ঢাকা, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ || ৫ আশ্বিন ১৪২৬
শিরোনাম: ■ ৭ দেহরক্ষীসহ যুবলীগ নেতা শামীম আটক ■ ক্যাসিনো খালেদকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার ■ ঠাকুরগাঁওয়ে বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে হত্যা করলো বিএসএফ ■ সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন ■ ক্যাসিনোর শহর বানিয়েছিল বিএনপি ■ ৭ দিনের রিমান্ডে যুবলীগের খালেদ ■ নজরদারিতে সম্রাট, শিগগিরই গ্রেফতার! ■ সব অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে অভিযান চলবে ■ যুবলীগ নেতা খালেদকে গুলশান থানায় হস্তান্তর ■ মার্কিন ড্রোন হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ৩০ ■ খুনি নূর চৌধুরীর অবস্থান প্রকাশে বাধা নেই ■ ক্যাসিনোর সাথে জড়িতদের নাম বলছেন যুবলীগ নেতা খালেদ
নেত্রকোনায় সাইদুল হত্যাকান্ডের রহস্য উদ্ঘাটন
ভজন দাস, নেত্রকোনা
Published : Wednesday, 11 September, 2019 at 7:38 PM

নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুরের চাঞ্চল্যকর অটোচালক সাইদুল ইসলাম (২৭) হত্যাকান্ডের সাতদিনের মাথায় প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন ও হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তিন খুনিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ।

নেত্রকোনার পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী বুধবার বিকেলে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস-ব্রিফিংয়ে জানান, দূর্গাপুর উপজেলার পশ্চিম বিলাশপুর গ্রামের মৃত সদর আলীর পুত্র অটো চালক সাইদুল ইসলাম প্রতিদিনের ন্যায় তার ব্যাটারী চালিত অটো (ইজিবাইক) নিয়ে ২রা সেপ্টেম্বর সকালে বাড়ী থেকে বের হয়। রাতে সে বাড়িতে ফিরে না আসায় এবং তার মোবাইল বন্ধ থাকায় স্ত্রীসহ পরিবারের লোকজন চারদিকে খোঁজাখুজি শুরু করে। তাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে তার স্ত্রী ৩রা সেপ্টেম্বর দূর্গাপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেন।

৫ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১০টায় সময় ভারতীয় সীমান্তবর্তী মিনকিফান্দা গ্রামের মরাখলা পাহাড়ের পাশে বান্দরের টিলায় হাত মুখ বাধাঁ অবস্থায় এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যাক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন খবর পেয়ে সাইদুলের স্ত্রীসহ পরিবারের অন্যান্যরা থানায় গিয়ে লাশের গায়ে জামা কাপড় দেখে এটি সাইদুলের লাশ বলে সনাক্ত করে। এ ব্যাপারে নিহত সাইদুলের স্ত্রী আকলিমা আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যাক্তিদের আসামী করে ৮ সেপ্টেম্বর দূর্গাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ তদন্তে নামে।

তদন্তকালে ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার কাঁঠালডাংড়ি গ্রামের আব্দুর রহমানের পুত্র শাহীন ওরফে মোল্লা (৩৫), শেরপুর জেলার পাকুরিয়া গনই মমিনাকান্দা গ্রামের  আশরাফুল ওরফে আশারুলের পুত্র মানিক মিয়া (২৭) এবং নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুর উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের কমর উদ্দির ওরফে কেনু মেম্বারের পুত্র সেকুল ইসলামের (২৭) নাম উঠে আসে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস,এম আশরাফুল আলমের নেতৃত্বে জেলা পুলিশের একটি চৌকস টীম আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সোমবার প্রথমে সেকুলকে দূর্গাপুর উপজেলার লক্ষীপুর বাজার হতে গ্রেফতার করে। পরে তাকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উঁচাখিলা বাজার হতে আসামী সবুজ মিয়াকে গ্রেফতার এবং তার হেফাজতে থাকা চোরাই অটোটি উদ্ধার করে। ধৃত আসামীদের দেয়া তথ্য মতে ঐদিন গভীর রাতে শেরপুর সদর উপজেলার পাকুরিয়া গণই মমিনাকান্দা হতে হত্যাকান্ডের মাস্টার মাইন্ড মানিক মিয়াকে গ্রেফতার করে।

মঙ্গলবার বিকালে আসামীদেরকে নেত্রকোনা জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আসামীরা ১৬৪ ধারায় হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্ধী প্রদান করেন।

দেশসংবাদ/এসকে

মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
সম্পাদক ও প্রকাশক
এফ. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft