ঢাকা, বাংলাদেশ || শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ || ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
শিরোনাম: ■ তৃণমূলের চাপে কঠোর আন্দোলনে যাচ্ছে বিএনপি ■ রুম্পা হত্যা নাকি আত্মহত্যা করেছে, তদন্তে পুলিশ ■  রাজধানীর পাঁচ এলাকায় শনিবার থাকবেনা গ্যাস ■  ১৭ বাংলাদেশি জেলেকে ফেরত দিয়েছে মিয়ানমার ■ সম্পন্ন হলো সৃ‌জিত-‌মি‌থিলার বিয়ে ■ বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় আমরা মেধাবী ■ যে কারণে বাংলাদেশে আসতে চায় মোদি-প্রণব-সোনিয়া ■ বন্ধুত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারত এগিয়ে যাবে ■ উকিলের হাতে গৃহবধু জোরপূর্বক ধর্ষণ ■ ডিসির স্ত্রীর পরিচয়ে অতঃপর... ■ উলিপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় নাগরিক নিহত ■ পেঁয়াজ দিয়ে ভাড়া মেটালেন যাত্রী! ভিডিও ভাইরাল
খরার কবলে আমন খেত, সেচই একমাত্র ভরসা
এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
Published : Friday, 6 September, 2019 at 12:25 PM

খরার কবলে আমন খেত, সেচই একমাত্র ভরসা

খরার কবলে আমন খেত, সেচই একমাত্র ভরসা

ফুলবাড়ীতে মাঠজুড়ে এখন শুধুই সবুজের সমারোহ। জমিতে নেই পানি। ভরা মৌসুমেও বৃষ্টির দেখা নেই। বেশ কিছুদিন যাবত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় খরার কবলে পড়েছে আবাদি জমি। এ অঞ্চলের প্রধান ফসল রোপা আমন ধান। বন্যায় এ উপজেলায় দুই-একটি ইউনিয়ন আক্রান্ত হলেও আমনের তেমন ক্ষতি হয়নি। কৃষকরা সঠিক সময়ে জমিতে চারা রোপণ করেছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪২০ জন কৃষকের মাঝে আমনের চারা বিতরণ করেছে কৃষি বিভাগ। তারা শুধুই একটু দেরিতে জমিতে চারা রোপণ করেছে। লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে উপজেলায় আমনের আবাদ অর্জিত হয়েছে ১১ হাজার ৮৮০ হেক্টর জমিতে। ভরা মৌসুমেও পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাবে আমনের আবাদ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন প্রান্তিক কৃষকরা।

একমাত্র ফসল রক্ষার্থে উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের প্রায় ৫৫০টি শ্যালো মেশিন ও বিভিন্ন ধরনের সেচযন্ত্র বসিয়ে আমন খেতে পানি দিচ্ছেন কৃষকরা।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রোপণকৃত আমন খেতে পানি না থাকায় মরে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় কৃষকরা শ্যালো মেশিন ও সেচযন্ত্র দিয়ে জমিতে পানি দিচ্ছেন। অনুকূল আবহাওয়া আর সঠিক পরিচর্যা করলে দ্রুত বেড়ে উঠবে কচি আমন ধান গাছ। কৃষকরা সকাল বাধা উপেক্ষা করেও আমনের বাম্পার ফলনের আশা করছেন।

কুরুষা ফেরুষা গ্রামের কৃষক তৈয়ব আলী মাস্টার ও গজেরকুটি গ্রামের রণজিত চন্দ্র রায় বলেন, এ অঞ্চলের প্রধান ফসল আমন ধান বৃষ্টিনির্ভর ফসল হিসেবে পরিচিত। এই ফসল আমরা যুগের পর যুগ ধরে বৃষ্টির পানি দিয়ে আবাদ করে আসছি। কিন্তু এখন আবহাওয়া বিপর্যয়ের কারণে আমরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছি। বাম্পার ফলনের আশায় বাধ্য হয়ে আমন খেতে শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি দিচ্ছি। তারা আরো জানান, অনেক কৃষক ধার-দেনা করে হলেও আমনের বাম্পার ফলনের আশায় অতিরিক্ত খরচ বহন করে আমন খেতে পরিচর্যা করছেন। অথচ কৃষকরা ঘামঝরা কষ্ট করেও ধানের দাম থেকে বঞ্চিত।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রশিদ জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বেশ কিছুদিন যাবত্ উপজেলায় তাপদাহ বিরাজ করছে। তাই উপজেলা কৃষি বিভাগ কৃষকদের আমন আবাদে সেচযন্ত্র চালুর পরামর্শ প্রদান করেছেন। চলতি আমন মৌসুমে এ উপজেলায় ১১ হাজার ৮৮০ হেক্টর জমিতে কৃষকরা আমনের চারা রোপণ করেছে। আমন খেতে পানি দিতে ৫৫০টি শ্যালো মেশিন ও সেচযন্ত্র দিয়ে প্রতিনিয়ত পানি দিচ্ছেন। আশাকরি সব বাধা পেরিয়ে এ বছরও আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশসংবাদ/এসকে


আরও সংবাদ   বিষয়:  সেচই   একমাত্র   ভরসা  



মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft