ঢাকা, বাংলাদেশ || বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০ || ১৩ কার্তিক ১৪২৭
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ দ্রুত হাওয়া পাল্টাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে! ■ ইরফানের নামে আরো মামলা হচ্ছে ■ ইতালিতে ব্যাপক বিক্ষোভ-সংঘর্ষ ■ নির্বাচন নিয়ে তৎপর ট্রাম্প ও বাইডেন ■ নাগরিকদের সতর্ক করে ফ্রান্সের বিশেষ বার্তা ■ গাড়িসহ উড়ে গেল কারাবাখের প্রতিরক্ষামন্ত্রী (ভিডিও) ■ ওয়ার্ড কমিশনার ইরফান সেলিম বরখাস্ত ■ ইরফানকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিতে চায় পুলিশ ■ ৩ দিনের রিমান্ডে ইরফান সেলিমের সহকারী দিপু ■ দেশে করোনায় আরো মৃত্যু ২০, আক্রান্ত ১৩৩৫ ■ ইরফানকে শিগগিরই বরখাস্ত করা হবে ■ ৬ জনের ১০, ৪ জনের ৫ ও ১ জনের তিন বছরের কারাদণ্ড
পিইসি পরীক্ষা নিতে আলাদা বোর্ড
দেশসংবাদ, ঢাকা
Published : Friday, 11 September, 2020 at 10:44 PM, Update: 12.09.2020 9:37:04 AM
Zoom In Zoom Out Original Text

পিইসি পরীক্ষা

পিইসি পরীক্ষা

পঞ্চম শ্রেণির পাবলিক পরীক্ষার (পিইসি) আয়োজন নিয়ে আছে বিতর্ক, আছে অভিভাবকদের ক্ষোভও। এসব সত্ত্বেও পরীক্ষা হচ্ছে, এবার যাবতীয় প্রক্রিয়া একই ছাতার নিচে আনতে পৃথক ‘প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড’ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এতদিন যা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে।

পরীক্ষার মাধ্যমে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ বাড়ছে, এ বিষয়ে নতুন করে ভাববার পরামর্শও দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অন্যদিকে শিক্ষাবিদরা বলছেন, পঞ্চম শ্রেণির পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের ওপর শুধু মানসিক চাপ তৈরি করছে না, তাদের মধ্যে ভীতির সঞ্চারও ঘটাচ্ছে। সৃজনশীল মেধা বিকাশের পরিবর্তে তাদের অসুস্থ প্রতিযোগিতার মধ্যে নিক্ষেপ করা হচ্ছে। পিইসি পরীক্ষা রাখা উচিত কি-না, তা নিয়ে যেখানে নতুন করে ভাবা দরকার; সেখানে আইনের মাধ্যমে পিইসি পরীক্ষা আয়োজনের জন্য পৃথক বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া জাতীয় শিক্ষানীতির পরিপন্থী।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষার্থীদের জন্য ‘প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড’ স্থাপন হচ্ছে। সাধারণ বোর্ডগুলোর আলোকে ছয়টি ইউনিটে নতুন এ বোর্ড গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বোর্ড পরিচালনায় ‘বোর্ড অব অর্ডিন্যান্স’ বা আইনের খসড়া তৈরি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। এটি মূল্যায়নে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে বোর্ডটির কার্যক্রম শুরু হতে পারে।

সারাদেশে ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রতি বছর ৩০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। শিক্ষা বোর্ড ছাড়া এত অধিকসংখ্যক শিক্ষার্থীর পরীক্ষার আয়োজন এবং ফল প্রকাশের চাপ সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন অধিদফতরের কর্মকর্তারা। পরীক্ষা সামাল দিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অন্য সব কাজ স্থবির হয়ে পড়ছে। এ অবস্থায় ২০২২-২৩ অথবা ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড গঠন করতে চায় মন্ত্রণালয়। এর আলোকে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের জন্য বোর্ড গঠনের একটি খসড়া আইন তৈরি করা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের খসড়া আইনে দেখা গেছে, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আলোকে প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। নতুন এ শিক্ষা বোর্ডের কার্যক্রম পরিচালনায় প্রধান ছয়টি ইউনিট রাখা হয়েছে। এর মধ্যে চেয়ারম্যান দফতর, সচিব দফতর, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শাখা, বিদ্যালয় পরিচালনা শাখা, সিস্টেম অ্যানালিস্ট ও মনিটরিং সেল এবং হিসাব শাখা রয়েছে। এসব বিভাগে মোট ১২ কর্মকর্তার পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। বোর্ডের সর্বোপরি ক্ষমতা চেয়ারম্যানকে দেয়া হয়েছে। সচিব প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের অধীনে পরীক্ষা আয়োজন, খাতা মূল্যায়ন এবং ফল প্রকাশের দায়িত্ব থাকছে।

জানতে চাইলে ডিপিই’র সাবেক মহাপরিচালক ও খসড়া আইন প্রণয়ন পরামর্শক শ্যামল কান্তি ঘোষ  বলেন, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আলোকে প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের আইন তৈরি করা হয়েছে। এ বোর্ডের মাধ্যমে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন, সমাপনী পরীক্ষার আয়োজন ও ফল প্রকাশ এবং বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনসহ নানা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বর্তমানে এসব কাজ অধিদফতর থেকে করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ইতোমধ্যে নতুন এ বোর্ড পরিচালনায় খসড়া আইন তৈরি হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এটা পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে মূল্যায়ন শেষে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর কিছু কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসতে পারে।

ডিপিই সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ থাকলেও পরীক্ষা বাতিল হচ্ছে না। কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষার পাশাপাশি যাবতীয় প্রক্রিয়া এক ছাতার নিচে আনার চেষ্টা চলছে। এরই অংশ হিসেবে পৃথক ‘প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড’ গঠন এবং এটা কীভাবে কার্যকর করা যায় তা নিয়ে কাজ করছেন কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা বাতিলের পরিকল্পনা আপাতত নেই। এ পরীক্ষা আরও যুগোপযোগী করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এজন্য একটি পৃথক শিক্ষা বোর্ড তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। বোর্ড তৈরি হয়ে গেলে এর মাধ্যমে প্রতি বছর সমাপনী পরীক্ষার আয়োজন ও ফল প্রকাশ করা হবে।

জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড গঠনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির পক্ষ থেকে সুপারিশ আসার পরই খসড়া আইন তৈরির কাজ শুরু হয়। সংসদীয় কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ৩০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীর পরীক্ষার জন্য কোনো বোর্ড না থাকা শিক্ষার মানের জন্য সুখকর নয়। সেজন্য দ্রুত বিষয়টিতে নজর দেয়া দরকার। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজের গতি না থাকায় জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না বলেও সংসদীয় কমিটি মত দেয়। কমিটি শিক্ষার মান বাড়াতে মন্ত্রণালয়কে তাদের কাজে গতিশীল হওয়ারও সুপারিশ করে। এর পরপরই অধিদফতর শিক্ষা বোর্ড গঠনে একটি প্রস্তাব পাঠালে নীতিগতভাবে অনুমোদন দেয় মন্ত্রণালয়।

পৃথক শিক্ষা বোর্ড গঠনের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, প্রতি বছর পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষার আয়োজন করতে হয়। কিন্তু এ সংক্রান্ত কোনো বোর্ড নেই। তাই প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড গঠনে আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে এটি মূল্যায়নে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চূড়ান্ত অনুমোদনের পর ঢাকার মধ্যে সুবিধা মতো একটি স্থানে শিক্ষা বোর্ডের কার্যক্রম শুরু হবে। বোর্ডের মাধ্যমে প্রতি বছর পঞ্চম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন, পরীক্ষার আয়োজন, ফল প্রকাশসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। শিক্ষা বোর্ড না থাকায় বর্তমানে সবকিছু অধিদফতরের অধীন পরিচালিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, ‘আমরা আইনের খসড়া তৈরির জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে বলেছিলাম, তারা সেটি পাঠিয়েছে। বর্তমানে তা মূল্যায়ন এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য কাজ শেষে দ্রুত ক্যাবিনেটে (মন্ত্রিপরিষদ) পাঠাব। ক্যাবিনেটের অনুমোদনের পর আইন মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনসাপেক্ষে আগামী দুই বছরের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য আলাদা বোর্ডের কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।

এদিকে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিয়ে তাদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করা হচ্ছে’— এমন মন্তব্য করে প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড স্থাপনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক একরামুল হক। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের এ স্তরে পরীক্ষা নিয়ে তাদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করা হচ্ছে। মূলত এটির মাধ্যমে নোট-গাইড বই বিক্রি এবং শিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়েছে। পরীক্ষাটি পুরোদমে বাণিজ্যিকীকরণ হয়ে গেছে। দ্রুত পঞ্চম শ্রেণির পাবলিক পরীক্ষা বাতিল করা প্রয়োজন। সেখানে পরীক্ষা নেয়ার জন্য শিক্ষা বোর্ড স্থাপন অযৌক্তিক বলে মনে করি।’

শিক্ষানীতির দোহাই দিয়ে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষার আয়োজন এবং সার্টিফিকেট বিতরণের কথা বলা হচ্ছে। প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার আয়োজন করা হচ্ছে। একসময় পঞ্চম শ্রেণিতে পাস করা ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হতো। শতভাগ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করতে বলা হয়েছিল শিক্ষানীতিতে। এজন্য উপজেলাভিত্তিক অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা গ্রহণ এবং পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি প্রদান করতে বলা হয়েছিল। কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা নেয়াটা শিক্ষানীতির বহির্ভূত’— বলেন এ শিক্ষাবিদ।

পরীক্ষা নির্ভর শিক্ষাই জাতির সর্বনাশ ডেকে আনছে’ উল্লেখ করে প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক বলেন, ‘শিক্ষার প্রায়োগিক ক্ষেত্র সংকুচিত করা হয়েছে নির্মমভাবে। শিক্ষার বাণিজ্য এবং বাণিজ্যিক শিক্ষা মানুষের মুক্তি দিতে পারে না। করোনা মহামারি তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। আমরা বিকল্প শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারিনি। পরীক্ষানির্ভর শিক্ষার কারণেই আমাদের থমকে যেতে হয়েছে। চাইলে অনেক পরীক্ষাই স্থায়ীভাবে বাতিল করা সম্ভব।’

জানতে চাইলে গণশিক্ষা অভিযানের পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা পরীক্ষাকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। এতে কোচিং বাণিজ্য, গাইড বাণিজ্য বাড়ার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ওপর অধিক চাপ তৈরি হচ্ছে। এটি বন্ধ করতে হলে জাতীয় শিক্ষানীতি- ২০১০ এর আলোকে সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে হবে।

তার মতে, ‘যেখানে পঞ্চম শ্রেণির পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের চাপ তৈরি করছে, এটি রাখা উচিত কি-না, তা নতুন করে ভাবা দরকার বলে মনে করেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী; সেখানে তড়িঘড়ি করে একটি আইন তৈরি করে প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া জাতীয় শিক্ষানীতির অন্তরায়। এভাবে শিক্ষার মান বাড়ানো সম্ভব নয়।

কেন্দ্রীয়ভাবে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠানের বিষয়ে অভিভাবকদের অসন্তোষ এবং শিক্ষাবিদদের পরীক্ষা বাতিলের অভিমত প্রসঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, ‘পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী-ইবতেদায়ী পরীক্ষা বাতিলের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বরং সরকারি সিদ্ধান্তে এ পরীক্ষা নিয়মিত আয়োজন করতে অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের মতো প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড গঠনের কাজ শুরু হয়েছে। বোর্ডের মাধ্যমে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষার আয়োজন ও ফল প্রকাশসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

দেশসংবাদ/জেএন/এসআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  পিইসি পরীক্ষা   শেখ হাসিনা   শিক্ষা অধিদফতর  




আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা আপডেট
দেশে করোনায় আরো মৃত্যু ২০, আক্রান্ত ১৩৩৫
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এফ. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : এম. এ হান্নান
যুগ্ম-সম্পাদক : মোহাম্মদ রুবাইয়াত আনোয়ার
যোগাযোগ
টেলিফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
সেলফোন : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft
logo
up