ঢাকা, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯ || ৮ ভাদ্র ১৪২৬
শিরোনাম: ■ ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে ব্যাপক গোলাগুলি ■ কাশ্মীরে গণহত্যার সতর্কতা জারি, ১০ আলামত প্রকাশ ■ সাতক্ষীরায় গোলাগুলিতে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী নিহত ■ সৌদি আরবে ড্রোন হামলা ■ টেকনাফে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা করলো রোহিঙ্গারা ■ সারেদেশে বজ্রপাতে নিহত ১২ ■ রাখাইনে প্রবেশ করতে চায় ইউএনএইচসিআর ■ এমপির পছন্দের ব্যক্তিই হবেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি ■ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকে আরো ২০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ ■ রোহিঙ্গাদের ফেরত না যাওয়ার নেপথ্যে রয়েছে যার প্রভাব ■  ভারতের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয় ■ বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন জিয়া
মণিরামপুরে বিদ্যুৎ বিহীন ২৪ স্কুলে কেনা হচ্ছে বায়োমেট্রিক মেশিন!
আব্দুর রহিম রানা, যশোর
Published : Thursday, 8 August, 2019 at 10:11 PM, Update: 09.08.2019 12:52:47 AM

বাঁশের বেড়ায় ঘেরা স্কুলে মেশিনের কার্যকরীতা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন, বিদ্যালয়ে জায়গা না থাকায় শিক্ষিকার বাড়িতে মেশিন রাখার সিদ্ধান্ত! নেই বিদ্যুৎ সংযোগ, কাঙ্খিত ভবনও নেই। মেশিন স্থাপনের মত জায়গাও নেই বিদ্যালয়ে। বাঁশের চটায় ঘেরা (বেড়া) জরাজীর্ণ শ্রেণি কক্ষে চলছে পাঠদান। তারপরও শতভাগ শিক্ষক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে যশোরের মণিরামপুরের নেহালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কিনতে হবে বায়োমেট্রিক মেশিন। শুধু এই বিদ্যালয় না। বিদ্যুৎ সংযোগ নেই এবং জরাজীর্ণ এমন বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৮টি। এসব বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক মেশিনের কার্যকরিতা কতটুকু ফলপ্রসু হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

শতভাগ শিক্ষক উপস্থিত নিশ্চিত করতে বায়োমেট্রিক মেশিন কেনার উদ্যোগটি নান্দনিক হলেও আগে শতভাগ বিদ্যালয়ের কাংখিত ভবন নির্মাণ দরকার বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। সংশ্লিষ্ট অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থ বছরে উপজেলার
২শ’৬৭ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্লিপ’র (স্কুল লেভেল ইমপ্রুভমেন্ট প্লান) জন্য প্রতি বিদ্যালয়ে ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ এসেছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত ২৮ এপ্রিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে স্লিপের বরাদ্দ থেকে বায়োমেট্রিক মেশিন কিনতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের অবহিত করা হয়। এ যন্ত্রের মাধ্যমে আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে।

সে মোতাবেক ইতোমধ্যে উপজেলায় ৪টি বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক মেশিনের পাইলট কার্যক্রম শুরু হয়। আগামী ঈদুল আয্হার পর প্রতি বিদ্যালয়ের নিজ দায়িত্বে এ মেশিন কেনা হবে বলে উপজেলা শিক্ষা অফিস জানিয়েছে। এ দিকে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে উপজেলার কমপক্ষে ২৪টি বিদ্যালয়ে এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। এছাড়া বাঙ্গালীপুর, ঝাঁপা, খেদাপাড়া, নেহালপুর, পূর্ব বিজয়রামপুর, রামনাথপুরসহ আরো ১৮টি বিদ্যালয় জরাজীর্ণ শ্রেণিকক্ষে চলছে পাঠদান।

মেশিন স্থাপনের মত জায়গাও নেই এসব বিদ্যালয়ে। রামনাথপুর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফাতেমা খাতুন বলেন, ভবন না থাকায় খোলা আকাশের নিচে চলছে পাঠদান। নেহালপুর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাদল মন্ডল জানান, বাঁশের চটা দিয়ে ঘেরা (বেড়া) প্রতিষ্ঠানের জরাজীর্ণ শ্রেণিকক্ষে কোন রকমে চলছে পাঠদান। বায়োমেট্রিক মেশিন স্থাপনের জায়গা না থাকায় বিদ্যালয়ের পাশে প্রতিষ্ঠানের এক ম্যাডামের বাড়িতে আপাতত মেশিনটি রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষক নেতাদের অভিমত, শতভাগ প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ কিংবা ভবন নিশ্চিত করা হলে এ মেশিনের ব্যবহার আরো কার্যকরী হতো। উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা জহির উদ্দিন দ্বিতীয় ধাপে জাতীয়করনকৃত কিছু বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ ও ভবন নেই জানিয়ে বলেন, ইতোমেধ্য ভবন নির্মাণের যাবতীয় কার্যাদি সম্পন্ন হয়েছে।

দেশসংবাদ/এফএইচ/বি

মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
সম্পাদক ও প্রকাশক
এফ. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft