ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ || ৫ কার্তিক ১৪২৬
শিরোনাম: ■ বক্তব্যের জন্য মেননকে ধন্যবাদ ড. কামালের ■ ফারুক-মারুফ-শাওন-দিপু ছাড়াই বৈঠকে যুবলীগ ■ ভোট নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন মেনন ■ মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত ৫ (ভিডিও) ■ ভারত-পাকিস্তানে ব্যাপক পাল্টাপাল্টি হামলা, নিহত ১৬ ■ ভোলায় পুলিশ-জনতা ব্যাপক সংঘর্ষ, নিহত ৪ ■ বাংলাদেশের নির্মিত মোবাইল সারা বিশ্বে ব্যবহার হবে ■ মন্ত্রী হলে কি মেনন এ কথা বলতেন, প্রশ্ন কাদেরের ■ প্রতি টেন্ডারে ৫ পার্সেন্ট কমিশন নিতেন মেনন ■ আবারও আটকে গেল ব্রেক্সিট চুক্তি, বেকায়দায় জনসন ■ পাকিস্তানি হামলায় ২ ভারতীয় সেনাসহ নিহত ৩ ■ সম্রাট থেকে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা নিতেন মেনন
প্রেমিককে বিয়ের জন্য স্বামীর পরিবারের ৬ জনকে খুন!
দেশসংবাদ ডেস্ক
Published : Monday, 7 October, 2019 at 10:51 AM, Update: 07.10.2019 11:01:10 AM

১৪ বছরে এক পরিবারের ছয়জন বিভিন্ন সময় খুন হয়েছেন। তাদের প্রত্যেকের খুন হওয়ার ধরন প্রায় একই; যা অনেকের মধ্যে সন্দেহ তৈরি করে। এক পরিবারের এই ৬ সদস্য খুন হন ২০০২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত। প্রত্যেকটি হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও কোনো কূল-কিনারা করতে পারেনি। অবশেষ দীর্ঘ তদন্তের পর এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

নির্মম এই হত্যার ঘটনা ঘটেছে ভারতের কেরালা প্রদেশের কোঝিকোদ জেলার কুদাথাই গ্রামে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম স্ক্রল ইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের একজন জলি থমাস, তার দ্বিতীয় স্বামী এমএস শাজি ও তার বন্ধু প্রাজু কুমার।

জলি থমাস তার স্বামীর পরিবারের সদস্যদের বিষ প্রয়োগে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে স্বীকার করেছেন। এই পরিকল্পনা হাতে নেয়ার কিছুদিন পর স্বামী রয় থমাসকে খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে হত্যা করেন। ওই সময় জলি তার স্বামী রয় থমাসের বোন রঞ্জুকেও হত্যার চেষ্টা করেন।

পুলিশ বলছে, খাবারে বিষ মিশিয়ে ওই ছয়জনকে হত্যা করা হয়। ২০০২ সালে সেপ্টেম্বরে ওই পরিবারের অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক আন্নাম্মা প্রথমে খুন হন। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে খুন হন জলি থমাসের স্বামী রয় থমাস ও পরিবারের অপর সদস্য রাজ্যের শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা টমস থমাস। এর তিন বছর পর ২০১১ সালের অক্টোবরে খুন হন তাদের ছেলে।

এই ছেলের মৃত্যুর পর তার এক আত্মীয় সন্দেহ পোষণ করেন। পরে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বিষ প্রয়োগে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানানো হয়। কিন্তু পুলিশ এই ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ধরে তদন্ত এগিয়ে নেয়নি।

২০১৪ সালের এপ্রিলে রয়ের মামা এমএম ম্যাথিউ খুন হন। একই বছরের মে মাসে এমএম ম্যাথিউয়ের এক বছর বয়সী মেয়ে আলফাইন হঠাৎ মারা যান। ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে খুন হন আলফাইনের মা ও শাজির প্রথম স্ত্রী সিলি। এর এক বছর পর জলি থমাস বিয়ে করেন আলফাইনের বাবা শাজিকে।

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত রয় থমাসের ছোট ভাই রোজো এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একটি মামলা করার পর পুলিশ নড়েচড়ে বসে। পরে দীর্ঘ তদন্তের পর এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে শাজি ও তার স্ত্রী জলি থমাসকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার ময়নাতদন্তের জন্য রয় থমাস ছাড়া বাকি পাঁচজনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।


তদন্ত কর্মকর্তারা বলেছেন, পরকীয়া প্রেমিক শাজি ও তার বন্ধু প্রাজু কুমারের কাছ থেকে বিষ সংগ্রহ করেন জলি থমাস। কোঝিকোদের পুলিশ সুপার কেজি সিমন বলেছেন, আমরা দুটি বিষয় ধরে নিশ্চিত হয়েছি যে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জলি থমাস জড়িত। পরিবারের সম্পত্তি হাতিয়ে নিতে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষক হয়েছিলেন বলে মিথ্যা গল্প তৈরি করেছিলেন।

পারিবারিক এই হত্যাকাণ্ডে জলির সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হওয়ার জন্য পুলিশ যথাযথ তথ্য ও ফরেনসিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল সংগ্রহ করেছে। রাজ্যের এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, প্রাথমিক তদন্তে রয়ের স্ত্রী জলি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, এমন প্রমাণ পাওয়ার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য পাঁচ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে ব্যাপক পরিসরে তদন্ত চলমান রয়েছে। সূত্র : স্ক্রল ইন।

দেশসংবাদ/এনকে


আরও সংবাদ   বিষয়:  প্রেমিক   বিয়ের জন্য   স্বামী   খুন  



মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. আবদুস সবুর মিঞা (অব.)
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft