ঢাকা, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯ || ৭ ভাদ্র ১৪২৬
শিরোনাম: ■ সারেদেশে বজ্রপাতে নিহত ১২ ■ রাখাইনে প্রবেশ করতে চায় ইউএনএইচসিআর ■ এমপির পছন্দের ব্যক্তিই হবেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি ■ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকে আরো ২০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ ■ রোহিঙ্গাদের ফেরত না যাওয়ার নেপথ্যে রয়েছে যার প্রভাব ■  ভারতের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয় ■ বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন জিয়াউর রহমান ■ বাংলাদেশের অশুভ শক্তিকে পরাভূত করতে হবে ■ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৯৪ ডাক্তার ও ৩০০ স্বাস্থ্যকর্মী ■ তিনদিনে ৬৫৮ বাড়িতে অভিযান, ডেঙ্গু পাওয়া গেছে ৫৬ বাড়িতে ■ ভারত নয় পাকিস্তান যুদ্ধের চেষ্টা করছে ■ ছুটিতে গেলেন সেই তিন বিচারপতি
কোরবানির ঈদ: কেরানীগঞ্জে শেষ সময়ের ব্যস্ততায় খামারীরা
সামসুল ইসলাম সনেট,কেরানীগঞ্জ
Published : Monday, 5 August, 2019 at 12:34 PM

আর মাত্র বাকি সাত দিন, আসছে ১২ই আগস্ট উৎযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল-আজহা। তাই ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত কেরানীগঞ্জের গবাদিপশুর খামার মালিকরা। সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার ও মনোরম পরিবেশে  পশুগুলোকে কোরবানির উপযুক্ত করে তুলেছেন খামারিরা। সীমান্ত খুলে না দিলে এবং বাজারমূল্য ঠিক থাকলে ভালো লাভের আশা করছেন খামারি, কৃষক  ও মৌসুমী পশু ব্যাবসায়ীরা।

এদিকে, কোরবানির পশুটি মোটাতাজা করণে কোন প্রকার ক্ষতিকর ঔষধ ব্যাবহার হচ্ছে কিনা তার ওপরও নজর রাখছে প্রাণী সম্পদ বিভাগ।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: জহির উদ্দীন জানান, ছোট বড় মিলিয়ে কেরানীগঞ্জে প্রায় ৫৫০/৬০০ টি খামার রয়েছে। আর এ সকল খামার গুলোতে প্রায় ১০ হাজারের মত গরু ও নানা জাতের  ৫/৬ হাজার ছাগল, ভেড়া, গড়াল ও দুম্বা রয়েছে । আর সকল খামারগুলোতেই প্রাকৃতিক পদ্ধত্বিতে কোন প্রকার ক্ষতিকারক ঔষধ ছাড়াই পশু মোটা তাজা করা হয়েছে। কেরানীগঞ্জের কোন খামারে ক্ষতিকারক খাদ্যদ্রব্য খাইয়ে গরু মোটাতাজা করা হয়েছে কিনা তা যাচাই এর জন্য এ বছর উন্মুক্তভাবে কেরানীগঞ্জ থেকে ৭৫টি গরুর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। যার কোনটিতেই কোন প্রকার ক্ষতিকারক কিছুর অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

ঢাকা(নতুন সোনাকান্দা)বিসিক শিল্পনগরী এলাকার মৌসুমী খামারি হাজী সিরাজ জানান, কোরবানির ঈদের আগে বাজারমূল্য ঠিক থাকলে তারা লাভবান হবেন। তবে সে সময় ভারত থেকে পশু আমদানি করা হলে ক্ষতির আশংকা করছেন। পাশের এলাকা চর সোনাকান্দার  কৃষক মোঃ দুলাল বেপারী বলেন, প্রায় ছয় মাস ধরে চার টি ষাড় গরু লালনপালন করছি সম্পৃর্ণ দেশি খাবারে । চারটি গরুতে আমার প্রায় তিন লক্ষটা ব্যায় হয়েছে। ইতোমধ্যে আমার গরুগুলো ৪ লাখ টাকা দাম হাকাচ্ছে। আরেকটু বাড়লেই গরু গুলো ছেড়ে দিবো।

রোহিতপুরের ভাষানচর এলাকায় অবস্থিত ফার্ম ফিন্ড এগ্রো এর মালিক আকবর আলম উপল। তার খামারে ছোট বড় প্রায় ছয়শত গরু রয়েছে। এর মধ্যে তিনি ১২০ টি গরু ঈদুল আজহা  উপলক্ষে মোটা তাজা করা হয়েছে। যা তিনি ইতোমধ্যেই প্রতিটি গরু ৩/৮ লক্ষ টাকা দরে খামারেই বিক্রি করে দিয়েছেন।

এদিকে প্রস্তুত কেরানীগঞ্জের গবাদিপশুর হাটগুলোও। কৃষক ও খামারিদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা ও যাবতীয় নিরাপত্তা সহ অপেক্ষায় আছে ইজারাদাররা। সীমান্ত বন্ধ থাকলে এবার ভালো লভের আশা করছে কৃষক, খামারি ও মৌসুমী ব্যাবসায়ীরা।

দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/আলো

মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
সম্পাদক ও প্রকাশক
এফ. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft