ঢাকা, বাংলাদেশ || শনিবার, ৩০ মে ২০২০ || ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ পদ্মা সেতুতে ৩০তম স্প‌্যান, দৃশ্যমান সাড়ে ৪ কিমি ■ করোনার পিক সময় আসতে অনেক দেরি ■ ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যু ১২২৫ ■ নিহত ২৬ বাংলাদেশিকে লিবিয়ায় দাফন! ■ লিবিয়ায় গুলিতে নিহত ৫ জন ভৈরবের ■ চার্টার্ড প্লেনে সস্ত্রীক লন্ডন গেলেন মোরশেদ খান ■ ভারতে ৪ দশমিক ৬ ভূমিকম্পের আঘাত ■ বহিষ্কারের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জের ঘোষণা দিলেন মাহাথির ■ দেশে নতুন করে গরিব হলো ২৩ শতাংশ মানুষ ■ হাইকোর্টে স্থায়ী হলেন ১৮ বিচারপতি ■ সোমবার থেকে বাস চলবে, খালি রাখতে হবে অর্ধেক আসন ■ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি বাড়ল ১৫ জুন পর্যন্ত
১২ হাজার আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত
দেশসংবাদ, ঢাকা
Published : Monday, 18 May, 2020 at 7:58 PM, Update: 18.05.2020 8:08:07 PM
Zoom In Zoom Out Original Text

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়

বঙ্গোপসাগর থেকে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আম্পান উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) শেষ রাতের দিকে বা বুধবার (২০ মে) সকালে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় আম্পান। ঘূর্ণিঝড়ের কবল থেকে রক্ষার জন্য উপকূলের ৫১ লাখ ৯০ হাজার মানুষের জন্য ১২ হাজার ৭৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। সোমবার সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি বিষয়ে অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি মানুষও যাতে প্রাণ না হারায় সে ব্যাপারে সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছি। যেসব মানুষ ঝুঁকিতে আছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগেই তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হবে। অন্য যেকোনও দুর্যোগের থেকে এবার সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে কোনও বাঁধ ভেঙে গেলে সেনাবাহিনীর সহায়তায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে তা নির্মাণ করবে। আগামীকাল সকাল থেকে মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার কাজ শুরু হবে। তবে সোমবার দুপুর পর্যন্ত দুই হাজার ৫৬০ জন আশ্রয়কেন্দ্রে গেছেন বলেও জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১২ হাজার ৭৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। যেখানে প্রায় ৫১ লাখ ৯০ হাজার ১৪৪ জনকে আশ্রয় দেওয়ার মতো সক্ষমতা রয়েছে। প্রত্যেকটি আশ্রয়কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য বলেছি। যারা আশ্রয়কেন্দ্রে আসবেন তাদের মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখার জন্য বলা হয়েছে। এ কাজে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও কাজ করবে। কেন্দ্রে যারা আশ্রয় নেবেন তাদের জন্য তিন হাজার ১০০ টন চাল, ৫০ লাখ নগদ টাকা, শিশুখাদ্য কিনতে ৩১ লাখ টাকা, গো-খাদ্য কিনতে ২৮ লাখ টাকা এবং চার হাজার ২০০ প্যাকেট শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে বলেও ব্রিফিংয়ে জানান প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। তিনি বলেন, সিভিল সার্জনদের নেতৃত্বে মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধসহ টিম প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদ্যুৎ গেলে বিকল্প ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

ইতোমধ্যে মোংলা ও পায়রা বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আজ সন্ধ্যার পর আম্পান সুপার সাইক্লোনের রূপ ধারণ করবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

দেশসংবাদ/বার্তা/এসআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী   ডা. মো. এনামুর রহমান     




আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা আপডেট
ইউনাইটেডে আগুনে পুড়ে ৫ করোনা রোগীর মৃত্যু
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft
logo
up