ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ || ৭ আশ্বিন ১৪২৬
শিরোনাম: ■ ফাইনালের আগে দুর্দান্ত জয় পেলো বাংলাদেশ ■ শেখ হাসিনার অ্যাকশন শুরু হয়েছে ■ সেই জিকে শামীম ১০ দিনের রিমান্ডে ■ ভূতের আড্ডায় বাতি জ্বালিয়ে যা দেখলেন অভিযানকারী! ■ সব ধরনের মানুষের জন্য পার্ক ও মাঠের ব্যবস্থা করা হচ্ছে ■ খালেদাকে দেশের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে ■ যুবলীগের চেয়ারম্যান-সম্পাদকের পদত্যাগ দাবি ■ সাত বডিগার্ডসহ যুবলীগ নেতা শামীমকে গুলশান থানায় হস্তান্তর ■ মিসরজুড়ে একনায়ক সিসির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ■ ক্যাসিনো অভিযানে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরোচ্ছে ■ অন্যায়-দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চলবে ■ রূপপুর বালিশকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি অর্থ হাতিয়ে নেন জিকে শামীম
বাংলাদেশ নিয়ে মার্কিন গবেষকের শঙ্কা
বাংলাদেশে নিয়মিত আঘাত হানবে ভয়ানক ঝড়-জলোচ্ছ্বাস
দেশসংবাদ ডেস্ক
Published : Tuesday, 3 September, 2019 at 3:41 PM

মৌসুমি বন্যা, ঝড়, জলোচ্ছ্বাসের সঙ্গে পরিচিত বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের মানুষজন এর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন। বিরূপ পরিস্থিতি মোকাবেলা করে চাষাবাদসহ বেশ কিছু বিষয়ে সফলতাও এসেছে।

কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের এক গবেষক বলছেন, এটাও যথেষ্ট হবে না! বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে বাংলাদেশ নিয়মিত ভয়ঙ্কর ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের শিকার হবে।

তলিয়ে যাবে অনেক এলাকা। যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির কৃষি, পরিবেশ এবং উন্নয়ন অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জয়েস জে চেনের বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে গবেষণালব্ধ মত তুলে ধরে সোমবার এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিবিসি। তিনি বলছেন, এই শতাব্দীর শেষে বাংলাদেশের উপকূল বরাবর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ দশমিক ৫ মিটার বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই সময়ে উপকূলে অস্থিরতা চরম আকার ধারণ করবে। ভয়ংকর ঝড় এবং অস্বাভাবিক উচ্চতার জোয়ার বা জলোচ্ছ্বাস এখন বাংলাদেশে প্রতি দশকে একবার করে আঘাত হানছে। ২১০০ সালের মধ্যে সেটা প্রতি বছর তিন থেকে ১৫ বার ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের প্রথাগত জীবনযাপন অসম্ভব হয়ে পড়েছে। গ্রামাঞ্চলের মানুষেরা বেঁচে থাকার প্রয়োজনে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ের নেয়ার চেষ্টা করছে। বন্যা উপদ্রুত এলাকার মানুষেরা নতুন নতুন বিষয় প্রবর্তন, পরিবর্তন যোগ্যতা, প্রাণোচ্ছ্বাসের সমন্বয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে টিকে রয়েছে।

তবে পরিবেশের চরম অবস্থা তাদের যেদিকে ঠেলে দিচ্ছে তাতে যে কারো সহিষ্ণুতার মাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে। আগে লোকজন মৌসুমি বন্যার সবচেয়ে খারাপ সময়ে বাড়ি-ঘর ছেড়ে সরে যেত। এখন নিয়মিত জলাবদ্ধতা ফসল উৎপাদনকে অসম্ভব করে তুলছে।

নোনা পানিতে টিকছে না ফসল, বিকল্প কাজের ব্যবস্থাও সীমিত। অর্থনীতিবিদ চেন বলেন, জলবায়ু এত বেশি প্রতিকূল হয়ে উঠছে যে, লোকজনের স্থানান্তর বা অভিবাসনের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতি বছর আনুমানিক এক লাখ লোক বন্যার কারণে স্থানান্তরিত হচ্ছে। লবণাক্ত পানির কারণে জমি স্থায়ীভাবে বদলে যাওয়ায় ফসল ফলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। কিছু ক্ষেত্রে লবণাক্ত পানি কখনো কখনো সুযোগ সৃষ্টি করে।

যেখানে ধান জন্মাত একসময়, সেটি এখন চিংড়ি চাষীদের দখলে চলে গেছে। তিনি বলেন, যদি বেশি সংখ্যক মানুষ এই পরিবর্তন আনে এবং আরও বেশি লবণাক্ত পানি জমিতে ঢুকে যায় তাহলে তা নতুন সংকট সৃষ্টি করবে। এমনভাবে তা অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে, যা মানুষ অনুমান করতে পারছে না। চেনের ভাষায়, সমুদ্রের পানি ঠেকানোর জন্য বাঁধ বা কোনো প্রাচীর নির্মাণ সাহায্যের চেয়ে সংকটই বেশি সৃষ্টি করে।

দেশসংবাদ/এনকে

মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
সম্পাদক ও প্রকাশক
এফ. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft