ঢাকা, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০ || ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ বাড়ি বাড়ি প্রশ্ন পাঠিয়ে প্রাথমিকের পরীক্ষার নেয়া হচ্ছে ■ এই ইনহেলার ফুসফুসে করোনা সংক্রমণ রুখে দিতে পারে ■ সেপটিক ট্যাংকে পড়ে মা-ছেলের মৃত্যু ■ ওয়াশিংটন ডিসি ধীরে ধীরে চালু হচ্ছে ■ পিসিআর ল্যাবের পরীক্ষায়ও ডা. জাফরুল্লাহর করোনা পজিটিভ ■ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধের হুমকি ■ আরও ২ ইউপি চেয়ারম্যান ও ৩ মেম্বার বরখাস্ত ■ ছুটি শেষ, ঝুঁকি নিয়েই ঢাকায় আসছে মানুষ ■ ৩১ মে থেকে লঞ্চ চলবে, বাড়বে ভাড়া ■ ১০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ একমাসের মধ্যে ■ মেয়েকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা বাবার! ■ ভারতে ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত ৬,৫৬৬, মৃত্যু ১৯৪
করোনায় পার্ল হারবারের ভয়াবহতা দেখবে যুক্তরাষ্ট্র
দেশসংবাদ ডেস্ক
Published : Tuesday, 7 April, 2020 at 12:58 AM, Update: 09.04.2020 9:04:37 PM
Zoom In Zoom Out Original Text

করোনায় পার্ল হারবারের ভয়াবহতা দেখবে যুক্তরাষ্ট্র

করোনায় পার্ল হারবারের ভয়াবহতা দেখবে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের সামনে কঠিন একটি সপ্তাহ অপেক্ষা করছে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন সার্জন জেনারেল জেরোমি অ্যাডামস। এনবিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে আমেরিকানদের জন্য আবারও ‘পার্ল হারবার’ ও ‘নাইন-ইলেভেন’র মতো ভয়ঙ্কর সময় আসতে পারে। লাফিয়ে বাড়তে পারে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা।

জেরোমি অ্যাডামস বলেন, করোনা মোকাবেলায় আমেরিকার জনগণের জন্য সপ্তাহটি হবে সবচেয়ে জটিল এবং দুঃখজনক। জীবনের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, মৃত্যু শুধু এক জায়গায় হবে এমন নয়, পুরো আমেরিকায় হবে। আগামী এক মাস যদি আমেরিকার জনগণ তাদের অংশের দায়িত্ব পালন করে তাহলে আমাদের সামনে আশা আছে এবং আমরা সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্তে আশার আলো দেখতে পাব।

করোনায় পার্ল হারবারের ভয়াবহতা দেখবে যুক্তরাষ্ট্র

করোনায় পার্ল হারবারের ভয়াবহতা দেখবে যুক্তরাষ্ট্র


এর আগে শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সতর্ক করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সামনে আরও কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। এই সপ্তাহ ও আগামী সপ্তাহের মধ্যবর্তী সময়টি সবচেয়ে কঠিন সময় হতে পারে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ সময়ে অনেক মানুষের মৃত্যু হতে পারে। ট্রাম্প বলেন, আমাদের সামনে এমন সময় আসছে যা খুব ভয়ংকর হতে পারে। আমরা কখনও এত বেশিসংখ্যক মৃত্যু দেখিনি। সম্ভবত প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কিংবা এ ধরনের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও নয়। যদিও রোববার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে আশার কথা শোনান ট্রাম্প, বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসের হটস্পটগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা কমে আসছে। শিগগিরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে। তিনি সুড়ঙ্গের শেষে উঁকি দেয়া আলোর ঝলক দেখতে পাচ্ছেন বলেও জানান।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। সেখানে এরই মধ্যে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব কমে এসেছে। ইতোমধ্যে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যায় সেই চীনকে ছাড়িয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ সময় সোমবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডওমিটারসের তথ্য অনুযায়ী- বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যায় শীর্ষে দেশটি। আমেরিকায় রোববার পর্যন্ত ১৬ লাখ মানুষের করোনা পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন তিন লাখ ৩৬ হাজার ৮৫১ জন, মারা গেছেন ৯ হাজার ৬২০ জন। শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১২০০ জনের। দেশটির নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের অবস্থাই সবচেয়ে ভয়াবহ। সেখানে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে সাড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষ, যা যুক্তরাষ্ট্রের মোট প্রাণহানির ৪০ ভাগেরও বেশি। লুইসিয়ানা অঙ্গরাজ্যেকেও করোনার হটস্পট বলা হচ্ছে, সেখানেও প্রায় ৫০০-এর মতো মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।

করোনায় পার্ল হারবারের ভয়াবহতা দেখবে যুক্তরাষ্ট্র

করোনায় পার্ল হারবারের ভয়াবহতা দেখবে যুক্তরাষ্ট্র


দেশটিতে এখনও কয়েক লাখ মানুষের ভাইরাস পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া যায়নি। আতঙ্ক ছড়িয়েছে হাসপাতালগুলোতেও। সাধারণ মানুষের একাংশ অভিযোগ করছেন, হাসপাতালে ভর্তি হয়েও নিরাপদ নন তারা। এ সম্পর্কে আমেরিকার ইমার্জেন্সি হেল্থ অফিসার ডক্টর রোজেনা স্মিথ বলেন, অনেকের ধারণা, যেসব হাসপাতালে করোনা রোগীর সংখ্যা বেশি সেখানেই ভাইরাসটি বেশি ছড়াচ্ছে। ফলে অন্য রোগীরাও করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন।

জানা গেছে, উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি পার্ল হারবারে জাপানি বাহিনী আক্রমণ করে ১৯৪১ সালের ২৬ নভেম্বর। নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে একের পর এক টর্পেডো নিক্ষিপ্ত হতে থাকে, সঙ্গে চলে প্রচণ্ড বোমা হামলা ও উপর্যুপরি মেশিনগানে গুলিবর্ষণ। ধ্বংস হতে থাকে একের পর এক যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমানসহ নানা সমরাস্ত্র। এই আক্রমণে প্রায় আড়াই হাজারের মতো মানুষের মৃত্যু হয়, আহত হয় আরও এক হাজারেরও বেশি মানুষ। অন্যদিকে ২০০৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বিধ্বংসী জঙ্গি হামলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মোট ৩০০০ নাগরিকের প্রাণ যায়।

দেশসংবাদ/জেএন/এফএইচ/mmh


আরও সংবাদ   বিষয়:  যুক্তরাষ্ট্র   করোনাভাইরাস  




আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা আপডেট
টিকা না আসা পর্যন্ত করোনাকে সঙ্গী করেই বাঁচতে হবে
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft
logo
up