ঢাকা, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২০ || ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ ওসিকে একের পর এক হত্যার হুমকি! ■ সিনহা হত্যার তদন্ত বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে ■ বসুন্ধরায় আবাসিক এলাকায় আগুন ■ যত্রতত্র ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলা যাবে না ■ কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ৩ ■ রিজেন্ট-জেকেজি নিয়ে যা বললেন সাবেক হেলথ ডিজি ■ পিকে হালদারের আত্মসাতের ৩ হাজার কোটি টাকা জব্দ ■ ধানমন্ডি-বনানীর হোটেল-গেস্ট হাউজ বন্ধ ■ স্বাস্থ্য অধিদফতরের নতুন অতিরিক্ত মহাপরিচালক সেব্রিনা ■ ডা. সাবরিনাসহ ৮ জনের জামিন নাকচ ■ ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে করা হত্যা মামলার আবেদন খারিজ ■ চিকিৎসার জন্য দেশের মানুষকে আর বিদেশ যেতে হবে না
কমেছে মাছের দাম, বাড়ছে ডিম-মুরগি
দেশসংবাদ, ঢাকা
Published : Friday, 19 June, 2020 at 11:45 AM
Zoom In Zoom Out Original Text

বাজার

বাজার

সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে মাছের দাম। মাছের ভিন্নতা ও আকারভেদে কেজিতে ১০-৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে দাম। অন্যদিকে বাড়তি রয়েছে ডিম ও মুরগির বাজার। ডিমে ডজন প্রতি ১০-২০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি রয়েছে। কেজিতে ১০-৩০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন প্রকারের মুরগি।

অন্যদিকে, অপরিবর্তিত রয়েছে শাক-সবজি, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, চাল, ডাল ও ভোজ্য তেলের দাম। শুক্রবার রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ রেলগেট, মগবাজার, শান্তিনগর, সেগুনবাগিচা ও খিলগাঁও, খিলগাঁও মৈত্রী মাঠের কাঁচা বাজার ঘুরে এসব চিত্র উঠে আসে।

বর্তমানে এসব বাজারে প্রতিকেজি আকারভেদে পটল বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫৫ টাকা, ঝিঙা-চিচিঙা-ধন্দুল ৪০-৬০, কাকরোল ৬০-৭০, করলা ও উস্তি ৬০-৭০, কচুর ছড়া ৫০-৬০, পেঁপে ৪০-৬০, ঢেড়স ৪০-৫০, কচুর লতি ৫০-৬০, বেগুন ৪০-৮০, কাঁচা মরিচ ৫০-৬০, মিষ্টি কুমড়া ৩০, আলু ৩০ টাকা কেজিদরে।

তবে দাম কমেছে টমেটো ও ধনিয়াপাতার। কেজিতে ১০ টাকা কমে বর্তমানে প্রতিকেজি টমেটো (প্রকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪৫ টাকা কেজিদরে। কেজিতে ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে ধনিয়াপাতার দাম। বর্তমানে প্রতিকেজি ধনিয়াপাতা বিক্রি হচ্ছে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়।

দাম অপরিবর্তিত রয়েছে কলা, বড় কচু, লেবু, পুদিনা পাতা, লাউ, জালি কুমড়ার দাম। বাজারে প্রতি আটি (মোড়া) কচুর শাক বিক্রি হচ্ছে ১০-১২ টাকা, লাল শাক ১২-১৫, মূলা ১২-১৫, পালং শাক ১৫, লাউ ও কুমড়া শাক ৩০-৪০ টাকা, পুঁইশাক ১৫-২০ টাকায়।

অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম। এসব বাজারে প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৮০-৬০০ টাকা, মহিষের মাংস ৬০০ টাকা, খাসির মাংস ৮০০ টাকা, বকরি ৭৫০ টাকা কেজিদরে।

গরু-খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও বেড়েছে মুরগির বাজার। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০-৩০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি রয়েছে। কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে বর্তমানে প্রতিকেজি বয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৬০-১৬৫, কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি লেয়ার ২৪০-২৫০ টাকা, সাদা লেয়ার ২০০-২১০ টাকা কেজিদরে। কেজিতে ২০-৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে প্রতিকেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৭০-২৯০, প্রতিকেজি দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা কেজিদরে।

দাম বাড়তি রয়েছে ডিমের বাজারে। বর্তমানে প্রতি ডজন লাল ডিম (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ১০০-১০৫, দেশি মুরগি ১৫০-১৬০ টাকা, সোনালী মুরগি ডিমি বিক্রি হচ্ছে ১৩০, হাঁস ১২০-১২৫  টাকা, কোয়েল প্রতি ১০০-২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

দাম কমেছে মাছের বাজারে। এসব বাজারে কেজিতে ২০-৫০ টাকা পর্যন্ত দাম কমে বর্তমানে প্রতিকেজি কাঁচকি মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৪০০ টাকা কেজিদরে, মলা ৩৮০-৪০০ টাকা, ছোট পুঁটি (তাজা) ৫০-৫৫০ টাকা, ছোট পুঁটি ২৮০-৩৫০ টাকা, টেংরা মাছ (তাজা) প্রতিকেজি ৬৫০-৭৫০ টাকা, দেশি টেংরা ৪৫০-৫৫০ টাকা কেজিদরে।

কেজিতে ১০-৩০ টাকা বেড়ে দাম কমে প্রতিকেজি শিং (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৫০০ টাকা, পাবদা ৩০০-৫০০ টাকা, চিংড়ি (গলদা) ৪০০-৬৫০ টাকা, বাগদা ৫০০-৯৫০ টাকা, হরিণা ৩৫০-৫০০ টাকা, দেশি চিংড়ি ৩০০-৫০০ টাকা, রুই (আকারভেদে) ২৫০-৩৫০ টাকা, মৃগেল ১৮০-৩০০ টাকা, পাঙাস ১৩০-২০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০-১৮০ টাকা, কৈ ১৬০-১৮০ টাকা, কাতলা ২০০-৩২০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে অপরিবর্তিত আছে ইলিশের বাজার। বর্তমানে এসব বাজারে প্রতি এককেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১০০০ থেকে ১০৫০ টাকা, ৭৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৭৫০-৮০০, ছোট ইলিশ আকারভেদে ৩৮০-৪৫০ টাকা কেজি দরে। এসব বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫০, প্রতিকেজি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০, প্রতিকেজি আদা বিক্রি হচ্ছে (মানভেদে) ১৪০-১৫০ টাকা কেজিদরে।

অপরিবর্তিত আছে ভোজ্যতেলের বাজার। বাজারে খোলা সয়াবিন (লাল) বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৯৫-১০৫ টাকা লিটার, খোলা (সাদা) সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা লিটার। খোলা সরিষার তেল বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা লিটার।

বর্তমানে প্রতিকেজি মিনিকেট (নতুন) চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৫৮ টাকা কেজি, মিনিকেট পুরান ৬০ টাকা, বাসমতি ৬০-৬২ টাকা, প্রতিকেজি আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৪ টাকা, এক সিদ্ধ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, পাইজাম ৪০ টাকা, প্রতিকেজি পোলাও বিক্রি হচ্ছে ১০০-১০৫ টাকা কেজিদরে। প্রতিকেজি ডাবলি ডাল বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা, এংকর ৫০ টাকা, প্রতিকেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, মসুর (মোটা) ৮০ টাকা কেজিদরে।

বাজারে ডিম-মুরগির বাড়তি দাম নিয়ে ক্রেতার মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। মাহবুব আলম নামে শান্তিনগর বাজারের এক ক্রেতা বলেন, নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের মাংসের ভরসা ফার্মের মুরগি ও ডিম। কিন্তু এক মাস ধরে এর দাম কমছে না। বাজেটে মুরগির উদ্যোক্তাদের নানা সুবিধার কথা বলা হয়েছে। এরপর ডিম ও মুরগির বাজারে দাম কমছে না, এটা দুঃখজনক।

মাহবুব নামে খিলগাঁও বাজারের এক ক্রেতা  বলেন, এখন বাজারে সবজির কোনো ঘাটতি নেই, কিন্তু দাম বেশি। গত সপ্তাহে দেখলাম বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে আজও একই দামে বিক্রি করা হচ্ছে। অথচ সিজন না এরকম অনেক সবজি বাজারে আছে। বেশি মুনাফার আশায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে মতো দাম রাখছেন।

মুরগির দাম বৃদ্ধি বিষয়ে বোরহান নামে খিলগাঁও বাজারের এক মুরগি বিক্রেতা বলেন, পাইকারি বাজারে মুরগির সরবরাহ বেশি থাকলে দামও কমে যায়। কিন্তু এখন মুরগি সংকট কাপতান বাজারে। এ পাইকারি বাজার থেকে রাজধানীতে মুরগি সরবরাহ করা হয়। এ কারণে সেখানে দাম বাড়তি থাকায় খুচরাতেও বেড়েছে দাম।

দেশসংবাদ/বানি/এসআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  মাছ   ডিম   মুরগি   বাজার  




আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা আপডেট
২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৪৪, আক্রান্ত ২৬১৭
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
ফাতেমা হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft
logo
up