ঢাকা, বাংলাদেশ || বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯ || ৩০ আশ্বিন ১৪২৬
শিরোনাম: ■ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ভারতের সাথে বাংলাদেশের ড্র ■ ডিসেম্বরে বহুল প্রত্যাশিত ই-পাসপোর্ট উদ্বোধন ■ সম্রাট মারা গেলে দায় নেবে কে? ■ আবরার হত্যাকাণ্ডে কূটনীতিকদের বিবৃতি ‘অহেতুক’ ■ মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ■ আন্দোলনের সমাপ্তি টানল বুয়েটের শিক্ষার্থীরা ■ থমথমে বুয়েট, আন্দোলন নিয়ে সিদ্ধান্ত বিকাল ৫ টায় ■ মিয়ানমারকে ৫০ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা হস্তান্তর ■ ১০ দিনের রিমান্ডে সম্রাট ■ মানবতাবিরোধী অপরাধে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ■ মেক্সিকোতে মাদক মাফিয়াদের হামলায় ১৪ পুলিশ নিহত ■ হাইপ্রোফাইল দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে দুদক
সামান্য বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যায় বগুড়ার শেরপুর
এস আই বাবলু, শেরপুর (বগুড়া)
Published : Thursday, 11 July, 2019 at 2:24 PM, Update: 11.07.2019 7:36:30 PM

বগুড়ার শেরপুর পৌর শহরের রাস্তাঘাট বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যাওয়া নতুন কিছু নয়। শেরপুর পৌরসভাটি বগুড়া জেলার ১ নাম্বার পৌরসভা হলেও এখনো সেকেলেই রয়ে গেছে ড্রেনেজ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা। নেই ময়লা আবর্জনা ফেলার নির্ধারিত স্থান। তাই বৃষ্টি হলেই দেখা দেয় অকাল বন্যা।

ঠোংগা দিয়ে নৌকা বানিয়ে ছোটাছুটি করতে হয় এদিক ওদিক। পানির সাথে মিশে যাচ্ছে ময়লা আবর্জনা ও শুকুরের মল।  ড্রেনের সাথে মিশে যাচ্ছে পৌর নাগরিকের অপরিকল্পিত বিল্ডিয়ের পায়খানা। এই পানি চলাচলরত নাগরিকের শরীরে লেগে যাওয়ায় মসজিদ, অফিস, দোকানপাট এবং শিক্ষার্থীরা যেতে পারছেনা স্কুলে। সামান্য বৃষ্টিতে এমন চিত্র নিত্যদিনে সঙ্গী হয়ে দাঁড়ায় ২, ৩, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়র্ডের জনগণের। ভোগান্তি যেন কমছেই না এইসব ওয়ার্ডের ভূক্তভোগী নাগরিকদের।

জানা যায়, শেরপুর পৌরসভা বগুড়া জেলার এক নম্বর পৌরসভা হলেও পানি নিষ্কাশন বা ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা আগের জায়গাতেই রয়ে গেছে। আজো আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি এই পৌরসভায়। তাই তো একটুখানি বৃষ্টি হলেই রাস্তার উপরে উঠে হাটু পানি। এমন চিত্র দেখা গেছে পৌরসভার ২.৩, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়র্ডে।

সরেজমিনে দেখা যায়, শেরপুর পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে দেখা যায়, বর্ষার মৌসুমে সামান্য একটু বৃষ্টি হলে পানি জমে যায়। বৃষ্টির মাত্রা বাড়তে থাকলে রাস্তাগুলো সেই পানি দিয়ে পরিণত হয় বন্যায়। একই চিত্র দেখা যায় ৯ নং ওয়ার্ডে খন্দকার পাড়ার মাজার রোড এলাকায় ও ৭ নং ওয়ার্ডের হাসপাতাল রোড ক্লিনিক এলাকায় এবং ২ ও ৩ নং ওয়র্ডের কলেজ রোড থেকে সকাল বাজার হয়ে ফুলবাড়ি ব্রিজ পর্ষন্ত রাস্তা কাঁদা পানিতে একাকার হয়ে আছে দীর্ঘদিন ধরে অথচ সমাধানের কোন উদ্দ্যেগ নেই। কিছু কিছু এলাকায় মাস্টারড্রেন হলেও নিয়ম না মেনে মাস্টার ড্রেন করায় কোন কাজেই আসছেনা সেই ড্রেন। এই সকল সমস্যা দিনদিন সমাধানের চাইতে আরো বিকট আকার ধারণ করছে। তাই ভোগান্তিও শেষ হচ্ছে না এই পৌরসভার জনগণের।



এ ব্যাপারে শেরশাহ নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুঞ্জুরুল আলম, ডক্টরস কমপ্লেক্স ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাকিরুল ইসলাম পলাশ বলেন, আমরা ৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলরকে বেশকয়েকবার বলেছি মার্কেটের রাস্তায় পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করতে। এরপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলর একটি পাইপ দিয়ে রাস্তার পশ্চিম পাশ থেকে পূর্ব পাশে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করলেও সেটি আর কোন কাজে আসছেনা।

এ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলর সৌমেন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্যাম বলেন, পৌরসভার সকল ওয়ার্ডের মধ্যে ৮নং ওয়ার্ড একটি ব্যস্ততম এলাকা। পৌরসভার উন্নয়নের জন্য মেয়রকে একাধিকবার অবগত করলেও তিনি বাজেটের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান হবে। তাছাড়া সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানপার্টের সামনে ময়লা-আবর্জনাগুলো নির্ধারিত স্থানেও ফেলছেনা। তাই এহেন পরিস্থিতির কিছুটা শিকার হতে হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে শেরপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার বলেন, পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় মাস্টার ড্রেনের কাছ চলছে। ড্রেনের কাজ শেষ হলেই এই দুর্ভোগ আর থাকবেনা আশা করি। মাস্টার ড্রেনের কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য সকলকেই সহযোগিতা করতে হবে।

দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/জেএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  বগুড়া   শেরপুর   পৌর শহর   বৃষ্টি   জেলা  



মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft