ঢাকা, বাংলাদেশ || বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০ || ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ তিন রাষ্ট্রদূতকে যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ■ শিক্ষায় বিনিয়োগের বিকল্প নেই ■ কমলো স্বর্ণের দাম ■ নিভারের প্রভাব পড়বে না বাংলাদেশে ■ ঢাকায় পৌঁছালো ‘ধ্রুবতারা’ ■ আলোচনায় কানাডা’র বেগমপাড়া ■ শপথ নিলেন ফরিদুল হক খান দুলাল ■ দেশে করোনায় মৃত্যু ৩২, আক্রান্ত ২২৩০ ■ রাজধানীর বিহারী পট্টিতে ভয়াবহ আগুন ■ করোনা পরিস্থিতি খারাপ হলে আরো কঠোর সিদ্ধান্ত ■ কে এই অ্যান্থনি ব্লিংকেন? ■ ১ ডিসেম্বর আমৃত্যু কারাদণ্ডের রিভিউর রায়
নানা জাল জালিয়াতি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে
জবিতে ড. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের অনাস্থা
স্টাফ রিপোর্টার
Published : Tuesday, 25 August, 2020 at 1:22 AM, Update: 25.08.2020 1:31:05 AM
Zoom In Zoom Out Original Text

ড. মনিরুজ্জামান

ড. মনিরুজ্জামান

আর্থিক অনিয়ম, প্রমোশনে স্বজনপ্রীতি ও শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার নম্বরে জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মনিরুজ্জামানের প্রতি অনাস্থা জানিয়েছেন বিভাগের শিক্ষকরা। বিভাগের ২১ জন শিক্ষকের মধ্যে ১৪ জনই চেয়ারম্যানের প্রতি এই অনাস্থা জ্ঞাপন করেছেন। গত ১৯ আগস্ট বুধবার উপাচার্য বরাবর এক চিঠিতে তারা এই অনাস্থা প্রস্তাব জানান।

অনাস্থা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ড. মনিরুজ্জামান ২০১০ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৩ এর নভেম্বর পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থাকাকালে বিভাগের ব্যয়কৃত টাকার হিসাব প্রদানে ব্যর্থ হয়েছে। এরপর ২০১৯ সালের নভেম্বর থেকে পুনরায় চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণের পরও আর্থিক বিষয়ে অনিয়ম ও অসচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। পরীক্ষা কমিটির খরচের টাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিয়েও কমিটিকে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষকরা। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থাকাকালে বিভাগের বই কেনার টাকা তসরুপের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিভাগের এসি নিজের বাসায় নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটিয়েছেন তিনি।

তার বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে পদোন্নতি গ্রহণেরও অভিযোগ রয়েছে। ২০১২ সালের ২৯ ফেরুয়ারী অনুষ্ঠিত সভায় সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ড. মনিরুজ্জামানকে পিএইচডি ডিগ্রির এওয়ার্ড প্রাপ্তির শর্তে সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়ার কথা থাকলেও ২০১৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি পিএইচডি সনদ প্রাপ্তির অনেক আগেই ২০১২ সালের ০৬ আগস্ট থেকেই তিনি সহযোগী অধ্যাপক পদে যোগদান করেন।

এ ব্যাপারে জবি রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্র জানায় শিক্ষক নেতাদের দিয়ে তৎকালীন উপচার্যকে চাপের মুখে ফেলে তিনি নিয়মবহির্ভূতভাবে সময়ের আগেই এই পদে যোগদান করেন।

বিভাগে জমা থাকা কয়েকজন শিক্ষকের ফাইল থেকে তাদের একাডেমিক ডকুমেন্টস সরিয়ে ফেলারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। চেয়ারম্যানের কাছের কয়েকজন শিক্ষক ছাড়া বেশিরভাগ শিক্ষকই অযৌক্তিকভাবে হয়রানির অভিযোগ করেছেন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

এছাড়া বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার নম্বর জালিয়াতির অভ্যাস তার বহু পুরানা। পছন্দের শিক্ষার্থীদের নম্বর বাড়িয়ে দেওয়া ও অন্য অপছন্দের শিক্ষার্থীদের নম্বর কমিয়ে দেওয়া ঘটনা তার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে বলেও জানায় ভিকটিমরা। তার পরীক্ষার নম্বরপত্রে একাধিক ব্যক্তির হাতের লেখাও পাওয়া গেছে। পরীক্ষার গোপনীয়তার সুস্পষ্ট লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

৪টি থেকে ৫টি ক্লাস নিয়ে ৩ ক্রেডিটের কোর্স শেষ করার রেকর্ডও রয়েছে তার, যেখানে ৩ ক্রেডিটের একটি কোর্স ৪৫টি ক্লাস নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। চেয়ারম্যানের এমন স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে ভয়ে শিক্ষার্থীরা মুখ না খুললেও তাদের মধ্যে এ ব্যপারে রায়েছে চাপা ক্ষোভ।

এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিকবার মৌখিক ও লিখিতভাবে জবি প্রশাসন বরাবর জানানো হয়েছে বলেও জানিয়েছেন বিভাগের শিক্ষকরা। চেয়ারম্যারে এমন বেপরোয়া অনিয়ম ও দুর্নীতির ব্যাপারে দ্রুত গ্রহণযোগ্য সমাধানের জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন বিভাগের শিক্ষকরা।

উপাচার্য বরাবর শিক্ষকদের চিঠিটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হল:

তারিখ : ১৯/০৮/২০২০
বরাবর
মাননীয় উপাচার্য
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

বিষয় : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে সম্প্রতি সময়ে সংঘটিত কিছু অনাকাঙ্খিত ও নিয়মবর্হিভূত ঘটনার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ

মাননীয় উপাচার্য মহোদয়,

আমাদের  আন্তরিক শুভেচ্ছা গ্রহণ  করুন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে  সম্প্রতি  সময়ে সংঘটিত  কিছু অনাকাঙ্খিত ও নিয়মবর্হিভূত ঘটনার প্রেক্ষিতে আমরা বিভাগের নিম্ন স্বাক্ষরিত শিক্ষকবৃন্দ এই আবেদন পত্রের মাধ্যমে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি যে, কোভিড-১৯ মহামারীতে সারা বিশ্ব যখন স্থবির হয়ে পড়েছে সে সময়ও মানবিকতা বিসর্জিত একটি মহল বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে নিজেদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করায় ব্যস্ত। একইভাবে আমরা লক্ষ্য করছি এই সংকটকালীন সময়েও আমাদের বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান বিভিন্নভাবে বিভাগের প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক এবং সহকর্মীদের সাথে নিয়ম বহির্ভূত বিভিন্ন কার্যক্রম করছেন। যা আমাদের হতাশও বঞ্চিত করছে এবং তারই প্রেক্ষিতে এই আবেদনপত্রের অবতারণা।

এমতাবস্থায়, সাম্প্রতিক ঘটনাবলী উল্লেখের পূর্বে অতীত ঘটনাবলীর উল্লেখও এখানে প্রাসঙ্গিক। মহোদয়, আপনি অবগত আছেন যে, বিভাগের  বর্তমান  চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.  মোঃ মনিরুজ্জামান ইতোপূর্বে ভারপ্রাপ্ত  চেয়ারম্যানের  দায়িত্ব পালনকালে (১১ নভেম্বর ২০১০ -১১ নভেম্বর ২০১৩) অনেক অনিয়ম করেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলি তুলে ধরা হলো :

১. বিভাগের নিয়ম বহির্ভূত অভ্যন্তরীণ ব্যয়ের হিসাব না দেয়া

বিভাগে নিয়ম বহির্ভূত অভ্যন্তরীণ ব্যয়ের কোন হিসাব একাডেমিক কমিটির নিকট উপস্থাপন করেন নাই। এই বিষয়টি একাধিকবার বিভাগের একাডেমিক কমিটির সভায় এজেন্ডাভুক্ত হলেও তিনি কমিটিকে হিসাব প্রদানে অস্বীকার করেছেন এবং কোন তথ্য উপস্থাপনও করেন নাই (সংযুক্তি নং-১)।

২.সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতিতে জালিয়াতির আশ্রয় (সংযুক্তি নং-২ )

৩.পরীক্ষা সংক্রান্ত কর্মকান্ডে নিয়মবহির্ভূত পন্থা অবলম্বন

বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার (লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক) মূল্যায়নে স্বজনপ্রীতি করেন এবং পরীক্ষার নম্বরফর্দে পরীক্ষক হিসেবে নিজ হাতে লিখার পরিবর্তে অন্য হাতের লিখারও প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা পরীক্ষা সংক্রান্ত গোপনীয়তার লঙ্ঘন এবং চরম অনিয়মের শামিল। গোপনীয়তার স্বার্থে সংযুক্তি অনুল্লেখ্য রইলো তবে প্রয়োজনে সরবরাহ করা হবে।

উল্লেখকৃত এ সকল নানা অনিয়মের বিষয়ে নানাবিধ অভিযোগ প্রমাণাদিসহ অতীতে আপনাকে আমরা লিখিতভাবে (সংযুক্তি নং-১,২), কখনো মৌখিকভাবে অবহিত করেছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের  নিয়মানুযায়ী বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে গত ১২ নভেম্বর, ২০১৯-এ; তিনি (অধ্যাপক ড. মোঃ মনিরুজ্জামান) পুনরায়  চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। কিন্ত এরপর  থেকেই তিনি পূর্বের ন্যায় নিয়ম বহির্ভূত কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছেন। বিভিন্নভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মের পরিপন্থী কাজ করছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক হিসেবে এই সকল কর্মকান্ড আপনাকে অবগত করা প্রয়োজন বলে আমরা মনে করছি, যা নিম্নরূপ;

১। সহকর্মীদের সাথে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ:

ক। সম্প্রতি, শিক্ষা ছুটিতে থাকা সহকারী অধ্যাপক হাছিনা আক্তার শিক্ষা ছুটির মেয়াদ বৃদ্ধি আবেদন এর প্ল্যানিং মিটিং নিয়ে গড়িমসি (সংযুক্তি নং ৩)।

খ। ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. নিগার সুলতানার “সহকারী অধ্যাপক পদে স্থায়ীকরণ” নিয়ে হয়রানি (সংযুক্তি নং ৪)।

২। বিভাগীয় অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে অনিয়ম এবং অস্বচ্ছতা

গত নভেম্বর,  ২০১৯  এ  দায়িত্ব গ্রহণের পর  চেয়ারম্যান মহোদয় বিভাগে পরিচালিত সকল  পরীক্ষা কমিটির জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ (পরীক্ষা পরিচালনা, নাস্তা ব্যবহারিক পরীক্ষার সামগ্রী ক্রয় ও বিবিধ বাবদ) বিভাগের আসা সত্ত্বেও তিনি তা নিয়ে অনিয়ম করেছেন (সংযুক্তি নং ৫)।

৩। বিভাগের সকল শিক্ষকদের ব্যক্তিগত ফাইল সংরক্ষণের অনিশ্চয়তা

বিভাগের স্ব স্ব শিক্ষকের নামে তার চাকরি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় চিঠিপত্র ফাইল আকারে বিভাগে সংরক্ষিত থাকে, যা চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধানে থাকে। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় শিক্ষকবৃন্দ তাদের ব্যক্তিগত ফাইল বিভাগে রাখা নিরাপদ মনে করছেন না। সংযুক্তি নং ৬ এ সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এমন একটি ঘটনা বিবরন তুলে ধরা হলো।

৪। চেয়ারম্যানের ক্ষমতা বলে শিক্ষকদের হয়রানি করা এবং আর্থিক অনিয়ম করা

তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থাকাকালিন অনর্থক বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষকের নামে অহেতুক নানা ধরনের রেজুলেশন করে মানসিকভাবে চাপে রাখার চেষ্টা করতেন, এইবার আবার চেয়ারম্যান হবার পর তিনি একই প্রক্রিয়া চালু রেখেছেন। বিভাগের ক্রয় কমিটি নিজের ইচ্ছেমাফিক গঠন করছেন, এইক্ষেত্রে পূর্বে কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা করেননি। তিনি এইভাবে দিনের পর দিন বিভাগে অনিয়ম করছেন যা বিবেকবান শিক্ষক হিসেবে আমাদের মেনে নেয়া সম্ভব নয়। উপরোক্ত সকল বিষয় বিবেচনায় আমরা বর্তমান চেয়ারম্যান মহোদয়ের তত্ত্বাবধানে কাজ করা নিরাপদ মনে করছি না। আমরা ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের কল্যাণের নিরিখে বর্তমান চেয়ারম্যান মহোদয়ের ওপর অনাস্থা জ্ঞাপন করছি এবং যে সকল অনিয়ম তিনি অদ্যবধি (অতীতে এবং সম্প্রতি) করেছেন তা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণও তাকে এই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য অনুরোধ করছি।

বিনীত নিবেদক,

১. অধ্যাপক ড. মল্লিক আকরাম হোসেন-অধ্যাপক

২. জনাব রিফাত নাসের-সহকারী অধ্যাপক

৩. জনাব হাছিনা আক্তার (শিক্ষা ছুটিতে) (ভূক্তভোগী)-সহকারী অধ্যাপক

৪. জনাব খন্দকার তানভীর হোসেন-সহকারী অধ্যাপক

৫. জনাব শাহানা আক্তার-সহকারী অধ্যাপক

৬. জনাব মোঃ মহিউদ্দিন-সহকারী অধ্যাপক

৭. জনাব ড. নিগার সুলতানা-সহকারী অধ্যাপক

৮. জনাব মোঃ আশ্রাফউদ্দিন-সহকারী অধ্যাপক

৯. জনাব শাহানা সুলতানা-প্রভাষক

১০. জনাব সামিনা বেগম-প্রভাষক

শিক্ষা ছুটিতে থাকা নিমোক্ত শিক্ষকবৃন্দ আবেদনপত্রের বিষয়ের সাথে সহমত পোষণ করায় তাদের নাম আলাদাভাবে সংযুক্ত করা হলো


১. জনাব সৈয়দা ইসরাত নাজিয়া-সহযোগী অধ্যাপক

২. জনাব নাজমুন নাহার-সহকারী অধ্যাপক

৩. জনাব শবনম শারমিন লুনা-সহকারী অধ্যাপক

৪. জনাব রিফফাত মাহমুদ-প্রভাষক

দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/এফএইচ/mmh


আরও সংবাদ   বিষয়:  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়   ড. মনিরুজ্জামান  




আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা
দেশে করোনায় মৃত্যু ৩২, আক্রান্ত ২২৩০
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এফ. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : এম. এ হান্নান
যুগ্ম-সম্পাদক : মোহাম্মদ রুবাইয়াত আনোয়ার
যোগাযোগ
টেলিফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
সেলফোন : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft
logo
up