ঢাকা, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২০ || ২৩ আষাঢ় ১৪২৭
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তের সংখ্যাও ■ এবার করোনায় ফেনীর সিভিল সার্জনের মৃত্যু ■ বাংলাদেশের সঙ্গে বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ইতালির ■ শীর্ষে ঢাকা বিভাগ : মোট মৃতের ৭৩ শতাংশ পঞ্চাশোর্ধ ■ রিজেন্ট হাসপাতাল সিলগালা ■ চিকিৎসক নিয়োগে আসছে বিশেষ বিসিএস ■ গরিবের সক্ষমতার মধ্যেই থাকবে করোনা ভ্যাকসিন ■ ২৪ ঘন্টায় যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে গেল ভারত ■ প্রাইভেটকার খাদে, একই পরিবারের নিহত ৩ ■ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৩০২৭, মৃত্যু ৫৫ ■ করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারি পাবেন নগদ সহায়তা ■ বাহরাইনে ভিসা নবায়ন ও মালিক পরিবর্তনের সুযোগ
পরকীয়ায় ধরা পড়ে বিয়ের পিঁড়িতে নারী ভাইস চেয়ারম্যান!
লিটন মাহমুদ, মেহেরপুর
Published : Tuesday, 26 May, 2020 at 8:45 PM
Zoom In Zoom Out Original Text

পরকীয়ায় ধরা পড়ে বিয়ের পিঁড়িতে নারী ভাইস চেয়ারম্যান!

পরকীয়ায় ধরা পড়ে বিয়ের পিঁড়িতে নারী ভাইস চেয়ারম্যান!

ভালবাসা মানে না কোন বাঁধা-বিপত্তি! গোপন অভিসার একদিন প্রকাশ হয়ে যায়। এটা প্রকৃতির নিয়ম। তাই পরকীয়া প্রেমের খেসারত দিতে হলো গাংনী উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমিনকে।

সম্প্রতি স্বামীহারা ফারহানা ইয়াসমিন সকলের অজান্তে মেহেরপুরের বুড়িপোতা ইউপির হরিরামপুর গ্রামের আনছারুল হকের ছেলে সরোয়ার হোসেন সবুজের (৩০) সাথে চুটিয়ে প্রেম প্রেম খেলায় মেতে উঠেছিল ।সকলের সন্দেহ দানা বেঁধে উঠলেও ফারহানা পরিবার, সমাজ ছাড়াও তার এক মাত্র মেয়েকে আড়াল করে পরকীয়া প্রেমে  হাবুডুবু খাচ্ছিল। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১ টার সময় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমিন তার চৌগাছা পূর্ব পাড়াস্থ ভাড়া বাড়ীতে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার সময় বেরশিক জনতার হাতে ধরা পড়ে।

পরবর্তীতে কেলেংকারীর খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে সাথে সাথে গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ, খালেক, গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ ওবাইদুর রহমান, পৌর মেয়র আশরাফুল ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর নবীরউদ্দীনসহ অসংখ্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

প্রথমতঃ পরকীয়া প্রেমের কথা দু’জন অস্বীকার করলেও নানা জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে  স্বীকার করে।ঘটনার তদন্ত করতে অভিযুক্ত সবুজ ও ফারহানার মোবাইল ফোন সার্চ করে তাদের পরকীয়ার তথ্য বেরিয়ে আসে।মোবাইল ফোনে ম্যাসেঞ্জারে তাদের অনেতিক মেশামেশা ও গোপনীয় আলাপচারিতার অডিও ভিডিওর চিত্র পাওয়া গেছে।

ফারহানা জানান, উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের পর থেকে সবুজের সাথে আমার পরিচয়। সে আমার ছোট দেবরের মত। আমার বাড়ীতে প্রায বেড়াতে আসে। আমার প্রয়াত স্বামী  শাহাবউদ্দীন জীবিত থাকাকালীন সময় থেকে  আমার  বাসায় যাতায়াত করতো। অন্যদিকে সবুজ জানায়, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। রাজনৈতিক  নানা কর্মসূচীতে তার সাথে আমার পরিচয়। আমি তার ছোট ভাই হিসাবে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলাম। পরবর্তীতে সে আমাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেছে। এসময় তার একমাত্র ছোট মেয়ে বহু লোকজন ও সাংবাদিকদের জানায়, অনেক আগে আমার মা সবুজ আংকেলকে মোটর সাইকেল কিনে দিয়েছে।

ঘটনার পোষ্ট মর্টেম শেষে উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ খালেক অভিভাবক হিসাবে ও পৌর মেয়রের প্রস্তাবে উভয়ে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়। বেলা সাড়ে ১২ টার  উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রের উপস্থিতিতে ২০ লাখ টাকা দেন মোহরে তাদেও ২য় বিয়ে পড়ানো হয়। এসময় ছেলে পক্ষের পিতা ও নিকটাত্মীয়, গাংনী পৌর সভার কাউন্সিলর আসাল উদ্দীন, শ্রমিক নেতা মনিসহ অনেক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যনকে সকলেই ভাবী সম্বোধন করতো। তাই শরৎ চন্দ্রের ভাষায় ‘বৌদির বিয়ে’ হওয়ায় শহরে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এনিয়ে স্বামী শাহাবউদ্দীনের মৃত্যু নিয়ে নানা সন্দেহ দানা বেঁধে উঠছে। অনেকেই মন্তব্য করে বলছেন, এই পরকীয়া প্রেমের কারনেই শাহাবউদ্দীনকে প্রাণ দিতে হয়েছে। এই দুজনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে মৃত্যু রহস্য উদঘাটিত হতে পারে বলে  অনেকেউ বলাবলি করছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ খালেক জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নইলে উচ্ছৃংখল বেরসিক লোকজন বেপরোয়া হয়ে শৃংখলা ভঙ্গ করতো।    

দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/এনকে


আরও সংবাদ   বিষয়:  গাংনী   ফারহানা ইয়াসমিন  




আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা আপডেট
পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তের সংখ্যাও
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft
logo
up