ঢাকা, বাংলাদেশ || বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ || ৭ ফাল্গুন ১৪২৬
শিরোনাম: ■ গ্রামীণফোনের ১০০ কোটি টাকা গ্রহণ করেনি বিটিআরসি ■ সমুদ্রের তীরে উঁচু স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না ■ সীমান্তে হত্যা বন্ধে বিএসএফের প্রতিশ্রুতি ■ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই ‘অধিনায়ক মাশরাফি’র শেষ ■ সুপ্রিমকোর্ট বারের ভোটের তারিখ ঘোষণা ■ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বাংলাদেশি জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ■ মাঝ আকাশে দুই বিমানের সংঘর্ষে নিহত ৪ ■ মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় এক আসামির জামিন ■ খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি রোববার ■ চীনে মৃত্যু আতঙ্ক, প্রাণ গেল আরও ১৩২ জনের ■ অভিবাসীদের ৫ বছরের ফ্যামিলি ভিসা দেবে কাতার ■ চলতি বছরেই কার্যকর হচ্ছে জিপিএ-৪
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আব্দুস সামাদের প্রাণদণ্ড
দেশসংবাদ, রাজশাহী
Published : Tuesday, 27 August, 2019 at 12:25 PM, Update: 27.08.2019 6:57:48 PM

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আব্দুস সামাদের প্রাণদণ্ড

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আব্দুস সামাদের প্রাণদণ্ড

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বাঁশবাড়িয়ার আব্দুস সামাদ ওরফে ফিরোজ খাঁ ওরফে মুসার প্রাণদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এই রায় দেন। আব্দুস সামাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত চারটি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ রায় দিলেন আদালত। এটি ট্রাইব্যুনালের ৩৯তম রায়। রায় ঘোষণার সময় আসামি কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সোমবার রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ঠিক করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তার আগে গত ৮ জুলাই রাষ্ট্র ও আসামি উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন প্রসিকিউটর ঋষিকেশ সাহা ও প্রসিকিউটর জাহিদ ইমাম। আর আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবদুস সাত্তার পালোয়ান।

এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চলাকালীন নাশকতার অন্য এক মামলায় গ্রেফতার হন আসামি আব্দুস সামাদ।

২০১৭ সালে ২৪ জানুয়ারি তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পশ্চিমভাগ এবং গোটিয়া গ্রামে আদিবাসী ও বাঙালিদের ওপর নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালানোর অভিযোগ আবদুস সামাদ ওরফে মুসার বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে, আবদুস সামাদের নেতৃত্বে সেখানে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ১৯৭১ সালের ১২ এপ্রিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পুঠিয়ায় মানুষ হত্যা ও অগ্নিসংযোগ শুরু করলে মুসা হানাদার বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেন।

১৯ এপ্রিল ৩০-৪০ জনের একদল পাকহানাদার বাহিনী নিয়ে বাঁশবাড়িয়া গ্রামে যান মুসা। সেখানে ২১ জনকে আটক করে গোটিয়া গ্রামের ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামের বাড়িতে নেয়া হয়। সেখানে দিনভর নির্যাতন চালিয়ে ১৭ জনকে ছেড়ে দেয়া হলেও চারজনকে পুঠিয়ার দুর্গাপুরে মুসার নির্দেশে গুলি করে হত্যা করা হয়।

পরে মুসার নির্দেশে পশ্চিমভাগ মাদ্রাসার সামনে আক্কেল আলীর ছেলে আবদুস সাত্তারকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ছাড়া পশ্চিমভাগ সাঁওতালপাড়ার আদিবাসী লাডে হেমব্রমের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করারও অভিযোগ ছিল মুসার বিরুদ্ধে।

দেশসংবাদ/আলো


আরও সংবাদ   বিষয়:  রাজশাহী   আব্দুস সামাদ   মানবতাবিরোধী  



মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft