ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ || ১ আশ্বিন ১৪২৬
শিরোনাম: ■ ২৬ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে এক লাখ মামলা ■ টি-টোয়েন্টিতেও আফগানদের কাছে হারলো বাংলাদেশ ■ ৮০ লাখ টাকাসহ গ্রেফতার ডিআইজির জামিন নাকচ ■ সৌদি তেল ক্ষেত্রে হামলা, যুদ্ধের হুমকি ইরানের ■ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ ■ শেখ হাসিনাকে নিয়ে ‘ডিপ্লোম্যাট’র প্রচ্ছদ প্রতিবেদন ■ ডেঙ্গু ধ্বংসে এবার ফাইনাল চিরুনি অভিযান ■ কমিশন কেলেঙ্কারিতে ফেঁসে যাচ্ছেন জাবি উপাচার্য ■ ভিকারুননিসায় নতুন অধ্যক্ষ ফওজিয়া রেজওয়ান ■ এনআরসি নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন ■ ছাত্রলীগের দুর্নীতি চাপা দিতেই ছাত্রদলের কাউন্সিল বন্ধ করা হয়েছে ■ চাঁদাবাজদের প্রশ্রয় দেবে না ছাত্রলীগ
হঠাৎ বেড়েছে পেঁয়াজের দাম, কমেছে ইলিশের দাম
দেশসংবাদ ডেস্ক
Published : Friday, 23 August, 2019 at 7:19 PM, Update: 23.08.2019 7:25:45 PM

ঈদের পর পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক থাকলেও সপ্তাহের ব্যবধানে আবার বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম ১০ টাকা বেড়ে কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। আর ভারতীয় পেঁয়াজের দাম ১৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকায়। অন্যদিকে ছোট, বড় ও মাঝারি সব সাইজের ইলিশ মাছের সরবরাহ থাকায় দাম রয়েছে হাতের নাগালে। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, সব ধরনের সবজি ও মাছ-মাংসের দাম তেমন বাড়েনি গত সপ্তাহের তুলনায়।

ঈদের দুই সপ্তাহ পরে কারওয়ান বাজারে কেজি প্রতি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, কাঁচা পেঁপে ৪০, বরবটি ৪০, পটল ৫০, ঢেঁড়শ ৫০, চিচিঙ্গা ৬০, গাজর ৮০, মিষ্টি কুমড়া ৪০, লাউ ৫০ টাকা পিস, কাকরোল ৫০, মুলা ৬০, কচু ৫০, টমেটো ১২০, কাঁচা মরিচ ১০০, কচুর লতি ৬০, রসুন ২০ টাকা বেড়ে ১৬০ টাকা, আদা ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী মো. মোশারফ হোসেন  বলেন, পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হয়ে যাওয়া এবং ভারতে বন্যা হওয়ার ফলে হিলি বন্দরে পেঁয়াজের আমদানি কিছুটা কমেছে। ফলে বাজারে সরবরাহ কমেছে এবং পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। তবে সবজিসহ অন্যান্য পণ্য গত সপ্তাহের মতো স্বাভাবিক রয়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ইলিশ মাছের সরবরাহ বেড়েছে দামও স্বাভাবিক রয়েছে। ১ কেজি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকায়, ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকায়, ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকায়। এছাড়াও সাইজ ভেদে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে ইলিশ মাছ।

কারওয়ান বাজারের এক ক্রেতা জমিরউদ্দিন সরকার বলেন, ঈদের পর আজই প্রথম বাজারে আসলাম। ইলিশ মাছ কিনেছি দাম কিছুটা কম মনে হলো। সবজির দাম খুব একটা বাড়েনি। তবে পেঁয়াজ এবং রসুনের দাম যথেষ্ট বাড়তি। ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন অজুহাতে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে—এটা বাজারের নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে বাড়েনি কোন ধরনের মাংসের দাম। বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১২০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ২৩০, লেয়ার মুরগি ২০০ ও দেশি মুরগি ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৫৫০ টাকা ও খাসির মাংস ৭৫০ টাকা, ছাগলের মাংস ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

মাংস ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, কোরবানির পর এখনও তেমন চাহিদা বাড়েনি মাংসের। দামও আগের মতোই আছে। আশা করছি সামনের সপ্তাহ থেকে মাংসের চাহিদা বাড়তে পারে। তবে মাংসের দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই।

নুরু নবী নামে এক ক্রেতা বলেন, বাজারে দেখলাম হঠাৎ করেই পেঁয়াজের দামটা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দুই দিন পর পর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ানো ব্যবসায়ীদের একটা অভ্যাস হয়ে গেছে। যথাযথ মনিটরিং না হওয়ার ফলে ব্যবসায়ীরা এটা করার সুযোগ পান। কর্তৃপক্ষের এসব ব্যাপারে নজর আরও বাড়ানো উচিত। বাড়তি দামে পণ্য কিনতে হিমশিম খেতে হয় আমাদের।

দেশসংবাদ/এসআই

মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
সম্পাদক ও প্রকাশক
এফ. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft