ঢাকা, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২০ || ১৯ আষাঢ় ১৪২৭
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ অধিকাংশ মানুষেরই করোনার টিকা নেয়ার প্রয়োজন হবে না ■ এবার গরু বিক্রি করতে না পারলে খামারিদের সর্বনাশ ■ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৩১১৪, মৃত্যু ৪২ ■ নিম্ন আদালতের ৪০ বিচারক আক্রান্ত ■ পাটকল শ্রমিকরা ঠকবে না, ২ ধাপে সব টাকা পাবে ■ কুয়েতি সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনীতিবিদ গ্রেফতার ■ মোদির হঠাৎ লাদাখ সফর কীসের বার্তা? ■ বিহারে বজ্রপাতে ২৬ জনের মৃত্যু ■ যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্তের নতুন বিশ্বরেকর্ড ■ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত ■ করোনা উপসর্গে খালেদার উপদেষ্টা এম এ হকের মৃত্যু ■ করোনামুক্ত ৬১ লাখ মানুষ
করোনার হোমিওপ্যাথিক প্রতিষেধক ও চিকিৎসা
লেকচারার ডা: মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম
Published : Sunday, 31 May, 2020 at 5:59 PM, Update: 03.06.2020 7:47:22 AM
Zoom In Zoom Out Original Text

করোনার হোমিওপ্যাথিক প্রতিষেধক ও চিকিৎসা

করোনার হোমিওপ্যাথিক প্রতিষেধক ও চিকিৎসা

করোনা ভাইরাস কি?

১৯৬০ সালে প্রথমবারের মতো করোনা ভাইরাস আবিষ্কার করা হয়। করোনা ভাইরাস মূলত এমন একটি শ্রেণির ভাইরাসদেরকে বোঝায় যেগুলি স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং পাখিদেরকে আক্রান্ত করে। মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস শ্বাসনালীর সংক্রমণ ঘটায়। এই সংক্রমণের লক্ষণ মৃদু হতে পারে, অনেকসময় যা সাধারণ সর্দি-কাশির ন্যায় হতে পারে আবার কিছু ক্ষেত্রে তা  মারাত্মক  শ্বাসকষ্ট হয়ে মৃত্যুও ঘটায়।

করোনাভাইরাসের অনেক প্রজাতি আছে, তার মধ্যে মাত্র সাতটি প্রজাতি মানুষের দেহে রোগ সংক্রমণ করতে পারে।  এদের মধ্যে চারটি সারা বছর ধরে অত্যন্ত সাধারণ হাঁচি-কাশি সর্দির উপসর্গ সৃষ্টি করে। এরা হল-229E (Alpha coronavirus), NL63 (Alpha coronavirus), OC43 (Beta coronavirus), HKU1 (Beta coronavirus)।

এছাড়া, SARS-CoV(Beta coronavirus) যা অতি তীব্র শ্বাস রোগ  বা Severe Acute Respiratory Syndrome বা SARS ছড়িয়েছিল–যা কিনা ২০০২ সালে চীনে প্রথমে বাদুড় এবং পরে গন্ধগোকুল প্রজাতির প্রাণী থেকে মানব দেহে সংক্রমিত হয়েছিল, এতে পৃথিবীতে মৃত্যু হয় ৭৭৪ জনের আর আক্রান্ত হয় ৮০৯৮জন।

MERS-CoV (Beta coronavirus) যা থেকে ২০১২ সালে Middle East Respiratory Syndrome বা MERS ছড়িয়েছিল–যা কিনা সৌদি আরবে উট থেকে মানব দেহে সংক্রমিত হয়েছিল, এতে পৃথিবীতে মৃত্যু হয় ৮৫৮ জনের  আর আক্রান্ত হয় ২৪৯৪ জন।

৭ম বা সর্বশেষ টাইপ - SARS-CoV-2 (Severe Acute Respiratory Syndrome Coronavirus 2), একেই নভেল করোনা ভাইরাস (Novel Corona Virus) বা 2019-NCOV বা COVID-19 বলা হয়। এই সার্স কভ-২ মানুষের শরীরে কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাস রোগ সংক্রামিত করে। এই ভাইরাসকে নভেল বা নতুন বলা হচ্ছে কারণ এই সংক্রামক ভাইরাসটা এর আগে কখনো মানুষের মধ্যে ছড়ায়নি। মানুষ থেকে মানুষে এর সংক্রমণের হার প্রচণ্ড বেশি, এতে অদ্যবদি (২৩/০৫/২০২০ইং) পৃথিবীতে মৃত্যু  হয়ছে ৩লক্ষ ৪০হাজার ৬১৬জনের  আর আক্রান্ত হয়ছে ৫৩৩৮০৮৪লক্ষ জন।

করোনা নামকরন

প্রাচীন গ্রীক শব্ধ “Korṓnē” থেকে ল্যাটিন শব্দ “Corona” এর উৎপত্তি যার অর্থ "Crown" বা রাজ মুকুট বা ফুলের মুকুট। আর ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখলে ভাইরাসটির মাথায় মুকুটের মতো Spike বা কাঁটা দেখা যায়। দেখে মনে হয় যেন রাজমুকুটের ওপর থরে থরে অনেক দণ্ড সাজানো রয়েছে।তাই এদের Coronavirus নামকরণ করা হয়েছে। আর ল্যাটিন শব্দ “Novel” অর্থ নতুন বা New। যেহেতু এই ভাইরাসটি এর আগে দেখা যায়নি তাই অনেকে একে Novel Corona Virus-ও বলে।

ভাইরাসের নাম প্রদানকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা International Committee on Taxonomy of Viruses এই ভাইরাসটিকে প্রথমে SARS-CoV-2 হিসেবে পরিচিতি দিলেও, পরবর্তীতে একে COVID-19 নামে পরিচিত দিয়েছে-এ নামকরণের ব্যাখ্যায় তারা বলেন, ভাইরাসটির নামের CO দিয়ে Corona, VI দিয়ে Virus, D দিয়ে Disease (রোগ) এবং 19 দিয়ে ভাইরাসটি উৎপত্তিসাল ২০১৯ নির্দেশ করা হয়েছে।

ভাইরাসের গঠনশৈলী

এই ভাইরাসের সবচেয়ে বাইরের অংশে থাকে Glycoprotein এর তৈরী Spike  বা কাঁটা যেগুলোর সাহায্যে ভাইরাসটা জীবন্ত কোষে আটকে গিয়ে সংক্রামিত হয়। দ্বিতীয় উপাদানটা হলো Ribonucleic acid বা RNA, জীবন্ত কোষের ভিতরে প্রবেশ করে ভাইরাসটা  RNA-এর প্রতিলিপি তৈরি করে বংশ বিস্তার করে। আর তৃতীয় উপাদানটা হল একটা Lipid বা চর্বির স্তর, এটা ভাইরাসের অন্যান্য অংশকে ধরে রাখে একে Envelope বলে। এই ভাইরাসের গড় আয়তন ১২৫এনএম (nm/ nanometer)। Envelope এর আয়তন ৮৫এনএম এবং Spike বা কাঁটার দৈঘ্য ২০এনএম।

কত দিনের মধ্যে COVID-19-এর উপসর্গ প্রকাশ পায় (Incubation period)

COVID-19 একটা মারাত্মক র্ছোঁয়াচে রোগ। নভেল করোনাভাইরাস সংক্রামিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা সুস্থ মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। কিন্তু শরীরে ভাইরাস ঢোকা মানেই এমন নয় যে COVID-19 রোগের উপসর্গ সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশ পেতে শুরু করবে। কারোর ক্ষেত্রে দিন দুয়েকের মধ্যেই উপসর্গ দেখা দেয়, কারোর ক্ষেত্রে আবার সপ্তাহ দুয়েক সময় লাগে (১৪ দিন)। এই সময়কে বিজ্ঞানের ভাষায় ইনকিউবেশান পিরিয়ড (Incubation period) বলে। এখনো পর্যন্ত দেখা গেছে নভেল করোনাভাইরাসের ইনকিউবেশান পিরিয়ড গড়ে পাঁচদিনের মত।

COVID-19-এর উপসর্গগুলি কি?

রোগের উপসর্গ মূলতঃ জ্বর, শুকনো কাশি, ক্লান্তি। এছাড়া সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, গলাব্যাথা, ডায়েরিয়া-ও হতে পারে। সাধারণ ফ্লু বা সর্দিজ্বরের সঙ্গে এর অনেক মিল পাওয়া যায়। আক্রান্ত হবার পর প্রথম দিকে উপসর্গ খুবই কম থাকে, তারপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। কখনও কখনও এর পরিণামে নিউমোনিয়া ও শেষে Multiple organ failure (MOF) বা দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে মৃত্যুও ঘটতে পারে (১৪%)। আবার কোন কোন ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তির কোন উপসর্গই থাকে না বা তারা অসুস্থ বোধ করেন না।  প্রায় ৮০% আক্রান্ত মানুষই সেরকম কোন চিকিৎসা  ছাড়াই সেরে ওঠেন।

জ্বর হলে, কাশি বা শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত নিকটস্থ ডাক্তারের কাছে যেতে হবে এবং প্রয়োজনে COVID-19 পরীক্ষা করতে হবে। প্রতি ছ’জন আক্রান্তের মধ্যে, একজনের শ্বাসকষ্টজনিত গুরুতর অবস্থা হতে পারে। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, এবং যারা বয়স্ক বিশেষত যাদের উচ্চ-রক্তচাপ, হার্টের সমস্যা বা ডায়াবেটিস রয়েছে) তাদের এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।

করোনা ভাইরাস-এর পরীক্ষা কিভাবে করা হয়?

সাধারণতঃ রোগীর নাকের ভিতরের শেষপ্রান্তে (Nasopharynx)একটি তুলার ডেলা (Cotton Swab) প্রবেশ করিয়ে, সেটার সাহায্যে নাকের শ্লেস্মা সংগ্রহ করে অথবা গলার ভিতরে একটি তুলোর ডেলা (Cotton Swab) প্রবেশ করিয়ে, সেটার সাহায্যে লালা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। এছাড়া Rapid টেস্টে আন্টিবডির উপস্থিতি লক্ষ্য করার জন্য রক্ত পরীক্ষাও করা যেতে পারে।
 
নমুনা সংগ্রহের প্রক্রিয়াটা সহজ হলেও ল্যাবরেটারীতে তা পরীক্ষা করার পদ্ধতিটা বেশ জটিল। নমুনাটা দিয়ে রিভার্স ট্রান্সক্রিপ্টেজ পলিমারেজ চেন রিয়েকশান (Reverse Transcriptase Polymerase Chain Reaction) করা হয়। যেকোনো Polymerase Chain Reaction (PCR) কোষের DNA-তে ঘটে।  কিন্তু, যেহেতু করোনা ভাইরাস একটা RNA ভাইরাস, তাই পরীক্ষাটার প্রথম ধাপে রোগীর দেহ থেকে প্রাপ্ত নমুনায় ভাইরাস থাকলে তার RNA প্রথমে DNA-তে রূপান্তরিত হয়। তারপর PCR পদ্ধতিতে DNA-র  অগণিত বার রেপ্লিকেশান ঘটে যে প্রতিলিপি তৈরি হয়, তা থেকে নমুনাতে ভাইরাসের উপস্থিতি সহজেই বোঝা যায়। সেক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তিকে  করোনা  পজিটিভ বলা হয়। আর ভাইরাস না থাকলে কোন প্রতিলিপিই তৈরি হয় না। সেক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তিকে  করোনা  নেগেটিভ বলা হয়। ২৪ ঘন্টা লাগে টেস্টের রেজাল্ট আসতে। তবে প্রচুর নমুনা পরীক্ষার ক্ষেত্রে, সব ধাপগুলো একবারে করার সুযোগ না থাকায় অনেকসময়  ৪৮-৭২ ঘন্টাও লাগতে পারে।

করোনা ভাইরাস-এর হোমিওপ্যাথিক প্রতিষেধক

হোমিওপ্যাথিক ঔষধ কোন ভাইরাসকে মারতে পারেনা কিন্তু দেহের নিজেস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বহুগুন বাড়িয়ে (Boosting immunity) দেহকে ভাইরাসের বিরুদ্ধে তীব্রভাবে লড়াই করতে সাহয্য করে ভাইরাসকে দূর্বল করে দেহ থেকে ভাইরাসকে তাড়িয়ে দিতে সাহায্য করে। আর হোমিওপ্যাথিতে এই রকম ঔষধ হচ্ছে Thuja Occidentalis–30, যা কিনা দেহকে ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে (Anti Viral) এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়াতে সাহায্য করে।

সেবনবিধি

Thuja Occidentalis–30, (৫ ফোটা বা ৫বড়ি = ১ডোজ), ১ডোজ করে প্রতিদিন ২ বার –৭ দিন, তারপর প্রতি সপ্তাহে ২ বার পরপর ৩সপ্তাহ।

COVID-19- রোগীর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

ক). যখন COVID-19 এর প্রাথমিক লক্ষন বা মৃদু লক্ষন দেখা যাবে (Where there has been exposure to COVID 19 + cases.)-

১). Camphora–200 (৫ ফোটা বা ৫বড়ি = ১ডোজ), ১ ডোজ দিয়ে প্রথমে চিকিৎসা শুরু করতে হবে।
২). Thuja Occidentalis–30, (৫ ফোটা বা ৫বড়ি = ১ডোজ), ১ডোজ করে প্রতিদিন ২ বার।
৩). Eupatorium Perfoliatum–Q (৫ ফোটা + ২ টেবিল চামিচ পানি = ১ডোজ ), ১ ডোজ করে প্রতিদিন ২ বার।

খ). যখন COVID-19 এর মাঝারিধরনের লক্ষন দেখা যাবে (In Mild or Moderately Symptomatic Cases of COVID 19 + cases:)-

১). Camphora–200 (৫ ফোটা বা ৫বড়ি = ১ডোজ), ১ডোজ দিয়ে প্রথমে চিকিৎসা শুরু করতে হবে।
২). Thuja Occidentalis–30, (৫ ফোটা বা ৫বড়ি = ১ডোজ), ১ডোজ করে প্রতিদিন ২ বার।
৩). Eupatorium Perfoliatum–Q (৫ ফোটা + ২ টেবিল চামিচ পানি = ১ডোজ ), ১ডোজ করে প্রতিদিন ২ বার।
৪). Hepar Sulphuris Calcareum–6, (৫ ফোটা বা ৫বড়ি = ১ডোজ)
৫). Chelidonium Majus–6X, (৫ ফোটা বা ৫বড়ি = ১ডোজ )
যদি শুকনা কাশি ও শ্বাসকষ্ট থাকে তাহলে ৪নং ও ৫নং থেকে ১ডোজ করে ৩ ঘন্টা অন্তর পাল্টা-পাল্টি করে খেতে থাকবে যতক্ষন পর্যন্তনা লক্ষন না কমে।
৬). Sanguinaria Canadensis–200, (৫ ফোটা বা ৫বড়ি = ১ডোজ), ১ ডোজ করে প্রতিদিন ২ বার।

গ). যখন COVID-19 এর তীব্র লক্ষন ও সাথে Acute respiratory distress syndrome (ARDS)  দেখা যাবে (In Severe Symptomatic Cases of COVID 19+ with ARDS:)-

১). Camphora–200 (৫ ফোটা বা ৫বড়ি = ১ডোজ), ১ ডোজ দিয়ে প্রথমে চিকিৎসা শুরু করতে হবে।
২). Thuja Occidentalis–30, (৫ ফোটা বা ৫বড়ি = ১ডোজ), ১ ডোজ করে প্রতিদিন ২ বার।
৩). Kalium Carbonicum-200, (৫ ফোটা বা ৫বড়ি = ১ডোজ), ১ ডোজ করে প্রতিদিন সকালে খালিপেটে।
৪). Eupatorium Perfoliatum–Q (৫ ফোটা + ২ টেবিল চামিচ পানি = ১ ডোজ ), ১ ডোজ করে প্রতিদিন ২ বার।
৫). Hepar Sulphuris Calcareum–6, (৫ ফোটা বা ৫বড়ি = ১ ডোজ)
৬). Chelidonium Majus–6X, (৫ ফোটা বা ৫বড়ি = ১ ডোজ )

যদি শুকনা কাশি ও শ্বাসকষ্ট থাকে তাহলে ৫নং ও ৬নং থেকে ১ডোজ করে ৩ ঘন্টা অন্তর পাল্টা-পাল্টি করে খেতে থাকবে যতক্ষন পর্যন্তনা লক্ষন না কমে।

৭). Sanguinaria Canadensis–200, (৫ ফোটা বা ৫বড়ি = ১ডোজ), ১ ডোজ করে প্রতিদিন ২ বার।

ঘ). যখন রোগীর তীব্র শ্বাসকষ্টের জন্য, রোগীকে বাচানোর জন্য Ventilatory Support প্রয়োজন হবে -
    
১). Camphora–200, (৫ ফোটা বা ৫বড়ি = ১ডোজ), ১ডোজ দিয়ে প্রথমে চিকিৎসা শুরু করতে হবে।
২). Kalium Carbonicum–200 + Carbo Vegetabilis-200, (প্রত্যেকটা থেকে ৩ ফোট + ৩ ফোটা = ৬ফোটা বা ৩বড়ি+ ৩বড়ি =৬বড়ি = ১ডোজ
৩). Bromium - 6,(৫ ফোটা বা ৫বড়ি = ১ডোজ)

২নং ও ৩নং থেকে ১ডোজ করে ২ ঘন্টা অন্তর পাল্টা-পাল্টি করে জিহ্বায় দিতে হবে  যতক্ষন পর্যন্তনা লক্ষন না কমে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য

১). যেহেতু হোমিওপ্যাথি একটি লক্ষনভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি, তাই এ পদ্ধতিকে শতসিদ্ধ বলা যাবে না বা এটা COVID-19  এর বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি নয়। অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতিত এই পদ্ধতি ব্যবহারে যদি কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হয় তার দায় লেখক বা অনুবাদক গ্রহন করবে না।

২). যে কোন জটিল বা জরুরী মুহূর্তে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।

তথ্যসূত্র:-https://www.pbhrfindia.org/blog/54-covid-19-combatting-with-banerji-protocols/258-banerji-protocols-for-covid-19.html

লেখক ও অনুবাদক
লেকচারার ডা: মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম
আনসার হোমিও কমপ্লেক্স, ডি.আই.টি, নারায়নগঞ্জ
মোবাইল : 01912 074922

   
দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/এফএইচ/mmh


আরও সংবাদ   বিষয়:  করোনা ভাইরাস   ডা: মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম   হোমিওপ্যাথিক  




আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা আপডেট
অধিকাংশ মানুষেরই করোনার টিকা নেয়ার প্রয়োজন হবে না
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft
logo
up