ঢাকা, বাংলাদেশ || শনিবার, ৬ জুন ২০২০ || ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ ‘করোনা নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট বিক্রি! ■ রাশিয়ার ২ নদীতে লাল পানির স্রোত, বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক! ■ স্ত্রীর পর সাবেক মেয়র কামরানও আক্রান্ত ■ করোনায় তরুণদের আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি ■ করোনায় শীর্ষ ২০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ■ করোনায় অধিক ঝুঁকিতে টাক মাথা ■ প্রাইজবন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত, প্রথম পুরস্কার ০৯৬২৩০৭ ■ মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবি’র হাই অ্যালার্ট ■ ৩ হাজার মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন ■ দেশের প্রথম রেড জোন কক্সবাজার পৌর এলাকা ■ করোনায় প্রমাণ হয়েছে স্বাস্থ্যখাত কতটা ভঙ্গুর ■ সীমান্তে মিয়ানমারের ব্যাপক গুলিবর্ষণ, সতর্ক বিজিবি
ধুনটে টুপির কারিগরদের ঈদ আনন্দ ফিকে
রফিকুল আলম, ধুনট (বগুড়া)
Published : Friday, 22 May, 2020 at 1:36 PM
Zoom In Zoom Out Original Text

ধুনটে টুপির কারিগরদের ঈদ আনন্দ ফিকে

ধুনটে টুপির কারিগরদের ঈদ আনন্দ ফিকে

সারা বছরের চেয়ে রমজানে টুপির চাহিদা বেশী। প্রতিবছর এ সময়ের অপেক্ষায় থাকেন টুপি তৈরীর কারিগররা। এখানকার টুপি দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি হয়। এতে দামও মিলে আশানুরুপ। টুপি বেচে ঈদের নতুন পোশাক, প্রসাধনিসহ সৌখিন সামগ্রী কেনেন তারা। কিন্ত করোনার থাবায় এবারই তার ব্যতিক্রম। দরোজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। কিন্ত বিক্রি হচ্ছে না টুপি। তাই ফিকে হয়ে যাচ্ছে কাগিরদের ঈদের আনন্দ। 

সরেজমিন বগুড়ার ধুনট উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ক্রুশ কাটায় টুপি তৈরীর নারী কারিগরদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়। 

জানা গেছে, স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে ঘরের কোনো নারীই বসে নেই। সবাই টুপি তৈরি করছেন। ঘরের কাজ শেষে শুরু করেন টুপি তৈরির কাজে। ক্রুসের মাথায় সূতা লাগিয়ে হাতের আঙ্গুলের মারপ্যাচে স্বপ্ন বুনোনে কাটিয়ে দেন প্রতিটি দিন। এভাবে দিনে অন্তত ৮-১০টি বাহারি ডিজাইনের টুপি তৈরি করেন। এর মধ্যে রয়েছে বড়ই ফুল, নব্বই ফুল, মাছের কাঁটা, দশফুল, বিস্কুট ফুল, জি, স্টার, কদমফুল, মাকড়সা, ফ্যান ফুল, রাজু বুটা, আনারস। তবে গাছ ফুল ডিজাইনের জাল টুপির কদর বেশি। 

উপজেলার সব গ্রামেই কমবেশি বাণিজ্যিক ভাবে টুপি তৈরি করা হচ্ছে। এ পেশার সঙ্গে অন্তত ৩০ হাজার মানুষ যুক্ত থাকেন। যাদের মধ্যে সিংহভাগই নারী। তবে প্রত্যেক বছর রমজানে এ সংখ্যা বেড়ে যায়। গ্রামে গুলোতে সুতাসহ টুপি তৈরির সব ধরনের উপকরণ পৌঁছে দেন পাইকারী ব্যবসায়ীরা। টুপি তৈরি শেষ হলে তারা বাড়ি বাড়ি ঘুরে সুতার দাম বাদ দিয়ে পাইকারি বাজারদর অনুযায়ী সেই টুপিগুলো কিনে নেন। 

এসব জালি টুপি দেশের বাজরে চাহিদা মিটিয়ে সৌদি আরব, দুবাই, কাতার, পাকিস্থান, ভারত সহ বেশ কয়েকটি দেশে রপ্তানি করা হয়। কিন্তু এ বছর করোনার কারনে বিদেশে টুপি রপ্তানি হচ্ছে না। ফলে টুপির চাহিদা কমে যাওয়ায় সমস্য সংকটে পড়েছেন কারিগররা। আর্থিক সংকটে তাদের ঈদের আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে। 

টুপি তৈরীর কারিগররা জানান, লেখাপড়ার ফাঁকে, গল্প করতে বসে কিংবা সাংসারিক কাজের ফাঁকে টুপি বুননো যায়। শিক্ষার্থীরা তাদের লেখাপড়ার ও বিনোদন খরচ যোগাতে পারেন। একজন গৃহিণী তার অর্জিত আয় দিয়ে সংসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অন্যান্য কাজের ফাঁকে একজন নারী প্রতিমাসে আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা আয় করতে পারেন। কিন্ত এবার করোনার কারণে উপার্জন বন্ধ হয়ে গেছে।  

টুপির পাইকারী ব্যবসায়ী আসাদুল হক বলেন, প্রতিবছর এ সময় গ্রামের নারীদের তৈরী জালি টুপি দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা হয়। কিন্ত এবার করোনায় লডডাউনের কারণে ঢাকার মোকামে টুপি বিক্রি কিংবা বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে না। চাহিদা কমে যাওয়ায় কারিগরদের নিকট থেকে বেশী টুপি ক্রয় করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই কারিগরদের তৈরী টুপি ঘরেই পড়ে থাকছে।

দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/আইশি


আরও সংবাদ   বিষয়:  ধুনট   টুপি   ঈদ  




আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা আপডেট
গণস্বাস্থ্যের কিট অনুমোদন দিতে লিগ্যাল নোটিশ
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft
logo
up