ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯ || ১১ ভাদ্র ১৪২৬
শিরোনাম: ■ প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লেও নিরক্ষরতা পিঁছু ছাড়ছে না ■ পাকিস্তান সেনা ভারতের মোকাবিলাতে প্রস্তুত ■ ডাকসুর অচলাবস্থার জন্য ছাত্রলীগ দায়ী ■ রুমিন হয়তো শিগগির বিয়েশাদি করবেন, তাই তার একটা প্লট দরকার ■ ভিটেবাড়ি ফেরত না দিলে মিয়ানমারে যাবে না রোহিঙ্গারা ■ সৌদির বিমান ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা ■  রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে আর মূলধন দেবে না সরকার ■  পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ-পদোন্নতির নীতিমালা চূড়ান্ত ■ জাতীয় মহিলা পার্টির সভানেত্রী সালমা, সম্পাদিকা নাজমা ■ রাখাইনে তুমুল সংঘর্ষ, সেনাবাহিনীর বিমান হামলা ■ ২৫ দিনে হাসপাতালে ৪৫ সহস্রাধিক ডেঙ্গু রোগী ■ খেলাপি ঋণ এখনই কমার সুযোগ নেই
চিকিৎসক কম থাকায় শঙ্কিত কুড়িগ্রামবাসী
এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম
Published : Thursday, 8 August, 2019 at 10:54 AM

কুড়িগ্রামে এ পর্যন্ত ৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে সদর হাসপাতালে ২ শিশু সহ ৩০ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। এ পর্যন্ত রেফার্ড করা হয়েছে ১০ জনকে এবং ১৪ জন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ীতে চলে গেছে।

হাসপাতালে প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। এরা সবাই ঢাকায় আক্রান্ত হয়ে বাড়ীতে ফিরে আবার পরীক্ষার পর ডেঙ্গু সনাক্ত হওয়ায় ভর্তি হয়েছে। প্রতিদিন ভর্তি হচ্ছে নতুন নতুন রোগী। ফলে চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। রয়েছে শয্যা সংকটও। আসন্ন ঈদ-উল-আযহায় সম্ভাব্য রোগীর চাপ সামলানোর মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকায় শঙ্কিত জেলাবাসী।

এদিকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলায় কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে শনাক্তকরণ পরীক্ষা করাসহ ডেঙ্গু কর্নার খোলা হলেও চিকিৎসক সংকটে ব্যাহত হচ্ছে সেবা। বিশেষ করে আসন্ন ঈদে ডেঙ্গু রোগীদের সম্ভাব্য চাপ সামলানো নিয়েও শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তা ছাড়া রোগীর চাপ বাড়লে ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট স্বল্পতার কারণে রোগ নির্ণয় করা কঠিন হয়ে যাবে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, ২৫০ শয্যার কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ৪২টি পদের বিপরীতে বর্তমানে চিকিৎসক রয়েছে ১১ জন। আর গোটা হাসপাতালের ২৬৬ পদের বিপরীতে জনবল রয়েছে মাত্র ১২৩ জন। এদিকে আসন্ন ঈদে ঢাকা ফেরত ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় চিকিৎসক ও অন্যান্য জনবল সংকটে ধুঁকে চলা এ চিকিৎসাকেন্দ্র কতটুকু চিকিৎসাসেবা দিতে পারবে তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীরা।

কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. শাহিনুর রহমান সরদার বলেন, ‘ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। আমরা সাধ্যমতো চিকিৎসাসেবা দিচ্ছি। হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট রয়েছে। তার পরও আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে এভাবে রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সমস্যায় পড়তে হতে পারে।’

গত তিন চারদিন আগে চিকিৎসক চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে জানিয়ে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবু মো. জাকিরুল ইসলাম বলেন, ‘২৫০ শয্যার একটি হাসপাতালে এত অল্পসংখ্যক চিকিৎসক ও জনবল দিয়ে সেবা দেওয়া আসলেই খুব কঠিন। তবুও আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। চিকিৎসক ও জনবল সংকটের বিষয়টি জানিয়ে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তারা কার্যকর ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করছি।’

দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/এনকে

মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
সম্পাদক ও প্রকাশক
এফ. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft