ঢাকা, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২০ || ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ ইসরাইলি বাহিনীকে পশ্চিম তীর দখলে প্রস্তুতির নির্দেশ ■ অগ্নিগর্ভ যুক্তরাষ্ট্র, গুলিতে চোখ হারালেন নারি সাংবাদিক ■ করোনা উপসর্গে মৃত্যু বেশি, মৃত্যুর পর নমুনা ■ আইসিইউতে মোহাম্মদ নাসিম ■ স্বাস্থ্যসুরক্ষা শুধু বাসস্ট্যান্ডেই, চলছে অতিরিক্ত যাত্রী বহন ■ লোভ দেখিয়ে বিদেশ নেওয়া বন্ধ করতে হবে ■ করোনা আক্রান্ত মোহাম্মদ নাসিম ■ ডিপিএসসহ ব্যাংকে আমানতকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা ■ রাশিয়ায় লকডাউন শিথিলের দিন আক্রান্ত ৯ হাজার ■ কওমি মাদ্রাসার অফিস খোলার অনুমতি ■ বিক্ষোভ উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র, ৪০ শহরে কারফিউ ■ সীমিত আকারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার নির্দেশ
বাংলাদেশের যেসব ওষুধ করোনা চিকিৎসায় কার্যকর
দেশসংবাদ ডেস্ক
Published : Wednesday, 8 April, 2020 at 1:42 PM
Zoom In Zoom Out Original Text

বাংলাদেশের যেসব ওষুধ করোনা চিকিৎসায় কার্যকর

বাংলাদেশের যেসব ওষুধ করোনা চিকিৎসায় কার্যকর

করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো টিকা আবিষ্কার না হলেও কিছু ওষুধ নিয়ে বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন। আগে থেকে বাজারে প্রচলিত কিছু ওষুধের কার্যকারিতার সাথে করোনাভাইরাসের কিছুটা মিল থাকায় করোনাভাইরাস আক্রান্ত কয়েকটি দেশে সম্প্রতি কিছু ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছে। এ ওষুধগুলো করোনার রোগীদের সুস্থ করে তুলতে বেশ সহায়তা করেছে। এটা নিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিস্তারিত রিপোর্ট করেছে। কিছু ওষুধকে ইতোমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সাময়িকভাবে অনুমোদনও দিয়েছে। চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধের উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এসব ওষুধ ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম দেশ চীন এসব ওষুধ ইতোমধ্যে ব্যবহার করে ফল পেয়েছে। এসব ওষুধের বেশ কয়েকটি বাংলাদেশে বিভিন্ন রোগে ব্যবহার হয়ে আসছে। বাংলাদেশ ওষুধ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এসব ওষুধের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়েছে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন নামক একটি ওষুধ। ওষুধটি ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়ে আসছে এ পর্যন্ত। সারা বিশ্বেই ওষুধটির ব্যবহার হয়। এই ওষুধটি লোপাস নামক রোগের বিরুদ্ধেও ব্যবহার হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতর করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে গাইডলাইনের কিছু কিছু ক্ষেত্রে করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহার করতে বলেছে। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এসব ওষুধ ব্যবহার করতে হবে। কোনোভাবেই নিজে নিজে ওষুধগুলো ব্যবহার করা যাবে না। যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনও (ইউএসএফডিএ) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ করতে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের ব্যবহার অনুমোদন করেছে। চীন ও ফ্রান্সের ওষুধ উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণ সংস্থাও করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ওষুধটি ব্যবহার করেছে। ভারতের মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন করোনা আক্রান্ত রোগীদের পাশাপাশি যারা ক্রমাগত করোনা আক্রান্ত রোগীদের সংস্পর্শে আসছেন বা সেবা দিচ্ছেন, তাদের প্রতিরোধক হিসেবে ওষুধটি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে।

বাংলাদেশে ইনসেপ্টা ও ডেল্টা নামক দুইটি ওষুধ কোম্পানি হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন উৎপাদন করে থাকে। ইনসেপ্টা রিকোনিল নামে এবং ডেল্টা রিউমাফ্লেক্স নামে ওষুধটি বাজারজাত করে থাকে। এই দুইটি ওষুধ কোম্পানি হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন বিদেশেও রফতানি করে থাকে।

করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে আইভারমেকটিনের সম্ভাব্য ব্যবহার নিয়েও আশার আলো দেখাচ্ছে গবেষকরা। এটা ব্যবহার হয়ে থাকে উকুন নাশক হিসেবেও। সম্প্রতি অস্ট্র্রেলিয়ার মোনাস ইউনিভার্সিটির বায়োমেডিসিন ডিসকভারি ইনস্টিটিউটের একদল গবেষক তাদের ল্যাবরেটরির গবেষণায় দেখেছেন, আইভারমেকটিনের একটি মাত্র ডোজ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভাইরাসের আরএনএকে বাধা প্রদান করে। ফলে মানবদেহে ভাইরাসের বৃদ্ধি ঘটে না। তবে মোনাস ইউনিভার্সিটি করোনাভাইরাস চিকিৎসায় আইভারমেকটিনের অধিকতর গবেষণার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

আইভারমেকটিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনেস্ট্রেশন (ইউএসএফডিএ) অনুমোদিত একটি অ্যান্টি প্যারাসাইটিক ওষুধ। এটা অনেক দিন থেকে ফাইলেরিয়া ও স্ক্যাবিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বাংলাদেশে বেক্সিমকো ও ডেল্টা ফার্মা নামক দুইটি ওষুধ কোম্পানি এই ওষুধটি উৎপাদনের লাইসেন্স নিয়েছে। কিন্তু বর্তমানে শুধু ডেলটা ফার্মা ওষুধটি ‘স্ক্যাবো ৬’ নামে উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছে। বেক্সিমকো ওষুধটির অনুমোদন নিলেও কোম্পানিটি এ ওষুধটি উৎপাদনে যায়নি। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আইভারমেকটিনের ব্যবহার অনুমোদিত নয়।

এসব ওষুধ ছাড়াও এজিথ্রোমাইসিন নামক একটি অ্যান্টিবায়োটিক করোনা চিকিৎসায় বেশ কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন এই অ্যান্টিবায়োটিকের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়ার জন্য ওষুধ কোম্পানিগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ওষুধ প্রশাসনের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান। তথ্য জানা গেছে।

এসব ওষুধের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়েছে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন নামক একটি ওষুধ। ওষুধটি ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়ে আসছে এ পর্যন্ত। সারা বিশ্বেই ওষুধটির ব্যবহার হয়। এই ওষুধটি লোপাস নামক রোগের বিরুদ্ধেও ব্যবহার হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতর করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে গাইডলাইনের কিছু কিছু ক্ষেত্রে করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহার করতে বলেছে। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এসব ওষুধ ব্যবহার করতে হবে। কোনোভাবেই নিজে নিজে ওষুধগুলো ব্যবহার করা যাবে না। যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনও (ইউএসএফডিএ) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ করতে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের ব্যবহার অনুমোদন করেছে। চীন ও ফ্রান্সের ওষুধ উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণ সংস্থাও করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ওষুধটি ব্যবহার করেছে। ভারতের মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন করোনা আক্রান্ত রোগীদের পাশাপাশি যারা ক্রমাগত করোনা আক্রান্ত রোগীদের সংস্পর্শে আসছেন বা সেবা দিচ্ছেন, তাদের প্রতিরোধক হিসেবে ওষুধটি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে।
 
বাংলাদেশে ইনসেপ্টা ও ডেল্টা নামক দুইটি ওষুধ কোম্পানি হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন উৎপাদন করে থাকে। ইনসেপ্টা রিকোনিল নামে এবং ডেল্টা রিউমাফ্লেক্স নামে ওষুধটি বাজারজাত করে থাকে। এই দুইটি ওষুধ কোম্পানি হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন বিদেশেও রফতানি করে থাকে।

করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে আইভারমেকটিনের সম্ভাব্য ব্যবহার নিয়েও আশার আলো দেখাচ্ছে গবেষকরা। এটা ব্যবহার হয়ে থাকে উকুন নাশক হিসেবেও। সম্প্রতি অস্ট্র্রেলিয়ার মোনাস ইউনিভার্সিটির বায়োমেডিসিন ডিসকভারি ইনস্টিটিউটের একদল গবেষক তাদের ল্যাবরেটরির গবেষণায় দেখেছেন, আইভারমেকটিনের একটি মাত্র ডোজ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভাইরাসের আরএনএকে বাধা প্রদান করে। ফলে মানবদেহে ভাইরাসের বৃদ্ধি ঘটে না। তবে মোনাস ইউনিভার্সিটি করোনাভাইরাস চিকিৎসায় আইভারমেকটিনের অধিকতর গবেষণার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

আইভারমেকটিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনেস্ট্রেশন (ইউএসএফডিএ) অনুমোদিত একটি অ্যান্টি প্যারাসাইটিক ওষুধ। এটা অনেক দিন থেকে ফাইলেরিয়া ও স্ক্যাবিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বাংলাদেশে বেক্সিমকো ও ডেল্টা ফার্মা নামক দুইটি ওষুধ কোম্পানি এই ওষুধটি উৎপাদনের লাইসেন্স নিয়েছে। কিন্তু বর্তমানে শুধু ডেলটা ফার্মা ওষুধটি ‘স্ক্যাবো ৬’ নামে উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছে। বেক্সিমকো ওষুধটির অনুমোদন নিলেও কোম্পানিটি এ ওষুধটি উৎপাদনে যায়নি। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আইভারমেকটিনের ব্যবহার অনুমোদিত নয়।

এসব ওষুধ ছাড়াও এজিথ্রোমাইসিন নামক একটি অ্যান্টিবায়োটিক করোনা চিকিৎসায় বেশ কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন এই অ্যান্টিবায়োটিকের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়ার জন্য ওষুধ কোম্পানিগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ওষুধ প্রশাসনের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান।

দেশসংবাদিএনডি/এনকে


আরও সংবাদ   বিষয়:  ওষুধ   করোনাভাইরাস  




আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা আপডেট
মাস্ক না পরলে ১ লাখ টাকা জরিমানা, ৬ মাসের জেল
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft
logo
up