মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২১ || ৫ মাঘ ১৪২৭
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বৈঠক মঙ্গলবার ■ নোয়াখালীর নতুন পাগলকে পাবনায় পাঠানো উচিত ■ বাইডেনের শপথ অনুষ্ঠানে হামলার আশঙ্কা! ■ আসুন, দল-মতের পার্থক্য ভুলে এক হয়ে কাজ করি ■ করোনায় আক্রান্ত হাসানুল হক ইনু ■ লালমনিরহাটে ট্রাকচাপায় পুলিশের দুই ডিএসবি নিহত ■ তিন মাসের মধ্যে ওটিটি নীতিমালার খসড়া তৈরির নির্দেশ ■ প্রত্যেক সাংবাদিক টিকা পাবেন ■ ইশরাককে আত্মসমর্পণের নির্দেশ ■ সর্বনাশা করোনায় আজও ১৬ জনের মৃত্যু ■ ২৫ জানুয়ারি আসছে করোনা টিকা ■ শেষ কর্মদিবসে শতাধিক অপরাধীকে ক্ষমা
মোবাইল খরচ কমছে না
দেশসংবাদ ডেস্ক
Published : Monday, 29 June, 2020 at 10:41 PM
Zoom In Zoom Out Original Text

মোবাইল

মোবাইল

প্রস্তাবিত ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে মোবাইলে কথা বলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর সম্পূরক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল। বাজেট পাশ না হলেও নিয়ম অনুযায়ী এরপর থেকেই বাড়তি শুল্ক কার্যকর করে দেয় মোবাইল অপারেটরগুলো। এতে দেশব্যাপী ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার।

করোনাকালীন এ সংকটের মধ্যেও বাড়তি শুল্ক আরোপ করায় জনগণের ওপর বাড়তি বোঝার সৃষ্টি হতে পারে। এমন চিন্তা থেকে ও সবার কথা বিবেচনা করে প্রথমে সেই প্রস্তাব থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে আজ সোমবার মোবাইলে কথা বলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর বাড়তি সম্পূরক শুল্ক রেখেই অর্থবিল ২০২০ পাস করা হয়েছে।

আজ জাতীয় সংসদে অর্থবিল ২০২০ পাস করার সময় মোবাইলে কথা বলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর বাড়তি সম্পূরক শুল্ক বিষয়ে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। ফলে গ্রাহককে বাড়তি কর দিতেই হচ্ছে। সব মিলিয়ে এখন প্রতি ১০০ টাকা রিচার্জে সরকারের কোষাগারে চলে যাবে ২৫ টাকা। আর ইন্টারনেট ব্যবহারে প্রতি ১০০ টাকায় সরকার পাবে ১৮ টাকার মতো।

এর আগে গত ১১ জুন প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় মোবাইল ফোনে কথা বলা, খুদে বার্তা পাঠানো ও ইন্টারনেট ব্যবহারে সম্পূরক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, এরপর থেকেই সব ধরনের সম্পূরক শুল্ক কার্যকর হয়ে যায়।

এদিন জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল অর্থবিল পাসের প্রস্তাব করেন। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে আজ কয়েকজন সংসদ সদস্যের সংশোধনী প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। কিন্তু তাতে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের প্রস্তাব ছিল না।

শুধু অপ্রদর্শিত আয়ের টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে শর্ত কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে পুঁজিবাজারে অর্থের প্রবাহ বাড়াতে ১০ শতাংশ কর দিয়ে ‘কালো টাকা সাদা’ করার সুযোগ দেয়ার কথা বলা হয়েছিল। শর্ত ছিল, সেই টাকা ৩ বছরে পুঁজিবাজার থেকে বের করা যাবে না। সংশোধনীতে তিন বছরের জায়গায় এক বছর করা হয়েছে।

অর্থ বিলে সরকারি, বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবং বিএনপির কয়েকজন সদস্য সংশোধনী প্রস্তাব আনেন। এসব প্রস্তাবের মধ্যে কিছু গ্রহণ করেন অর্থমন্ত্রী। এর মধ্যে জাতীয় পার্টির পীর ফজলুর রহমান, কাজী ফিরোজ রশীদ, মুজিবুল হক চুন্নু, মসিউর রহমান রাঙ্গা, আওয়ামী লীগের আবুল হাসান মাহমুদ আলী, আলী আশরাফের কয়েকটি প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। আগামীকাল মঙ্গলবার মূল বাজেট পাস করা হবে। তার পরদিন ১ জুলাই থেকে শুরু হবে নতুন অর্থবছর ২০২০-২১।

দেশসংবাদ/নিপে/এসআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  বাজেট   মোবাইল   করোনা  




আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা
সর্বনাশা করোনায় আজও ১৬ জনের মৃত্যু
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : এম. এ হান্নান
যুগ্ম-সম্পাদক
মোহাম্মদ রুবাইয়াত আনোয়ার
মেবিন হাসান
যোগাযোগ
টেলিফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
সেলফোন : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft
logo
up