ঢাকা, বাংলাদেশ || শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ || ৬ আশ্বিন ১৪২৬
শিরোনাম: ■ ফাইনালের আগে দুর্দান্ত জয় পেলো বাংলাদেশ ■ শেখ হাসিনার অ্যাকশন শুরু হয়েছে ■ সেই জিকে শামীম ১০ দিনের রিমান্ডে ■ ভূতের আড্ডায় বাতি জ্বালিয়ে যা দেখলেন অভিযানকারী! ■ সব ধরনের মানুষের জন্য পার্ক ও মাঠের ব্যবস্থা করা হচ্ছে ■ খালেদাকে দেশের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে ■ যুবলীগের চেয়ারম্যান-সম্পাদকের পদত্যাগ দাবি ■ সাত বডিগার্ডসহ যুবলীগ নেতা শামীমকে গুলশান থানায় হস্তান্তর ■ মিসরজুড়ে একনায়ক সিসির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ■ ক্যাসিনো অভিযানে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরোচ্ছে ■ অন্যায়-দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চলবে ■ রূপপুর বালিশকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি অর্থ হাতিয়ে নেন জিকে শামীম
ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে বিএনপিতে ব্যাপক গ্রুপিং-লবিং
দেশসংবাদ ডেস্ক
Published : Thursday, 12 September, 2019 at 1:02 PM, Update: 12.09.2019 2:25:36 PM

দীর্ঘ ২৭ বছর পর আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে। ছাত্রদলের নেতৃত্ব নিয়ে এরই মধ্যে বিএনপিতে শুরু হয়েছে ব্যাপক গ্রুপিং-লবিং। বিশেষ করে ছাত্রদলের কাউন্সিল ও নির্বাচন পরিচালনার জন্য গঠিত সার্চ কমিটিতে থাকা সাবেক ছাত্রনেতাদের কেউ কেউ নিজস্ব বলয়কে নেতৃত্বে নিয়ে আসার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। যদিও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিকনির্দেশনা রয়েছে, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কেউ কোনো প্রার্থীর পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারবেন না। কারও এমন ভূমিকা থাকলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে আটজন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ১৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

আগামী শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। সংগঠনটির ১০ সাংগঠনিক বিভাগের ১১৬ শাখায় মোট ৫৬৬ জন ভোটার রয়েছেন। নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, ছাত্রদলের প্রতিটি শাখার শীর্ষ পাঁচজন নেতা কাউন্সিলে ভোট দিতে পারবেন। জানা যায়, এরই মধ্যে উত্তরাঞ্চল, দক্ষিণাঞ্চল, বৃহত্তর নোয়াখালীসহ অঞ্চলভিত্তিক নেতারাও নিজেদের প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নেমেছেন। স্থায়ী কমিটি থেকে শুরু করে ভাইস চেয়ারম্যান, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ নির্বাহী কমিটির সবাই নিজস্ব প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইছেন। সাবেক ছাত্রনেতাদের বড় অংশই আদাজল খেয়ে নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নেমেছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন জেলা সফরের পাশাপাশি প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে নিজেদের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন বলেন, ‘নির্বাচনের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। নির্বাচন সফল করতে নির্বাচন পরিচালনা, আপিল ও বাছাই কমিটি যৌথভাবে কাজ করছে। এখন অপেক্ষা শুধু ভোট গ্রহণের। তিনি বলেন, আধুনিক পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হবে। জাতীয় নির্বাচনের মতোই বুথ থাকবে, ব্যালট বক্স থাকবে, ভোটার লিস্টসহ আনুষঙ্গিক সব কিছুই সেখানে থাকবে। নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী আটজন। তারা হলেন- কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, মো. ফজলুর রহমান খোকন, মাহমুদুল হাসান বাপ্পি, হাফিজুর রহমান, রিয়াদ মো. তানভীর রেজা রুবেল, মো. এরশাদ খান, এস এম সাজিদ হাসান বাবু ও এ বি এম মাহমুদ আলম সরদার। এদের মধ্যে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন ফজলুর রহমান খোকন, কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান ও সহসভাপতি সাজিদ হাসান বাবু। কাউন্সিলরদের পাশাপাশি জেলা বিএনপির নেতাদেরও দ্বারস্ত হচ্ছেন তারা। ফজলুর রহমান খোকন বলেন, বগুড়ার সন্তান হিসেবে আমি প্রথম প্রার্থী। আমার বিরুদ্ধে ২৫টিরও বেশি মামলা রয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের উত্তরসূরি হিসেবে কাউন্সিলরদের কাছে ভোট প্রত্যাশা করছি।

কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ বলেন, ওয়ান-ইলেভেনে, ১৪’ সালের আন্দোলনসহ সব আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম। ছাত্রলীগের হাতে নির্যাতিত হয়েছি, জেলে গিয়েছি। আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। আরেক প্রার্থী হাফিজুর রহমান বলেন, ইতিমধ্যে প্রতিটি ইউনিট সফর শেষ করেছি। নিয়মিত কাউন্সিলরদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম। সব বিবেচনায় আমাকে কাউন্সিলররা ভোট দেবেন বলে আশা করছি। জামালপুরের সন্তান সাজিদ হাসান বাবুও প্রচারণায় থেমে নেই। বিগত আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় এ নেতাকে নিয়ে আশাবাদী তার অনুসারীরা। তিনিও প্রত্যেক জেলা সফর করে ভোট চাইছেন।

সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী ১৯ জন। এর মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি শাহনেওয়াজ, আমিনুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, তানজিল হাসান, ইকবাল হোসেন শ্যামল ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের। শাহনেওয়াজ বলেন, আমার বিরুদ্ধে চারটি মামলা রয়েছে। একাধিকবার কারাবরণ করেছি। একাদশ জাতীয় নির্বাচনের সময়ও হাতিয়ায় আওয়ামী লীগের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছি। চূড়ান্ত বিচারের ভার আমি কাউন্সিলরদের ওপর ছেড়ে দিলাম। আমিনুর রহমান বলেন, ওয়ান-ইলেভেনসহ পরবর্তী সব আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ছিলাম এবং আগামী দিনেও থাকব। জয়ী হলে গণতন্তের মা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করার বিষয়ে আমি তাদের আশ্বস্ত করেছি। অপর প্রার্থী তানজিল হাসান বলেন, আমি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির কারণে আটটি মামলার শিকার। কয়েকবার কারাবরণ করেছি। ছাত্রলীগের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছি। আবু তাহের বলেন, ওয়ান-ইলেভেনের সময় দুটি মামলাসহ আমার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা রয়েছে। কারাবরণ করেছি। সিন্ডিকেটমুক্ত কমিটি চাই।

দেশসংবাদ/এনকে

মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
সম্পাদক ও প্রকাশক
এফ. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft