ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ || ৫ কার্তিক ১৪২৬
শিরোনাম: ■ বক্তব্যের জন্য মেননকে ড. কামালের ধন্যবাদ ■ ফারুক-মারুফ-শাওন-দিপু ছাড়াই বৈঠকে যুবলীগ ■ ভোট নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন মেনন ■ মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত ৫ (ভিডিও) ■ ভারত-পাকিস্তানে ব্যাপক পাল্টাপাল্টি হামলা, নিহত ১৬ ■ ভোলায় পুলিশ-জনতা ব্যাপক সংঘর্ষ, নিহত ৪ ■ বাংলাদেশের নির্মিত মোবাইল সারা বিশ্বে ব্যবহার হবে ■ মন্ত্রী হলে কি মেনন এ কথা বলতেন, প্রশ্ন কাদেরের ■ প্রতি টেন্ডারে ৫ পার্সেন্ট কমিশন নিতেন মেনন ■ আবারও আটকে গেল ব্রেক্সিট চুক্তি, বেকায়দায় জনসন ■ পাকিস্তানি হামলায় ২ ভারতীয় সেনাসহ নিহত ৩ ■ সম্রাট থেকে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা নিতেন মেনন
প্রসঙ্গ : ইহুদীবাদী ইসরাইলের হুংকার এবং ওআইসি
হাসান আল বান্না :
Published : Tuesday, 17 September, 2019 at 7:32 PM

এক: আজ ১৭ সেপ্টেম্বর ইহুদীবাদী ইসরাইলে সাধারণ নির্বাচন। সেই নির্বাচনকে ঘিরে ইসরাইলের বর্তমান নেতা নেতানিয়াহু ঘোষণা দিয়েছেন, পুনরায় নির্বাচিত হলে তার দল জর্ডান উপাত্যকা দখল করবে। যা জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক আইন বিরোধী ঘোষণা। আমি নেতানিয়াহুকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী না বলে নেতা বললাম এ কারণে যে, আমি ইসরাইলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেইনা। কারণ বর্তমান ইসরাইল কোনভাবেই ইহুদিদের বসতি ছিল না। এটা ছিল সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবীর সাম্রাজ্য। পরবর্তীতে মুসলমানদের শেষ খেলাফত তুরষ্কে অটোমান সাম্রাজ্যের আওতায় ছিল ইসরাইল।  কিন্তু প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের পর যখন প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সাম্রাজ্যের শাসনকারী অটোমান সাম্রাজ্যের পতন হয় তখন বর্তমান ইসরায়েল বৃটিশ শাসিত অঞ্চলে পরিণত হয়। বৃটিশদের ষড়যন্ত্রে ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিন দ্বিখণ্ডিত করে ইসরাইল নামক অবৈধ রাষ্ট্রের জন্ম দেয়। বৃটিশরা সাদা চামড়ার মানুষ হলেও এদের কূটনামি অত্যন্ত কালো ও নির্মম। বৃটিশরা এশিয়া থেকে বিতাড়িত হওয়ার পূর্বে তিনটি সমস্যা রেখে যায়। যার ওপর ভিত্তি করে পুরো এশিয়া সবসময়ই যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে।

প্রথমত. মধ্যেপ্রাচ্যে ফিলিস্তিন ভাগ করে অবৈধ ইসরায়েল নামক রাষ্ট্র গঠন করে যা পুরো মধ্যে প্রাচ্যের বিষফোড়া হয়ে শতাব্দীর পর শতাব্দী জ্বলতে থাকবে।
দ্বিতীয়ত.  ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তরেখায় আরেক অমীমাংসিত অঞ্চল রেখে যায় যার নাম কাশ্মীর।
তৃতীয়ত.  আরাকান স্বাধীন না করে মিয়ানমারের সাথে নিজ ভূমিতে পরবাসী করে রাখা যার সূত্র ধরে দক্ষিণ এশিয়ার নির্মম কালো কূটনৈতিক ট্রামকার্ড ব্যবহার করা যাবে।
এখন উদ্দেশ্য হলো,  বৃটিশরা এটা কেন করলো?  
এর কারণ দুটি :
প্রথমত :  এশিয়া থেকে বৃটিশদের পরাজয় হয়েছিল মুসলমানদের স্বাধীনতা আন্দোলনের মাধ্যমে সেই ক্ষত পুষিয়ে নিতে।
দ্বিতীয়ত : এশিয়া বিভাজনের মোড়লগীরি করতে।
যদিও তাদের সকল উদ্দেশ্য ষোল কলার অনেকাংশেই অপূর্ণ রয়ে গেছে। নিজেরাই এখন পৃথিবীতে দ্বন্তহীন বাঘে পরিণত। সর্বশেষ বেক্সিটের মাধ্যেমে পৃথিবী শাসনকারী সাদা চামড়া বৃটিশদের পৃথিবী বিচ্ছিন্ন এক এতিম হিসেবেই দেখতে পাবো যার কাজ হবে কেবল ইসরায়েল ও আমেরিকার পা চাটা গোলামী।  
যা হোক, অবৈধ ইসরাইল নেতা নেতানিয়াহুর জর্ডান উপাত্যকা দখলের ঘোষণা বিশ্ব ভূরাজনীতিতে ভিন্ন মোড় নিবে। তার এ ঘোষণার পর পরেই সৌদি বাদশাহ সালমান আগামী ১৫ তারিখ জরুরি ভিত্তিতে ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলন ডেকেছেন। তার এই ডাক যদি কসমেটিক হয় তবে ইসরায়েলের জনগণ নেতানিয়াহুর শক্তিমত্তা দেখে ১৭ তারিখ নির্বাচনে তাকেই পুনরায় নির্বাচিত করবে।  যেমনটা দেখেছি ভারতে গত সাধারণ নির্বাচনের পূর্বে নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে পাকিস্তানে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে ভারতের জনগণ মোদীর সক্ষমতা ভেবে তাকেই ভোট দিয়েছে এই মর্মে যে, ভারতীয় নাগরিক ভেবেছে, পাকিস্তান বা তাদের যে কোন শক্তিশালী বিরোধী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মোদীর কোন বিকল্প নেই। যদিও চীন সীমান্তে ভারত সম্পূর্ণ ভেজা বিড়াল।  
একই বার্তা দিতে ভারতের নরেন্দ্র মোদীর বন্ধু ইসরায়েল নেতা নেতানিয়াহু অবলম্বন করেছেন নতুন মুসলিম এলাকা দখলের হুংকার।  
আর বাদশাহ সালমানের ওআইসি সম্মেলন যদি অর্থবহ ও তাৎপর্য পূর্ণ হয় তবে বিশ্বে ভূরাজনৈতিক নতুন মেরুকরণ ঘটবে। সন্ত্রাসী ও দখলদার বাহিনী ইসরায়েল বিরোধী নতুন আওয়াজ উঠবে। মুসলিম বিশ্ব ঐক্যবদ্ধ হবে যা ফিলিস্তিনের রাষ্ট্র গঠনের ঐতিহাসিক সূচনা করবে।  

দুই: অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশান (Organization of the Islamic Cooperation) ওআইসি একটি আন্তর্জাতিক ইসলামী সংস্থা। ১৯৬৭ সালের ছয়দিনের যুদ্ধের পর ১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট ইসরাইল জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদুল আকসায় অগ্নিসংযোগ করে। এর ফলে সমগ্র মুসলিম বিশ্বে প্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ায় ২৫ আগস্ট ১৪ টি আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীগণ মিশরের রাজধানী কায়রোতে এক বৈঠকে মিলিত হয়। ওই বছরের ২২-২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাবাতে ২৫ টি মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ২৫ টি মুসলিম রাষ্ট্রের প্রতিনিধিগণের সিদ্ধান্তক্রমে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কনফারেন্স নামে এই প্রতিষ্ঠানটি আত্মপ্রকাশ করে। মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর পশ্চিম আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, এবং ভারতীয় উপমহাদেশের ৫৭টি ইসলামী রাষ্ট্র নিয়ে এই সংস্থা গঠিত। এই সংস্থা মূলতঃ মুসলমানদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করে থাকে। ওআইসি জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধিত্বমূলক সংস্থা। ওআইসির একটি জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি দল রয়েছে, এবং বলতে গেলে জাতিসংঘের বাইরে বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সংগঠন। এককথায় বলা যায় ওআইসি মুসলিম বিশ্বের সম্মিলিত কন্ঠস্বর।

ওআইসির নীতিগত অবস্থান তিনটি বিষয়ে:

প্রথমই হচ্ছে ফিলিস্তিন। দ্বিতীয়ত, রাসুল (সা.) কে নিয়ে সকল কটূক্তির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান। এরপর কাশ্মীর। মূলত ফিলিস্তিন প্রেক্ষাপটে ওআইসি গঠিত হলেও আজ পর্যন্ত ফিলিস্তিনের কোন সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। গঠন হওয়ার পর থেকে মুসলিম রাষ্ট্র সমূহের নিরাপত্তা ও মুসলিম রাষ্ট্র সমূহের আভ্যন্তরীণ সংকট নিরসনের চেষ্টা ছিল একটি রুটিন ওয়ার্ক কর্মসূচী। ইরাক-ইরান যুদ্ধ থামানো ব্যতীত আর কোন মুসলিম বিশ্বের সংকট নিরসন করতে পারেনি ওআইসি।
আজ মুসলিম বিশ্ব জ্বলছে। ফিলিস্তিন, কাশ্মীর ও আরাকানের রোহিঙ্গা ব্যতীতও ইরাক, সিরিয়া,  ইয়ামেন ও লিবিয়া যুদ্ধের কোনোই সমাধান করতে পারেনি। তারপরও যেহেতু ইসরায়েল নেতা নেতানিয়াহুর বক্তব্যর বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বের দুই নেতা সৌদি বাদশাহ সালমান ও তুরষ্ক প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে তাতে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে ইচ্ছে করে। গত তিন বছর আগে সৌদি নেতৃত্বে Islamic military aliens ( IMA)  গঠিত হয়। সেখানে বিশ্বের ৫২ টি মুসলিম রাষ্ট্রের সামরিক প্রতিনিধি সমন্বয়ে গঠিত হয় বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক জোট। বাংলাদেশ, পাকিস্তান মিশর ও তুরষ্কের অংশগ্রহণ রয়েছে এতে। যে জোটে রয়েছে পাকিস্তানের মতো পারমাণবিক অস্ত্র সমৃদ্ধ দেশ ও তুরষ্কের মতে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্র। সৌদি যদি এই জোটের সমন্বয়ে ইসরাইলকে হুংকার দেয় তবে ইসরাইল পৃথিবীর মানচিত্র থেকে নিশ্চিহ্ন হতে ২ দিন লাগবেনা। প্রয়োজন শুধু মুসলিম রাষ্ট্র সমূহের ঐক্যবদ্ধ হওয়া।
তিন: মধ্যপ্রাচ্য,  কাশ্মীর ও আরাকান সহ এশিয়ার সংকট আজ সিকি শতাব্দী বাদ দিলে প্রায় শতাব্দী ধরে। যে সংকটের বীজ বপন করে দিয়েছিল বৃটিশ বেনিয়ারা। এশিয়ার এই অঞ্চলের কোনপ্রকার মীমাংসা ব্যতীরেকেই জাতিসংঘের যাত্রা ছিল এই সংকটের ভিত্তিপ্রস্তরস্থাপন। এরপর গত সিকি শতাব্দী ধরে ইসরায়েলের পরিকল্পনায় বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদের মোড়ল আমেরিকা তাদের সাম্রাজ্য বিস্তার এবং অস্ত্র ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে একের পর এক মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্র সমূহ ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে।  কখনও নিজস্ব মোড়গে। আবার কখনও ভিন্ন মোড়গে। ইসরায়েল উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএস জন্ম দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে। মুসলমানদের দিয়ে মুসলমান মারছে প্রতিনিয়ত। মধ্যপ্রাচ্যে ধ্বংসযজ্ঞের ফলে সীমানা পরিবর্তন হচ্ছে।  গ্রীক সভ্যতার পর জ্ঞান, বিজ্ঞান,  শিল্পকলা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ নগরীর নাম হচ্ছে ইস্তাম্বুল,  বাগদাদ, আলেপ্পো, দামেস্ক। আজ সেই বাগদাদ, আলেপ্পো, দামেস্ক মৃত্যু নগরী রূপান্তরিত হয়েছে আমেরিকা - ইসরায়েলের সাম্রাজ্যবাদীর আগ্রাসনে।

আমাকে যদি প্রশ্ন করা হয়, বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া যায় কিভাবে?  একেবারে সোজাসাপটা উত্তর ও একমাত্র সমাধান হচ্ছে আন্তর্জাতিক বিনিময় মাধ্যমকে ডলারের বর্জন করা।

সারা পৃথিবী তৈল, স্বর্ণ, পোশাক, খাদ্য উৎপাদন করে আর আমেরিকা ঘরে বসে কাগজ প্রিন্ট করে ডলার উৎপাদন করে। গোটা পৃথিবীর অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করে আমেরিকা শুধুমাত্র কাগজ প্রিন্ট করে ডলার উৎপাদনের মাধ্যমে আর ইসরায়েল তা নিয়ন্ত্রণ করে ফেডারেল ব্যাংকের মাধ্যমে। ফলে বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদ তাদের অর্থনীতি সক্ষমতা রকেটের মত বৃদ্ধি করে সারাবিশ্বেই তাদের আধিপত্য বিস্তার করে। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে বিশ্ব নেতারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের নিজস্ব মূদ্রায় ব্যবসা অথবা আন্তর্জাতিক বিনিময় মাধ্যম হিসেবে স্বর্ণের ক্যারট ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

চার. নিজেকে নিয়ে ভাবতেই ইচ্ছে করেনা যখন দেখি বিশ্ব মজলুম মানবতার আর্তনাদে আকাশ বাতাস প্রকম্পিত। নিজের মত করে একমুহূর্তও হারিয়ে যেতে ইচ্ছে হয়না যখন দেখি কালো শকুনের দল আমার দেশের স্বাধীনতার অর্জন বৃথা করে দিচ্ছে।

প্রিয়তমাকেও ভূলে যেতে ইচ্ছে করে যখন দেখি আমার পূর্বসূরীদের রক্তে গড়া দেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের ক্রিরণক হয় প্রিয়া সাহা। নিজেকে পুরুষ ভাবতে কষ্ট হয় যখন দেখি কিছু নেকড়ে কাপুরুষ কর্তৃক আমার দেশ ধর্ষণের জনপদে পরিণত। আমাকে আপনাকে আবার নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সকল অপশক্তির বিষদাঁত উপরে ফেলে নতুন শক্তিশালী রাষ্ট্র বাংলাদেশ গড়ার পাশাপাশি বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদ হটাতে বাংলাদেশকে বিশ্বে নেতৃত্বের সুউচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত করার। হয়তবা কয়েক প্রজন্ম শেষ হয়ে যাবে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কিন্তু বেলা শেষে ঠিকই পৃথিবীতে নতুন সোনালী অধ্যায়ের সূচনা হবে।

লেখক : কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক   

দেশসংবাদ/এসআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  প্রসঙ্গ : ইহুদীবাদী ইসরাইলের হুংকার এবং ওআইসি  



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft