ঢাকা, বাংলাদেশ || শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯ || ৪ কার্তিক ১৪২৬
শিরোনাম: ■ বাসা থেকে বাবা-মেয়ের গলাকাটা লাশ উদ্ধার, স্ত্রীসহ আটক ২ ■ নতুন মুখ আসবে ■ জিজ্ঞাসাবাদে অকপটে সব বলে দিচ্ছেন সম্রাট ■ যুবলীগের দায়িত্ব দিলে ভিসি পদ ছাড়বে ড. মিজান ■ নিষিদ্ধের পর আবারও চালু পাবজি গেম ■ দু'ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক-হেলপার নিহত ■ কে হচ্ছেন জামায়াতের নতুন আমির? ■ আ.লীগের ৪ সহযোগী সংগঠনে নেতৃত্বের দৌড়ে যারা ■ চট্টগ্রামের জহুর হকার্স মার্কেটে আগুন, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ■ আফগানিস্তানে মসজিদে বোমা হামলা, নিহত ৬২ ■ কাঁদলেন ও কাঁদালেন প্রধানমন্ত্রী ■ স্বৈরশাসকরা কোন দিন জনগণের হাতে ক্ষমতা দিতে চায় না
গান গাইলে স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়
দেশসংবাদ ডেস্ক
Published : Saturday, 13 July, 2019 at 3:50 PM

গান গাওয়া একদিকে যেমন মনকে প্রফুল্ল রাখে, তেমনি গবেষণায় দেখা গেছে যে এটি আমাদের স্বাস্থ্যের উন্নয়নে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে এতে ফুসফুসের অবস্থার উন্নতি হয় সেইসঙ্গে ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রষ্ট রোগ মোকাবেলা করতেও সাহায্য করে।

ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডনের অধ্যাপক ডেইজি ফ্যানকোর্ট বলেন, গান গাইলে কোর্টিসলের মতো স্ট্রেস হরমোন বা মানসিক চাপ সৃষ্টিকারী হরমোনের পরিমাণ কমে যায়। এছাড়া এটি এন্ডরফিন হরমোনের নিঃসরণেও সাহায্য করে।

যে হরমোনের মাত্রার ওপর আমাদের মেজাজ ভাল থাকা-না থাকা নির্ভর করে। গান গাওয়ার নানাবিধ স্বাস্থ্য সুবিধা রয়েছে। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের মানসিক অভিব্যক্তি, যেটা কিনা আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভাল।

এটি সামাজিক মিথস্ক্রিয়া বা মানুষের সঙ্গে ভাব আদান প্রদানে সাহায্য করে। ফলে মানুষের মধ্যে থাকা বিচ্ছিন্নতার অনুভূতি হ্রাস পায়। যারা নিয়মিত কনসার্টে যান - সেটা হোক ক্লাসিক সঙ্গীত বা রক মিউজিকের -তাদের প্রত্যেকের প্রায় একই হারে স্ট্রেস হরমোন কমেছে বলে জানা গেছে।

গবেষকরা বলেন, গুরুতর এবং স্থায়ী মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় যারা দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন, তাদের এমন সমস্যা থেকে বের করে আনতে গান গাওয়া বড় ধরণের উপকারে এসেছে।।

সঙ্গীত, বিশেষ করে গান গাওয়া, ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রষ্ট রোগে আক্রান্ত রোগীদের সাহায্য করার ক্ষেত্রে অনেকটা ওষুধের মতো কাজ করে।

ড. সাইমন ওফার বলেন, যখন আমরা গান করি, তখন আমাদের মস্তিষ্কের পিকর্টিক্যাল অংশে রক্তের প্রবাহ বাড়ে। মস্তিষ্কের এই অংশটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণেই মানুষের ডিমেনশিয়া হয়ে থাকে। যখন ডিমেনশিয়া রোগীরা গান গেয়ে ওঠেন বা গান শোনেন, তখন তারা অনেকটা ঘুম থেকে জেগে ওঠার অনুভূতি এবং বিভিন্ন কাজে নিজেদের আরও গভীরভাবে জড়িয়ে নেন।

গান গাওয়ার কারণে শরীরে এন্ডোরফিন নামের হরমোন নিঃসরিত হয়, যার সঙ্গে আমাদের মানসিক তৃপ্তি জড়িত। গান গাওয়ার সময় আমাদের গভীর শ্বাস নিতে হয়, যা শরীরের চারপাশে রক্ত প্রবাহ বাড়াতে এবং এন্ডোরাফিনের প্রভাব বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। আমরা যখন অনেক হাসাহাসি করি বা চকোলেট খাই, তখন আমাদের শরীরে এন্ডোরাফিনের ঝড় বয়ে যায়।

এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, ৪০ মিনিট ধরে দলীয় গান গাওয়ার পরে মানুষের শরীরে কর্টিসোল বা স্ট্রেস হরমোন স্বাভাবিক সময়ের চাইতে বেশি হারে নিঃসরিত হয়েছে।

আমাদের কর্টিসলের মাত্রা সাধারণত দিনের শেষে বন্ধ হয়ে যায়, তবে গান গাইলে এর নিঃসরণের গতি আরও বাড়ে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, গান গাইলে শরীরে অনেক গুরুত্বপূর্ণ হরমোন নিঃসরণ হয়। এছাড়া গান গাইলে অক্সিটোসিন হরমোন উৎপাদন হয়। যাকে কখনও কখনও 'প্রেমের হরমোন' বলা হয়। আমরা যখন প্রিয় কাউকে আলিঙ্গন করি তখন অক্সিটোসিন হরমোন নি:সরণ হয়।

এই হরমোন বিশ্বাস এবং বন্ধনের মতো মানবিক অনুভূতিগুলোকে বাড়াতে সাহায্য করে। গান গাইলে মস্তিষ্কে নিউরোট্রান্সমিটার হিসেবে কাজ করা ডোপামিন হরমোনও নিঃসরিত হয়। এটি মন মেজাজ ভাল রাখতে বা ভাল অনুভূতি জাগাতে সাহায্য করে।

দেশসংবাদ/এনকে


আরও সংবাদ   বিষয়:  গান   স্বাস্থ্য   উন্নতি  



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft