ঢাকা, বাংলাদেশ || শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯ || ৯ ভাদ্র ১৪২৬
শিরোনাম: ■ বিআরটিসির লাভের গুড় পিঁপড়ায় খায় ■ বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে ■ দেশে দরিদ্র সীমার হার অর্ধেকে নেমেছে ■ রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে যুক্তরাষ্ট্র সবই করবে ■ সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদপুরে নিহত ৯ ■ ভাগ্নিকে শ্লীলতাহানিতে বাধা দেয়ায় মামা খুন, গণপিটুনিতে বখাটে নিহত ■ শনিরআখড়ায় ব্রিজ ভেঙে খাদে ট্রাক, বন্ধ যান চলাচল ■ মারা গেলেন অরুণ জেটলি ■ অধ্যাপক মোজাফফরের মরদেহে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী ■ সর্বোচ্চ শাস্তি পাবে গ্রেনেড হামলার মূলপরিকল্পনাকারীরা ■ কাশ্মিরজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ-সংঘর্ষ ■ তিস্তায় গোসলে নেমে ২ শিশুর মৃত্যু
অরিত্রীর আত্মহত্যা : দুই শিক্ষকের বিচার শুরু
দেশসংবাদ, ঢাকা
Published : Wednesday, 10 July, 2019 at 1:21 PM, Update: 10.07.2019 1:23:24 PM

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীকে (১৫) আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। অভিযোগ গঠনের ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ মামলার বিচার শুরু হলো। বুধবার (১০ জুলাই) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

এর আগে গত ৩০ এপ্রিল ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে চার্জশিট দিয়েছেন আদালত তা গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে শ্রেণি-শিক্ষিকা হাসনা হেনাকে অব্যাহতির আবেদনও আদালত মঞ্জুর করেন। গত ২৮ মার্চ বিকেলে পল্টন থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখায় মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক কাজী কামরুল ইসলাম চার্জশিট জমা দেন। একই সঙ্গে মামলার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় শ্রেণি-শিক্ষিকা হাসনা হেনাকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়।

২০১৮ সালে ৩ ডিসেম্বর রাজধানীর শান্তিনগরের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয় শিক্ষার্থী অরিত্রী। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে ভিকারুননিসার বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে। ঘটনার পরদিন রাজধানীর পল্টন থানায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতী শাখার প্রধান জিনাত আক্তার ও শ্রেণি-শিক্ষিকা হাসনা হেনার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচণার অভিযোগে অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী মামলা করেন।

মামলার এজাহারে অরিত্রীর আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে বলা হয়, অরিত্রীর স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল। ২ ডিসেম্বর (২০১৮) সমাজবিজ্ঞান পরীক্ষা চলার সময় তার কাছে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। এ জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের (বাবা-মা) ডেকে পাঠায়। ৩ ডিসেম্বর স্কুলে গেলে স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের জানায়, অরিত্রি মোবাইল ফোনে নকল করছিল, তাই তাকে বহিষ্কারের (টিসি) সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্কুল কর্তৃপক্ষ মেয়ের সামনে আমাকে (বাবা) অনেক অপমান করে। এই অপমান এবং পরীক্ষা দিতে না পারার মানসিক আঘাত সইতে না পেরে সে (অরিত্রী) আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয়।

দেশসংবাদ/জেএ

মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
সম্পাদক ও প্রকাশক
এফ. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft