ঢাকা, বাংলাদেশ || শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ || ৬ আশ্বিন ১৪২৬
শিরোনাম: ■ ফাইনালের আগে দুর্দান্ত জয় পেলো বাংলাদেশ ■ শেখ হাসিনার অ্যাকশন শুরু হয়েছে ■ সেই জিকে শামীম ১০ দিনের রিমান্ডে ■ ভূতের আড্ডায় বাতি জ্বালিয়ে যা দেখলেন অভিযানকারী! ■ সব ধরনের মানুষের জন্য পার্ক ও মাঠের ব্যবস্থা করা হচ্ছে ■ খালেদাকে দেশের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে ■ যুবলীগের চেয়ারম্যান-সম্পাদকের পদত্যাগ দাবি ■ সাত বডিগার্ডসহ যুবলীগ নেতা শামীমকে গুলশান থানায় হস্তান্তর ■ মিসরজুড়ে একনায়ক সিসির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ■ ক্যাসিনো অভিযানে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরোচ্ছে ■ অন্যায়-দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চলবে ■ রূপপুর বালিশকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি অর্থ হাতিয়ে নেন জিকে শামীম
বিটিশ পার্লামেন্টে বিদ্রোহ, নিয়ন্ত্রণ হারালেন বরিস সরকার
দেশসংবাদ ডেস্ক
Published : Wednesday, 4 September, 2019 at 10:22 AM, Update: 04.09.2019 1:56:24 PM

চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিটের পথে বাধা দূর করতে পাঁচ সপ্তাহের জন্য পার্লামেন্ট স্থগিতের পর অগ্নিপরীক্ষার মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। স্থগিতের আগে সংসদের শেষ অধিবেশনের প্রথম দিন মঙ্গলবার নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে বরিসের কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্বাধীন জোট সরকার।

এদিন সংসদে কনজারভেটিভ পার্টি ছেড়ে লিবারেল ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে যোগ দেন ফিলিপ লি। এরপর চুক্তিহীন ব্রেক্সিট (ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়া) ঠেকাতে সংসদ সদস্যরা বিতর্কের অনুমতি চাইলে তাতে সম্মতি দেন হাউস অব কমন্সের স্পিকার জন বেকরো।

দেশটিতে ব্রেক্সিট নিয়ে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে নাটকীয় এই পরিবর্তন ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির ওপর বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

১৯৯৬ সালের পর প্রথমবারের মতো ব্রিটেনে সংখ্যালঘু সরকার বিরাজ করছে। রয়টার্স বলছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নপন্থী (ইইউ) লি ১৯৯২ সালে কনজারভেটিভ পার্টিতে যোগ দেন।

তিনি বলেন, বরিসের অধীনে কনজারভেটিভ পার্টি লোকরঞ্জনবাদ ও ইংরেজ জাতীয়তাবাদের রোগে সংক্রমিত হয়ে পড়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে ব্রিটেনের অখণ্ডতাকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

আমাদের দেশের অর্থনীতি, গণতন্ত্র ও বিশ্বে আমাদের দেশের ভূমিকাকে পতনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

বিবিসি জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লেবার পার্টি থেকে শুরু করে বেশ কয়েকটি বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন।

বিরোধী মনোভাব ব্যক্ত করেছেন বরিসের কনজারভেটিভ পার্টির (টোরি পার্টির উত্তরসূরি) কয়েক সদস্যও। এ অবস্থায় সোমবার মন্ত্রিসভার এক বৈঠকের পর বরিস বলেন, ইইউ’র সঙ্গে বোঝাপড়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।

সেই প্রচেষ্টা বিফল হলেও তিনি কোনো অবস্থায় ৩১ অক্টোবরের নির্ধারিত সময়সীমা বাড়াতে প্রস্তুত নন। নিজের দলের মধ্যে বিদ্রোহের আশঙ্কার মুখে কনজারভেটিভ পার্টির কয়েকজন নেতা জানিয়ে দেন, সংসদে যারা সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দেবেন, তারা পরবর্তীতে দলের মনোনয়ন পাবেন না।

তাদের দল থেকে বহিষ্কারও করা হতে পারে। বিবিসি ও ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, সংসদে সরকারের বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাস হলে প্রধানমন্ত্রী অক্টোবরেই নির্বাচন ডাকতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ১৪ অক্টোবর নির্বাচনের তারিখ স্থির হতে পারে।

তবে এই সিদ্ধান্তের জন্য সংসদে কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থনের প্রয়োজন হবে। সেটিও সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানো বরিসের দলের জন্য বেশ কঠিন হবে।

সংসদে বিরোধী পক্ষ যে প্রস্তাব অনুমোদনের উদ্যোগ নিয়েছে তার আওতায় ১৯ অক্টোবরের মধ্যে ইইউ’র সঙ্গে চুক্তি নিয়ে ঐকমত্য না হলে ব্রেক্সিটের সময়সীমা তিন মাস পেছানো হবে।

এ নিয়ে ভোটাভুটির পর লেবার পার্টি সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারে। সংকট না কাটলে দ্রুতই পদ হারাতে হবে তেরেসা মে’র পদত্যাগের পর জুলাইয়ের শেষে ব্রিটিশ মসনদে বসা বরিসকে।

বরিস জনসনের পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৯ থেকে ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সংসদ অধিবেশন স্থগিত হবে। আগামী ১৪ অক্টোবর রানীর ভাষণের মাধ্যমে আবারও শুরু হবে অধিবেশন।

এই সময় সংসদ স্থগিত থাকায় ব্রেক্সিট নিয়ে কোনো ধরনের প্রস্তাব পাস করতে পারবেন না সংসদ সদস্যরা। এতে ইইউ’র সঙ্গে কার্যকর কোনো চুক্তি না হলে তা ছাড়াই ব্রেক্সিট সম্পন্ন করতে পারবে ব্রিটিশ সরকার।

দেশসংবাদ/এফএইচ/mmh

মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
সম্পাদক ও প্রকাশক
এফ. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft