ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯ || ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
শিরোনাম: ■ জাসদ নেতা মিন্টু গ্রেফতার ■ ফের নির্বাচনের দাবিতে ইসিকে স্মারকলিপি দেবে ঐক্যফ্রন্ট ■ নতুন মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ রোববার ■ বিবিসি’র সেই ভিডিও নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী ■ বিদেশিদের বিএনপির ভরাডুবির কারণ জানালেন শেখ হাসিনা ■ বিশ্ব গণমাধ্যমে বাংলাদেশের নির্বাচন ■ সংবিধান লঙ্ঘনে ইসির বিচার দাবি খোকনের ■ শপথ গ্রহণে যাচ্ছে না ঐক্যফ্রন্টের সংসদ সদস্যরা! ■ আ’ লীগের দুই গ্রুপের কোন্দলে যুবলীগ নেতা নিহত ■ বিদেশি পর্যবেক্ষক ছিল একেবারেই আইওয়াশ ■ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় গভীর উদ্বেগ টিআইবি’র ■  আ’লীগের জয়জয়কার, মুছে গেল বিরোধীরা
১০ কোটি ৪২ লাখ ভোটারের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ৪০ হাজার ভোটকেন্দ্র
দেশসংবাদ, ঢাকা :
Published : Friday, 13 July, 2018 at 7:22 PM, Update: 14.07.2018 10:17:48 AM

একাদশ সংসদ নির্বাচন

একাদশ সংসদ নির্বাচন

একাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে তিনশ সংসদীয় আসনে ১০ কোটি ৪২ লাখ ভোটারের জন্য ৪০ হাজার ভোটকেন্দ্রের তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। ইতোমধ্যে মাঠ কর্মকর্তাদের কাছে কমিশন অনুমোদিত ভোটকেন্দ্র স্থাপন নীতিমালা পাঠানো হয়েছে। এখন সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করে আসনভিত্তিক খসড়া তালিকা করা হবে। আপত্তি-নিষ্পত্তি শেষ করে কর্মকর্তারা তা কমিশনে পাঠালে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে ইসি। ইসির উপসচিব আব্দুল হালিম খান বলেন, বুধবার কমিশন ওই নীতিমালা অনুমোদন করার পর তা মাঠ কর্মকর্তাদের পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হল। আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে এবার তিন ৩ হাজার ভোটকেন্দ্র বেশি লাগবে ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি। এর মধ্যে ৬১৩টি কেন্দ্র হবে পার্বত্য এলাকায়; বাকি ৩৯ হাজার ৩৮৭টি হবে দেশের বাকি এলাকায়।

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, অক্টোবরের মধ্যে ৩০০ আসনের ভোটার তালিকার সিডি ও ভোটার তালিকা মুদ্রণ শেষ করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ‘উপযুক্ত সময়ে’ ইসি তফসিল ঘোষণা করবে। ৮ কোটি ১০ লাখের বেশি ভোটারের জন্য ভোটকেন্দ্র ছিল ৩৫ হাজার ২৬৩টি; ভোটকক্ষ ১ লাখ ৭৭ হাজার ২৭৭টি। কমিশন ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, জুলাইয়ে নির্বাচনী এলাকাভিত্তিক খসড়া তালিকা প্রকাশ; অগাস্টে খসড়া তালিকার ওপর দাবি-আপত্তি ও নিষ্পত্তি; ভোটের ২৫ দিন আগে ইসি অনুমোদিত ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ এবং তফসিলের পর নিবন্ধিত দলগুলোর কাছে সেই তালিকা পাঠানোর কথা রয়েছে। ভোটকেন্দ্র নীতিমালায় বলা হয়েছে, গড়ে ২৫০০ ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকেন্দ্র এবং গড়ে ৬০০ পুরুষ ও ৫০০ মহিলা ভোটারের জন্য একটি করে ভোট কক্ষ নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়া নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নামে স্থাপিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে পারতপক্ষে ভোটকেন্দ্র করা যাবে না।  

কেন্দ্র নির্ধারণে সাধারণত যাতায়াত ও ভৌগলিক অবস্থানের সুবিধা বিবেচনা করা হয়। তবে এ নিয়ে প্রার্থীদেরও নানা রকম অভিযোগ- আপত্তি থাকে। প্রতিবারই ভোটের আগ মুহূর্তে ভোটকেন্দ্র পাল্টাতে কিছু প্রার্থীর তৎপরতা দেখা যায়। তফসিল ঘোষণার পর ভোটকেন্দ্র কোনো প্রার্থীর বাড়ির কাছে বা ‘প্রভাব বলয়ের মধ্যে’ পড়ছে বলে প্রতীয়মান হলে রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ করা যায়।

ইসির উপসচিব বলেন, সাধারণত আগের নির্বাচনে যেসব কেন্দ্রে ভোট হয়েছিল সেগুলো অপরিবর্তিত রাখা হয়। তবে নদীভাঙন ও দুর্যোগে ভোটকেন্দ্র বিলুপ্ত হলে নতুন ভোটকেন্দ্র ঠিক করতে হবে। কোথাও ভোটার বাড়লেও নতুন কেন্দ্র লাগে। আসছে ৩০ জুলাই তিন সিটির ভোটের পর নির্বাচন কমিশন পুরোদমে সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিতে নামবে বলে কর্মকর্তারা জানান।

দেশংবাদ/এসআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  একাদশ সংসদ নির্বাচন   



মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft