ঢাকা, বাংলাদেশ || বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯ || ১ কার্তিক ১৪২৬
শিরোনাম: ■ বালিশকাণ্ডে গণপূর্তের ১৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত ■ ফেনীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩৭ মামলার আসামি নিহত ■ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ভারতের সাথে বাংলাদেশের ড্র ■ ডিসেম্বরে বহুল প্রত্যাশিত ই-পাসপোর্ট উদ্বোধন ■ সম্রাট মারা গেলে দায় নেবে কে? ■ আবরার হত্যাকাণ্ডে কূটনীতিকদের বিবৃতি ‘অহেতুক’ ■ মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ■ আন্দোলনের সমাপ্তি টানল বুয়েটের শিক্ষার্থীরা ■ থমথমে বুয়েট, আন্দোলন নিয়ে সিদ্ধান্ত বিকাল ৫ টায় ■ মিয়ানমারকে ৫০ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা হস্তান্তর ■ ১০ দিনের রিমান্ডে সম্রাট ■ মানবতাবিরোধী অপরাধে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড
মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতির একাল-সেকাল!
মোঃ শাহ জালাল
Published : Thursday, 3 October, 2019 at 4:12 PM, Update: 03.10.2019 4:14:58 PM

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে মধ্যপ্রাচ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থ বহন করে। যাকে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়ত আবর্তিত হয় বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চ। বর্তমানে বিশ্বরাজনীতির প্রাণকেন্দ্র হলো এই মধ্যপ্রাচ্য। বলাবাহুল্য তা অতীতেও বিরাজমান ছিল কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি তথা অবস্থার সাপেক্ষে তা নেহায়েত কম প্রভাবই ফেলত আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে।

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতির অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক অবস্থার দৃশ্যপট অনুধাবন কিম্বা ‘রাজনৈতিক অস্তিরতার’ চিন্তার ভাজঁ খুলা এবং সহজে এই সমস্যা উদ্ধার করার জন্য শুধুমাত্র এর ভৌগলিক সীমারেখার মধ্যে অবস্থানরত দেশগুলিতে সীমাবদ্ধ থাকলে এর মূল উদঘাটন সম্ভবপর নয়,দরকার আন্তর্জাতিক মানদন্ডে রাজনৈতিক অনুসন্ধান।

যখনই আমরা মধ্যপ্রাচ্যের অতীত,বর্তমান তথা সমসাময়ীক ইস্যু এবং ঘটনাবলী ব্যাখ্যা করতে চাই তখন আমাদের অবশ্যই রাশিয়া,দক্ষিন এশিয়া বিশেষ করে ইসরায়েল, আমেরিকা,ইউরোপ অর্থ্যাৎ পশ্চিমা বিশ্বের সংশ্লিষ্টতা অন্তর্ভূক্তিকরণ এবং মধ্যপ্রাচ্যের অধ্যুষিত অঞ্চলে তাদের প্রভাবকে আমলে নিতে হয়।

যে সংশ্লিষ্টতা এবং প্রভাব মিডলইস্টের রাজনীতির গতিপথ কখনও সরল (স্বার্থকেন্দ্রিক) কখনওবা জটিল থেকে জটিলতর করে ফেলছে যার ফলশ্রুতিতে অধ্যুষিত এই অঞ্চলে প্রতিনিয়ত ক্রমান্বয়ে অস্থিরতা,অস্থিতিশীলতা,সহিংসতা এমনকি নিজেদের মধ্যে সম্পর্কের এক ধরনের ধূম্রজাল তৈরী করছে। ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত,সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ, ইয়েমেনে ভয়াবহ অবস্থা,সৌদি- ইরানের প্রক্সি যুদ্ধ, তুর্কি-কুর্দির পারস্পরিক বিপরীতার্থক সম্পর্ক সহ সৌদি- ইরানের বৈরি সম্পর্ক কে কেন্দ্র করে মিডল ইস্টের অন্যান্য দেশের মধ্যেও যে সংঘাত উত্থিত হচ্ছে তাই এর বহিঃপ্রকাশ।

বস্তুত আমেরিকা ও ইসরায়েলকে ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের সমস্যার কথা ভাবলে কার্যত কিছুই ফল পাওয়া যাবেনা।সম্প্রতি গত ১৪ ই সেপ্টেম্বরের ঘটনা সৌদি,যুক্তরাষ্ট্র,ইসরায়েল এর সাথে ইরানের যে বৈরী সম্পর্ক বিদ্যমান তা আরও কিছুটা উত্তপ্ত করেছে। মূলত ঐদিন ড্রোনের মাধ্যমে সৌদি আরবের দুটি তেল শোধনাগারে আক্রমণ চালানো হয়। অবশ্য ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা তারা যে ড্রোন দিয়ে তেল শোধনাগারে আক্রমণ চালিয়েছিল এর দায় স্বীকার করে নেয় এবং ভবিষ্যতে এর ভয়াবহতা আরও বেশি হবে বলে স্রেফ জানিয়ে দেয়।

কিন্তু সৌদি তথা তার দুই বন্ধুসুলভ দেশের (আমেরিকা এবং ইসরায়েল) রাজনৈতিক দূরভিসন্ধি আরও গভীরে। বস্তুত তারা অভিযোগের তীর ছুড়ছে ইরানের দিকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও স্পষ্ট করে বলেছেন ড্রোন দিয়ে সৌদিতে আক্রমণ করার মত অদম্য সাহস ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের নেই এমনকি প্রযুক্তিগতভাবেও তারা অতটা উন্নত নয়।ফলে অভিযোগের তীরটা ইরানের দিকেই, অবশ্য বরাবরের মতোই ইরান তা নাকচ করে দিচ্ছে।

এই হলো মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি যাতে জল ঘোলা করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে যুক্তরাষ্ট্র এমনকি চিরাচরিত মধ্যপ্রাচ্য সংকটের খলনায়ক ইসরায়েল। পশ্চিমারা বিশেষ করে আমেরিকা সবসময়ই মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নাক গলাবে তাদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য।

আমার স্মৃতি যদি আমার সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা না করে তাহলে যতটুকু মনে পরে ২০১৬ সালের নির্বাচনে জয় লাভ করার কিছুদিন পরই ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরবে রাষ্ট্রীয় সফর করেন যা তার ক্ষমতা লাভের পর প্রথম সফর ছিল। ফলে বুঝা যাচ্ছে আমেরিকানদের কাছে সৌদি কিম্বা মধ্যপ্রাচ্য কতোটা গুরুত্বপূর্ণ এমনকি তাদের পররাষ্ট্রনীতি এবং কূটনৈতিক সম্পর্কগুলি সেরকমভাবেই সাজানো।

বর্তমান সৌদি আরবের দিকে পশ্চিমাদের সুনজরের  নেপথ্যের কারন তার উল্লেখযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদ (তেলের রাজনীতি) সহ সৌদিআরবের বিরোধী দলগুলির সাথে আমেরিকারও বিপরীতার্থক সম্পর্ক।

অন্যদিকে সৌদি আরব আমেরিকার সাথে মাখামাখি সম্পর্ক অনঢ় রেখেছে অনেকটা ইরান বিরোধিতার কারনে। যেটাকে সৌদি-ইরান প্রক্সি যুদ্ধ বলা হয় অর্থ্যাৎ পরোক্ষ যুদ্ধ। যদিও অন্যান্য আরও ফ্যাক্টর প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে।

অপরদিকে ইরান-আমেরিকার সংঘাতের কারন হলো ইরানের সাথে আমেরিকার যে পারমানবিক চুক্তি হয়েছিল তা থেকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয় ২০১৭ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর। সেই থেকেই ইরান- আমেরিকার সংঘাত শুরু।

কথায় আছে না ‘শত্রুর শত্রু নাকি বন্ধ’। তাই আমেরিকা এবং সৌদি আরব উভয়ের মধ্যে সম্পর্কটা অনেকটা সেরকমই। সৌদি,আমেরিকা এবং ইসরায়েল তারা বর্তমান বিশ্বে শক্তিশালী এক জোট হিসেবে শক্ত অবস্থান নিয়েছে।

কিন্তু ইরান,সৌদি এবং আমেরিকার মধ্যকার সম্পর্কের জটিলতা এবং সংঘাত নতুন কিছু নয়। অতীতেই এই সংঘাতের অঙ্কুরোদগম হয়েছিল সেই ৬০ এর দশকে।যদিও এক সময় এই তিন রাষ্ট্র মিত্র দেশ হিসেবে পরস্পরের প্রতি পরস্পরের একটা সহঅবস্থান ছিল। সময়ের পরিক্রমায় আমেরিকার স্বার্থে এবং সৌদি আরবের কিছুটা আধিপত্যের দাপট পরস্পরত্রয়ের মধ্যে সংঘাতের বীজ জন্ম দেয় যা এখন গাছ হয়ে ক্রমান্বয়ে শাখা প্রশাখা গজিয়েছে।

ষাটের দশক অর্থ্যাৎ ১৯৫৩ সালে রেজা শাহ পাহলভি যখন ইরানের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ক্ষমতায় আসে(যা হয়েছিল অনেকটা আমেরিকার হস্তক্ষেপ এবং তাদের নিজেরদের স্বার্থে) তখন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের বেশ সখ্যতা ছিল। কারন ইরানের তেলের রাজনীতি আমেরিকা ও ইউরোপের আনুকূল্যে ছিল।

বিশেষ করে শাহ সরকার ছিল ধর্মনিরপেক্ষ(সেকুলারিজম) এবং কমিউনিস্টবিরোধী।ষাটের দশকে তখন আমেরিকা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের( কমিউনিস্ট রাষ্ট্র) মধ্যে 'কোল্ড ওয়ার' চলছিল।ফলে আমেরিকার রাজনৈতিক ভাবাদর্শের সাথে ইরানের আদর্শ মিলে যায়। ঐ সময়ে সৌদি আরবের সাথেও ইরানের কূটনৈতিক সম্পর্ক বেশ ভাল ছিল।

সৌদি ঐতিহাসিক ভাবেই নিজেদেরকে মুসলিম বিশ্বের মোড়ল হিসেবে ভেবে আসছে। কিন্তু যখনই নানান পথ পাড়ি দিয়ে ইরানে ১৯৭৯ সালে আয়াতুল্লাহ আল খোমেনীর নেতৃত্বে ইসলামিক বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে ইসলামিক গনতন্ত্র কায়েম হলো তখনই সৌদি আরবের মোড়লপনায় এবং আধিপত্যে কিছুটা খাদ দেখা দিলো।

সৌদি যে মুসলমান রাষ্ট্র হিসেবে নিজেকে মোড়ল হিসেবে ভাবতো সেই জায়গায় মুসলিম বিশ্বে ভাগ বসালো ইরান। এমনকি ইরানের সরকারেরর মধ্য পশ্চিমাবিমুখী মনোভাব গড়ে ওঠল। ফলে সম্পর্কের অবনতি ঘটে ইরানের সহিত সৌদি আরব এবং যুক্তরাষ্ট্রের। পরে সৌদি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও বেশি জোরালো হয় যা এখনও চলমান।

যার লাভবান হচ্ছে মুসলিম বিশ্বের জন্য কার্বন মনোক্সাইডের মতো নীরব ঘাতক ইসরায়েল।আরবদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলমান রাখার কুটচালের নেপথ্যে যে দেশটি নীরব ভূমিকা পালন করছে তা হলো আন্তর্জাতিক রাজনীতির গডফাদার ইসরায়েল।

মধ্যপ্রাচ্যের এই  অঞ্চলটির উত্তপ্ত এবং অস্থিতিশীল হওয়ার প্রধান কারনই হচ্ছে প্যালেস্টাইনে ইসরায়েলের আগ্রাসন। অবশ্য ব্রিটেন বেলফোর ঘোষণার মধ্য দিয়ে ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্টা করে।একসময় ইহুদিদের কোনো ভূখন্ড ছিলনা।পুরো ইউরোপ তথা বিশ্বব্যাপী তারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল।এখন যাদের ভূখন্ডে (ফিলিস্তিন) ইসরায়েলের বসবাস তাদের ওপরই চড়াও হয়ে ওঠেছে যা অনেকটা ‘উইড়া আইসা জুইড়া বসবার মতো’।

অন্যদিকে সিরিয়ায় সেই ২০১১ থেকে বাসার আল আসাদের সেনাবাহিনী এবং সেখানকার বিদ্রোহীদের মধ্যকার গৃহযুদ্ধ চলছেই যার ফল অনেক বেশি ভয়াবহ।এখানেও পশ্চিমাদের উসকানির প্রভাব লক্ষণীয়। সিরিয়া বর্তমানে এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

সেখানকার প্রতিনিয়ত শিশুদের হাহাকার এবং আর্তনাদ বিশ্ব বিবেককে কাঁদিয়ে তুলছে। মূলত আরব বসন্তের মধ্য দিয়েই গনতন্ত্রের দাবিতে স্বৈরশ্বাসক আসাদকে উৎখাত করতে গিয়ে সিরিয়া গৃহযুদ্ধের শরু। কিন্তু বিষয়টা সিরিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনা। এর প্রভাব ছড়িয়ে পরে বিশ্বব্যাপী এবং সম্পর্কের মেরুকরণ ঘটে বিশ্ব মোড়লদের মধ্যেও।যে আন্দোলনের মাধ্যমে  স্বৈরশাসকদের পতন ঘটিয়ে আরব বিশ্বে গনতন্ত্র তথা সুস্থ এবং স্বাভাবিক অবস্থা সৃষ্টি করার জন্য আরব বসন্ত হয়েছিল তার ফল মিষ্টি হলো না টক হলো সে প্রশ্ন থেকেই যায়!

আরব বসন্তে পক্ষ- বিপক্ষ নিয়ে শুরু হয় আন্তর্জাতিক জটিলতা এবং দ্বন্দ্ব।আমেরিকা, সৌদি, ইসরায়েল সহ ইউরোপের রাষ্ট্র গুলি নেয় বিদ্রোহীদের পক্ষে অর্থ্যাৎ আসাদের বিপক্ষে এবং রাশিয়া,তুরস্ক,ইরান এবং লেবাননের হিজবুল্লাহ সংঘঠন নেয় আসাদের পক্ষ।ফলে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন এক অরাজকতার সৃষ্টি হয় যা এখনও বহমান। তবে তখনকার সময়ের যে ঘটনা বিশ্বকে বিস্ময় এবং আঁতকে দিয়েছিল তা হলো সিরিয়ায় ইসলামি খেলাফত প্রতিষ্টা করার উদ্দেশ্যে আইএস এর উত্থান যা বিশ্বকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছিল।যদিও বলা চলে সিরিয়ার বাগুজে হামলার মধ্য দিয়ে আইএসের পতন ঘটেছে তবে এর ভয়াবহতা এখনও বিদ্যমান এবং ভবিষ্যতেও বিশ্ব দরবারে হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর আলী রীয়াজ স্যার এক গবেষণায় দেখিয়েছেন বেশ কিছু কারনে মানুষ আইএসে যোগদান করেছিল,তার অন্যতম এবং প্রধান কারন হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি ও পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের অসন্তোষ।এছাড়াও অনেক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর জন্ম হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটকে কেন্দ্র করে।

তাছাড়া সৌদি আরবের সাথে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের এবং কাতারের দ্বন্দ্ব,তুর্কি - কুর্দি দ্বন্দ্ব অঞ্চলটির রাজনীতিকে প্রতিনিয়ত উত্তপ্ত করে তুলছে।যার ফায়দা লুটছে পশ্চিমা বিশ্ব তথা ইসরায়েল। ইরাক,সিরিয়া এবং প্যালেস্টাইনকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে বর্তমানে শক্তভাবে অবস্থানরত পারমানবিক শক্তিধর রাষ্ট্র ইরানকে দুর্বল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে আমেরিকা এবং ইসরায়েল যাদের হাতে প্রধান হাতিয়ার কিম্বা অস্ত্র হলো সৌদিআরব।

আমেরিকা, ইসরায়েল তথা ইউরোপসহ পশ্চিমা বিশ্ব সবসময়ই মধ্যপ্রাচ্যের কোন পলিসি তাদের বিপক্ষে গেলেই ( সেটা নীতির পক্ষে হলেও) জল ঘোলা করার জন্য বিভিন্ন পায়তারা আরম্ভ করে দেয় অঞ্চলটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে। যার ফল আরব - ইসরায়েল সংকট,ইরাক-ইরান যুদ্ধ,আরব বসন্ত, সৌদি-ইরান এবং হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যকার বিদ্যমান সমস্যা।

যদিও এক্ষত্রে আরব দেশগুলির ওপরও এর দায় অনেকখানি বর্তায়। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীলতা এবং ধূম্রজাল বিশ্বে নেতিবাচক ফলাফল বয়ে নিয়ে আসতে পারে অধ্যুষিত এই অঞ্চলটিতে আইএসের মতো করে ভিন্ন কোন সংঘঠন কিম্বা বিদ্রোহীদের উত্থানের মধ্য দিয়ে। বস্তুত তাই মধ্যপ্রাচ্যের এই রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সংকট দূরীভূত করার জন্য দরকার অধ্যুষিত এই অঞ্চলের দেশ সমূহের মধ্যে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ অবস্থান।

লেখক,
মোঃ শাহ জালাল
শিক্ষার্থীঃ চতুর্থ বর্ষ
ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগ
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/এনকে


আরও সংবাদ   বিষয়:  মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতির একাল-সেকাল  



মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft