ঢাকা, বাংলাদেশ || শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯ || ৯ ভাদ্র ১৪২৬
শিরোনাম: ■ বিআরটিসির লাভের গুড় পিঁপড়ায় খায় ■ বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে ভোটাধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে ■ দেশে দরিদ্র সীমার হার অর্ধেকে নেমেছে ■ রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে যুক্তরাষ্ট্র সবই করবে ■ সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদপুরে নিহত ৯ ■ ভাগ্নিকে শ্লীলতাহানিতে বাধা দেয়ায় মামা খুন, গণপিটুনিতে বখাটে নিহত ■ শনিরআখড়ায় ব্রিজ ভেঙে খাদে ট্রাক, বন্ধ যান চলাচল ■ মারা গেলেন অরুণ জেটলি ■ অধ্যাপক মোজাফফরের মরদেহে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী ■ সর্বোচ্চ শাস্তি পাবে গ্রেনেড হামলার মূলপরিকল্পনাকারীরা ■ কাশ্মিরজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ-সংঘর্ষ ■ তিস্তায় গোসলে নেমে ২ শিশুর মৃত্যু
রংপুরের বদরগঞ্জে সীমাহীন ভোগান্তিতে ভূমি মালিকরা
আফরোজা বেগম, রংপুর
Published : Thursday, 11 July, 2019 at 4:31 PM

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)’র কার্যালয় কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। ওই কার্যালয়ে মোট ১৬টি পদ থাকলেও ৯টি পদই ফাঁকা রয়েছে। ফলে নামজারিসহ ভূমি সংক্রান্ত অন্যান্য কাজ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে অবশিষ্ট কর্মচারিদের। ফলে সীমাহীন ভোগান্তিতে রয়েছেন ভূমি মালিকরা।

অফিস সুত্রে জানা গেছে- ওই কার্যালয়ে মোট ১৬টি পদ রয়েছে। পদগুলো হলো- সহকারী কমিশনার(ভূমি) একজন, সার্টিফিকেট পেশকার একজন, অফিস সহকারী একজন, প্রসেস সার্ভার দু’জন, অফিস সহায়ক দু’জন, কানুনগো একজন, সার্ভেয়ার একজন, প্রধান সহকারী একজন, নাজির কাম ক্যাশিয়ার একজন, সার্টিফিকেট সহকারী একজন, ক্রেডিট চেকিং কাম সায়রাত সহকারী দু’জন এবং চেইনম্যান দু’জন। ২০১৭সালের ১৩আগস্ট থেকে সহকারী কমিশনার(ভূমি)’র পদটি শূন্য রয়েছে।

এছাড়া কানুনগো, সার্ভেয়ার, প্রধান সহকারী, অফিস সহকারী, নাজির কাম ক্যাশিয়ার, সার্টিফিকেট সহকারী এবং ক্রেডিট চেকিং কাম সায়রাত সহকারীর পদ শূন্য রয়েছে। তবে সার্ভেয়ার ও অফিস সহকারী পদে অন্য উপজেলা থেকে দু’জন অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহকারী কমিশনার(ভূমি)’র অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ভুক্তভোগি জমির মালিকরা জানান- অধিকাংশ পদ শূন্য থাকার কারণে নামজারিসহ অন্যান্য কাজে বছরের পর বছর ঘুরতে হচ্ছে।

কারণ নামজারির জন্য সকল প্রক্রিয়া শেষ হলেও দেখা যায় সার্ভেয়ার নেই। আবার সার্ভেয়ার থাকলেও নাজিরের খোঁজ মেলেনা। আবার সার্ভেয়ার ও নাজির থাকলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার না থাকার কারণে সকল কাজ আটকে থাকে। কথা হয় উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের জাকির হোসেন ও দামোদরপুর ইউনিয়নের রুহুল আমিনের সাথে। তারা দু’জনই জানান- নামজারির কাজে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়েছি আর ঘুরতে ইচ্ছে করছেনা। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখানে এসে মনে হয় জমি না থাকলেই ভাল হত। একই কথা বলেন নামজারির কাজে আসা অন্যরাও।

বদরগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস সরকার বলেন, সঠিক সময়ে নামজারি না হওয়ায় দলিল লেখালেখির কাজ অর্ধেকে নেমে এসেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নবীরুল ইসলাম বলেন, আমি এই উপজেলায় যোগদান করার পর অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে একজন এসিল্যা- পেয়েছি। কিন্তু তিনি যোগদান করেই পাঁচ মাস মেয়াদী  প্রশিক্ষণে চলে গেছেন। তিনি নিয়মিত অফিসে বসতে পারলেই লোকজনের ভোগান্তি অনেকটাই কমে যাবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জনবল সঙ্কটের কারণে অন্য পদগুলো আপাততঃ পুরণের কোন সম্ভাবনা নেই।

দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/জেএ

মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
সম্পাদক ও প্রকাশক
এফ. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft