ঢাকা, বাংলাদেশ || বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯ || ৭ ভাদ্র ১৪২৬
শিরোনাম: ■ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৯৪ ডাক্তার ও ৩০০ স্বাস্থ্যকর্মী ■ তিনদিনে ৬৫৮ বাড়িতে অভিযান, ডেঙ্গু পাওয়া গেছে ৫৬ বাড়িতে ■ ভারত নয় পাকিস্তান যুদ্ধের চেষ্টা করছে ■ ছুটিতে গেলেন সেই তিন বিচারপতি ■ সোমবার বেতিসের বিপক্ষে জাদু দেখতে পারেন মেসি ■ রোহিঙ্গাদের প্ররোচণাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ■ হাইকোর্টের ৩ বিচারপতিকে কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ ■ পিলখানা হত্যাকাণ্ডের দায় আ.লীগকে নিতে হবে ■ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সব অনিয়মের সাথে জড়িত ■ সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধে ১১১ সুপারিশ ■ ঠাকুরগাঁওয়ে দু’বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ ■ শুরু হয়নি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, চলছে সাক্ষাৎকার
হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে আজ
দেশসংবাদ ডেস্ক
Published : Thursday, 8 August, 2019 at 1:32 PM

প্রাণোতসারিত উদ্বেল-আবেগ ঘিরে রেখেছে তাদের। কেউ গাড়িতে; কেউ যাবেন পদব্রজে। গন্তব্য মিনা। রচিত হবে এক অভাবনীয়; অসামান্য দৃশ্যপট। পবিত্র মক্কা হতে মিনার পথমালা লাখ লাখ মানুষের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠবে আজ। আকাশ বাতাস মন্দ্রিত করবে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক ...লা-শারিকা লাক’ ধ্বনি।

তাবু নগরী মিনা নজিরবিহীন নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলেছে সৌদি নিরাপত্তা রক্ষীরা। সারা পৃথিবীর ২০ লাখের বেশি মুসলমান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর নিজ নিজ আবাস এবং মসজিদুল হারাম থেকে ইহরাম বেঁধে মক্কা থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে মিনার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। এর মাধ্যমে সূচনা হবে মুসলমানদের অন্যতম ফরজ ইবাদত পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা। মিনায় যাত্রার মধ্য দিয়ে হজ পালনের সূচনা হয়; যা শেষ হবে ১২ জিলহজ শয়তানকে পাথর মেরে।

হজ পালনকারীদের জন্য মিনায় অবস্থান করা সুন্নত। দীর্ঘ যানজট এড়াতে অনেকে মিনায় যাবেন পায়ে হেঁটে। অন্যান্য দেশের হাজিদের মতো বাংলাদেশের ১ লাখ ২৬ হাজার হাজিও রওয়ানা হবেন মিনার পথে। আগামীকাল ৯ আগস্ট (শুক্রবার) সারাদিন মিনায় অবস্থান করে সেদিন রাতে ও প্রত্যুষে আরাফাতের ময়দানের দিকে যাত্রা করবেন তারা। ১০ আগস্ট (শনিবার) আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুত্বা দেওয়া হবে। হজের খুত্বা শেষে জোহর ও আসরের নামাজ পড়বেন হাজিরা। সেদিন সূর্যাস্তের পর আরাফাত থেকে মুজদালিফায় যাবেন।

সেখানে গিয়ে তারা মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন। মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে সারারাত অবস্থানের পর শয়তানের স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রস্তুতি নেবেন হাজিরা। ঐদিন ফজরের নামাজ শেষে বড়ো জামারায় (প্রতীকী বড়ো শয়তান) পাথর নিক্ষেপ করতে মিনায় যাবেন তারা। পাথর নিক্ষেপ শেষে পশু কোরবানি দেবেন তারা। মূলত ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে অবস্থানের দিনকেই হজের দিন বলা হয়। এদিনের নাম—ইয়ামুল আরাফা।

ইসলামের বিধান মোতাবেক, ১০ জিলহজ মিনায় প্রত্যাবর্তনের পর হাজিদের পর্যায়ক্রমে চারটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়। শয়তানকে (জামারা) পাথর নিক্ষেপ, আল্লাহর উদ্দেশে পশু কোরবানি (অনেকেই মিনায় না পারলে মক্কায় ফিরে গিয়ে পশু কোরবানি দেন), মাথা ন্যাড়া করা এবং তাওয়াফে জিয়ারত। এরপর ১১ ও ১২ জিলহজ অবস্থান করে প্রতিদিন তিনটি শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ করবেন হাজিরা। সবশেষে কাবা শরিফকে বিদায়ী তাওয়াফের মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।

দেশসংবাদ/এনকে

মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
সম্পাদক ও প্রকাশক
এফ. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft