ঢাকা, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ || ২ আশ্বিন ১৪২৬
শিরোনাম: ■ জাসদ নেতা মিন্টু গ্রেফতার ■ ফের নির্বাচনের দাবিতে ইসিকে স্মারকলিপি দেবে ঐক্যফ্রন্ট ■ নতুন মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ রোববার ■ বিবিসি’র সেই ভিডিও নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী ■ বিদেশিদের বিএনপির ভরাডুবির কারণ জানালেন শেখ হাসিনা ■ বিশ্ব গণমাধ্যমে বাংলাদেশের নির্বাচন ■ সংবিধান লঙ্ঘনে ইসির বিচার দাবি খোকনের ■ শপথ গ্রহণে যাচ্ছে না ঐক্যফ্রন্টের সংসদ সদস্যরা! ■ আ’ লীগের দুই গ্রুপের কোন্দলে যুবলীগ নেতা নিহত ■ বিদেশি পর্যবেক্ষক ছিল একেবারেই আইওয়াশ ■ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় গভীর উদ্বেগ টিআইবি’র ■  আ’লীগের জয়জয়কার, মুছে গেল বিরোধীরা
অবৈধ পথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করলেই বাজেয়াপ্ত
দেশসংবাদ, ঢাকা :
Published : Sunday, 28 October, 2018 at 12:25 AM

অবৈধ পথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করলেই বাজেয়াপ্ত করা হবে। কাস্টমস ঘোষিত রুট ও বন্দর ছাড়া অনির্ধারিত রুট ও স্থানে আমদানিকৃত পণ্য খালাস  বা একইভাবে কোনো পণ্য রপ্তানি করার চেষ্টা হলে সেসব পণ্য বাজেয়াপ্ত ও পণ্যমূল্যের দ্বিগুণ জরিমানা আরোপের বিধান রেখে সংসদে কাস্টমস বিল-২০১৮ উত্থাপন করা হয়েছে। 

এছাড়া বিলে শুল্ক ও কর ফাঁকির উদ্দেশ্যে ওয়ারহাউস সুবিধার অপব্যবহার করলে সংশ্লিষ্ট পণ্য বাজেয়াপ্ত করাসহ সর্বোচ্চ তিন বছরের সশ্রম কারদণ্ড ও শুল্ক-করের দ্বিগুণ জরিমানা আদায়ের বিধান রাখা হয়েছে। একইভাবে শুল্ক পরিশোধ ছাড়া পণ্য খালাসে সহায়তা করলে একইদণ্ড আরোপের বিধান রাখা হয়েছে।
 
ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে সংসদের ২৩তম অধিবেশনে শনিবার (২৭ অক্টোবর) বৈঠকে সম্পূরক কর্মসূচিতে বিলটি উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। পরে একমাসের মধ্যে অধিকতর পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য বিলটি সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
 
প্রস্তাবিত আইনে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কাস্টমস কর্মকর্তাকে সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা চোরাচালানে জড়িত সন্দেহে কোনো ব্যক্তিকে পরোয়ানা ব্যতীত তল্লাশি গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চোরাচালান বন্ধে কাস্টমস কর্মকর্তা বা বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যকে চোরাচালানের অভিপ্রায়ে সম্পৃক্ত কোনো সংকেত বা সংবাদ কোনো যানবাহন বা গৃহে প্রস্তুত হচ্ছে তথ্যেও ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করতে পারবেন।
 
বিলে পণ্য বাজেয়াপ্ত বা জরিমানা আরোপের পূর্বে এই আইনের অধীন কোনো কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করা যাবে না।  জরিমানা ও সর্বোচ্চ দণ্ডের পরিমাণ কাষ্টমসের কর্মকর্তা বা বিচারক কর্তৃক নির্ধারিত হবে। এজন্য আইনে কাস্টমস হাউস বা ক্লিয়ারেন্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি কমিশনার এসিস্টান্ট কমিশনার সর্বোচ্চ পরিমাণ জরিমানা আরোপ করতে পারবেন। এছাড়া দুই লাখ টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আদায়ের ক্ষমতা  আইনে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
 
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতি বলা হয়েছে, কাস্টমস এ্যাক্ট ১৯৬৯-এর পরিবর্তে বাংলায় একটি আধুনিক কাস্টমস আইন প্রণয়ণের প্রয়োজনীয়তা দীর্ঘ দিনের। এছাড়া বিশ্ব কাস্টমস সংস্থার তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিকভাবে গৃহীত মান সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী আমদানি ও রপ্তানি পণ্যেও সাপ্লাই চেইনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণ ও বিশ্ব কাস্টমস সংস্থার নেতৃত্বে কাস্টমস ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধিবিধান সন্নিবেশ করে নতুন আইন করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। এছাড়া ট্রেড ফেসিলিয়েশন এগ্রিমেন্টের কতিপয় ধারাও আইনে অন্তভুক্ত করার আবশ্যকতা দেখা দিয়েছে। তাই আইনটি প্রণীত হয়।
 
এছাড়া  বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বিল ও বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বিল নামে দু’টি বিল কণ্ঠভোটে পাস করেছে জাতীয় সংসদ। দুই মেয়াদের বেশি কেউ চেয়ারম্যান হিসেবে এই সংস্থায় দায়িত্ব পালন করতে পারবে না মর্মে সংশোধনীসহ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বিল ২০১৮ বিল পাসের প্রস্তাব করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। এছাড়া বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বিল ২০১৮ পাসের প্রস্তাব করেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক।

দেশসংবাদ/ এসআই

মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
সম্পাদক ও প্রকাশক
এফ. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft