ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ || ৭ আশ্বিন ১৪২৬
শিরোনাম: ■ নির্যাতন করায় থানা ঘেরাও করল একদল হনুমান! ■ এবার স্পাতে অভিযান, নারীসহ আটক ১৯ ■ ক্যাসিনোর টাকা গ্রামের মানুষের কল্যাণে ব্যবহারের আহ্বান ■ সিসি বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল মিসর ■ সাদা পোশাকে গ্রেফতার, নিরাপত্তা চেয়ে ৫৬ সাংবাদিকের জিডি ■ নিরাপত্তা চেয়ে সিলেটের অর্ধশতাধিক সাংবাদিকের জিডি ■ রিফাত হত্যার চার্জশিট মনগড়া উপন্যাস ছাড়া কিছু নয় ■ টেন্ডার না দিয়ে বিদেশে আইটি অডিটের কাজ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ■ উসকানি না দিয়ে পারলে সরকারকে সহযোগিতা করুন ■ সরকারের পাপের ইতিহাস বেরিয়ে এসেছে ■ আইনজীবীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে সুপ্রিম কোর্টে মিন্নি ■ প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সেই বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন বিএনপি নেতা দুদু
কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন খাতে বিশাল বরাদ্ধ
দেশসংবাদ, ঢাকা
Published : Friday, 14 June, 2019 at 10:34 AM, Update: 14.06.2019 5:24:15 PM

২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ ধারণাটি তুলে ধরে আওয়ামী লীগ। টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর এ ধারণা বাস্তবায়নে নতুন বাজেটে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নসহ নানা পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

সব বৈশিষ্ট্য ঠিক রেখেই গ্রাম হবে শহর। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় এসব বিষয় তুলে ধরে বরাদ্দ প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৬৬ হাজার ২৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের বৈষম্য ক্রমাগত দূর করতে নানা উদ্যোগের কথা বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন। ‘গ্রাম হবে শহর’ স্লোগানকে সামনে রেখে বর্তমান সরকার পল্লী উন্নয়নকে অগ্রাধিকার তালিকায় রেখেছে। তিনি জানান, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে গ্রাম পর্যায়ে কৃষিযন্ত্র সেবাকেন্দ্র ও ওয়ার্কশপ স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া পল্লী এলাকায় উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, অবকাঠামো স্থাপন, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার সুযোগ তৈরি, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার প্রবর্তন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি, কম্পিউটার ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেয়া হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি গ্রামকে আধুনিক শহরের সব সুবিধাদি প্রদান, নাগরিক জীবনের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হবে।

গ্রামীণ জনগণের উন্নয়নে ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ প্রকল্পের ধারাবাহিকতা থাকছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২০ সালের মধ্যে এক লাখ এক হাজার ৪২টি সংগঠনের আওতায় ৬০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে সুসংগঠিত করে দেশ থেকে স্থায়ীভাবে দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানান, মার্চ পর্যন্ত প্রকল্পটির আওতায় ৯৫ হাজার ৩৮৬টি সমিতি গঠন করা হয়েছে। এর অধীন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উপকারভোগীর সংখ্যা প্রায় দুই কোটি ১২ লাখ ৩৩ হাজার জন।

পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নের নানা উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে পল্লী এলাকায় পাঁচ হাজার ৫০০ কিলোমিটার নতুন সড়ক নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া ৩০ হাজার ৫০০ মিটার ব্রিজ বা কালভার্ট নির্মাণ, ১৩ হাজার কিলোমিটার পাকা সড়ক এবং তিন হাজার ৭০০ মিটার ব্রিজ বা কালভার্ট রক্ষণাবেক্ষণ, ১৯০টি গ্রোথ সেন্টার বা হাটবাজার উন্নয়ন, ৬৪টি উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ বা সম্প্রসারণ, ১৩০টি সাইক্লোন শেল্টারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার থেকে আসা প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য আবাসন নির্মাণ, খাবার পানি সরবরাহ, স্যানিটারি ল্যাট্রিন স্থাপন, রাস্তা নির্মাণসহ অন্যসব জরুরি সেবা দেয়ার বিপুল কাজ দক্ষতার সঙ্গে করা হচ্ছে। এ ছাড়া তিনটি পার্বত্য জেলাসহ সারা দেশে পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি হাতে নেয়া হয়েছে পল্লী জনপদ নামের আধুনিক আবাসন প্রতিষ্ঠার মতো উদ্ভাবনী কার্যক্রম।

দেশসংবাদ/এফএইচ/mmh

মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
সম্পাদক ও প্রকাশক
এফ. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft