯২৪ সালে আধুনিক তুরস্কের যাত্রার পর হতে এরদোগানের দল এ.কে.পি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে সফলতার সাথে তুরস্ককে শাসন করে যাচ্ছে। ২০০২ সালে এরদোগান ক্ষমতায় আসার আগে “ইউরোপের রুগ্ন দেশ” হিসেবে পরিচিত কট্টর ধর্মহীন সেক্যুলার রাষ্ট্র তুরষ্কের ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি জনগনকে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রদানের মাধ্যমে অধিকাংশ জনগণের সমর্থন আদায়ে সক্ষম হয়।

যে সব কারণে বিজয়ী
ক. এরদোয়ানের উন্নয়নের ধারা : আদর্শিক কারণে যারা এরদোয়ানকে অপছন্দ করে তারাও এরদোয়ানের নেতৃত্বে ইউরোপের ন্যায় তুরষ্কের উন্নয়ন পলিসিকে পছন্দ করে। শিক্ষা, চিকিৎসা সহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে এরদোগান জনগণের হৃদয়ে যে অবস্থান করে নিয়েছে তা এতো দ্রুত ভেঙে পরার কোনো সম্ভাবনা নেই। খ. দক্ষ পররাষ্ট্রনীতি: বিশ্বে ইউরোপ এবং আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে এশিয়ার ইরান, রাশিয়া এবং চীনের সাথে অর্থনৈতিক ও সামরিক সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটানো। পাশাপাশি আফ্রিকার দেশ সমূহে তুরস্কের অসম্ভব প্রভাব বিস্তার করা।
গ. মুসলিম বিশ্বের অভিভাবক: মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করণের প্রচেষ্টা বিশেষ করে মুসলিম রাষ্ট্র সমূহের আলাদা ন্যাটোর আদলে গঠিত ইসলামিক মিলেটারি এলায়েন্স গঠন করা। যার প্রাথমিক লক্ষ্য দুই পবিত্র মসজিদ মক্বা মদীনাকে রক্ষা, মুসলমানদের প্রথম কেবলা মসজিদুল আকসা মুক্ত করা ও স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র ফিলিস্তিন গঠন করা এবং সর্বপোরি মুসলিম বিশ্বকে সামরিক ঐক্য ঘটিয়ে শক্তিমান রাষ্ট্রে পরিণত করা। এছাড়া ৫৭ টি মুসলিম রাষ্ট্র সমূহের সংস্থা OIC কে শক্তিশালী করতে তিনি OIC সম্মেলন করেন এবং OIC সভাপতি নির্বাচিত হোন। ঘ. সফল সামরিক অভিযান : গত তিন মাস আগে সিরিয়ার আফরিনে সফল অভিযান সাধারণ তার্কিশদের মনে এরদোগানের অবস্থান আরো শক্তিশালী হয়েছে।

ঙ. পিকেকে বিরোধী অভিযান: গত কয়েক বছরে পিকেকের আত্মঘাতি হামলায় তুরস্কের কয়েক শতাধিক জনগণ নিহত হয়েছে। গত বছরে সরকার বেশ কয়েকটি অভিযানে পিকেকের শক্তিশালী কিছু ঘাটি ধ্বংশের পাশাপাশি বড় সংখ্যক সন্ত্রাসীদের সীমান্তের ওপারে পাঠিয়ে দিয়েছে। চ. বিশ্ব মজলুম মানবতার কান্ডারীর ভূমিকা : আরব বসন্তের পর শক্তিমান রাষ্ট্র সমূহের অন্যতম মধ্যপ্রাচ্যের অনেক রাষ্ট্র সাম্রাজ্যবাদীর চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী মুসলিম বিশ্বের সিরিয়া, লেবানন, লিবিয়া, ইরাক, ইয়েমন রাষ্ট্র সমূহ আজ ভূলন্ঠিত। সে সকল দেশ সমূহের নির্যাতিত মজলুম মানবতাকে আশ্রয় দিয়েছে এরদোয়ান। প্রায় কোটি শরনার্থীকে তুরস্কে আশ্রয় দিয়ে বিশ্ব মজলুম মানবতার মুক্ত প্রতীকে পরিণত হয়েছে এরদোগান...!! এরপর রোহিঙ্গা শরনার্থী ইস্যুতে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ভূমিকা পালন এবং OIC সম্মেলন করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের মাধ্যমে এরদোয়ান মুসলিম বিশ্বের অভিভাবকে পরিণত হোন...!!

ছ. বিদেশী ভোটে পূনর্জাগরণ: ইউরোপের দেশ সমূহ এরদোয়ানের সকল প্রকার প্রচারণায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। একই সাথে পুলিশের সহযোগীতায় বিরোধীদল প্রচারণা চালাচ্ছে। তার্কিশদের সাথে বিমাতাসুলভ আচরণকারী ইউরোপীয়ান শক্তিদের এমন ব্যবহারে সামগ্রিকভাবে এরদোগান ও একে পার্টির জনপ্রিয়তা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।

জ. নারী ভোট: এমন এক সময় ছিলো যখন তুরস্কে আযান চালুর কারণে প্রধানমন্ত্রী আদনান মেন্দেরেসকে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়েছিলো, ইফতার প্রোগ্রামের কারণে নাজিমুদ্দিন আরবাকানকে পদচ্যুত করা হয়েছিলো, দীর্ঘ কয়েক দশক সাধারণ নারীরা বোরকা পরার অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলো। লিবারাল এর আদলে এরদোগান ধারাবাহিকভাবে তুরস্কের সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অধিকার ফিরে দেয়ার পাশাপাশি তাদের গৌরবের ওসমানী খিলাফতের অনেক কিছুই ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। এছাড়াও এরদোগান তুরস্কের নারীদের মধ্য অসম্ভব রকম জনপ্রিয়। নারীদের এই ভোটগুলো সহজে হাতছাড়া হতে দেয়নি এরদোগানের দল ।

১৯২৩ সালে তুরস্ক প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সময় সাংস্কৃতিক জগতের আধুনিকায়নে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করা হয়। ললিতকলার বিভিন্ন শাখায় বিশেষ করে জাদুঘর, থিয়েটার, অপেরা হাউজ এবং অন্যান্য স্থাপত্যসহ বিভিন্ন শাখায় এসব বিনিয়োগ করা হয়। প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর আধুনিক জাতীয় রাষ্ট্রে রূপ দেয়ার লক্ষ্যে তুরস্কে ধর্মকে রাষ্ট্রীয় জীবন থেকে পৃথক করা হয়। কিন্ত গত তিন যুগ থেকে এর পরিবর্তন দেখা দেয় বিশেষ করে ২০০১ সালে রিসিপ তাইয়েপ এরদোগান ক্ষমতায় আসার পর থেকে তুরস্কে রাষ্ট্র ও সমাজে ইসলামের প্রভাব বেড়ে যায়। অনেকটা উসমানী খেলাফত আদলে তুরস্ক রাষ্ট্র পরিচালিত হচ্ছে।

গত ২৪ জুন উন্নয়ন আর “নিও অটোমানিজমের” ধর্মীয় চেতনায় উজ্জীবিত জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে পুনরায় তুরস্কের শাসন ক্ষমতায় এরদোগান দেশকে এগিয়ে নেবে। এটাই বেশিরভাগ টার্কিশ জনগণের বিশ্বাস। বর্তমান সময়ে তুরস্কের এ নির্বাচনে বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বে গণতন্ত্র চর্চার জন্য একটি অনুকরণীয় মডেল হিসেবে ইতিহাসের পাতায় লিখা থাকবে।

লেখক: কথা সাহিত্যিক ও সাংবাদিক 

মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
সম্পাদক ও প্রকাশক
এফ. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft