সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১ || ১১ শ্রাবণ ১৪২৮
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ হাসপাতালে ভর্তি আরও ১২৩ ডেঙ্গু রোগী ■ ৪র্থ দিনে রাজধানীতে গ্রেফতার ৫৬৬ ■ ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড ■ ইন্টারভিউ ছাড়াই ৮ হাজার ডাক্তার-নার্স নিয়োগ ■ দেশে নতুন করে ৩ উপজেলা ঘোষণা ■ ওয়ার্ড-ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকা কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ ■ খুলনা বিভাগে আরও ৪৬ জনের মৃত্যু ■ সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচন স্থগিত ■ রাজশাহী মেডিকেলে আরও ১৭ মৃত্যু ■ করোনার নতুন হটস্পট ১১ জেলা ■ খুলনায় আরও ১৮ জনের মৃত্যু ■ কুষ্টিয়ায় আরও ১২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২২৩
প্রতি ৬ সেকেন্ডে স্ট্রোক করে একজন মারা যাচ্ছেন
দেশসংবাদ, ঢাকা
Published : Sunday, 25 October, 2020 at 5:36 PM, Update: 25.10.2020 11:30:55 PM
Zoom In Zoom Out Original Text

প্রতি ৬ সেকেন্ডে স্ট্রোক করে একজন মারা যাচ্ছেন

প্রতি ৬ সেকেন্ডে স্ট্রোক করে একজন মারা যাচ্ছেন

সারা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মানুষ পঙ্গু হন স্ট্রোকের কারণে। আর সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয় হার্ট অ্যাটাকে।  সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্ট্রোক।  বিশ্বব্যাপী প্রতি ৪ জনে একজন মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। প্রতি ৬ সেকেন্ডে একজন মানুষের মৃত্যু হচ্ছে স্ট্রোকে। এসব বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়লে স্ট্রোক রোগে আক্রান্তের হার ও মৃত্যু কমে আসবে।  

স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীর জন্য প্রয়োজন দ্রুত চিকিৎসাসেবা। এজন্য হাসপাতালগুলোতে স্ট্রোক ইউনিট চালুর প্রতি গুরুত্ব দেয়া উচিত। বিশেষ করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মতো বড় হাসপাতালেও স্ট্রোকের আলাদা কোনো ইউনিট নেই।  যার ফলে রোগীরা সময়মত সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন। অথচ সময়মতো সেবা পেলে পঙ্গুত্বের হাত থেকে বাঁচতেন সাধারণ মানুষ।

রোববার ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিউরোসার্জারি বিভাগের আতা এলাহী খান মিলনায়তনে আয়োজিত বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের এক কর্মশালায় বক্তারা এসব বিষয় তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হচ্ছে মায়ের মত। এখানে কোনো রোগীকে ফিরিয়ে দেয়া হয় না।  তবে এ হাসপাতালে স্ট্রোক ইউনিট নেই এটা শুনে আমি অবাক হয়েছি।  ‍তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এখন ক্যাথল্যাব চালু হয়েছে। এখান থেকে সাধারন মানুষ বিশ্বমানের সেবা পাবেন। 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বর্তমান পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিনের প্রশংসা করে বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, এই হাসপাতালের প্রভূত উন্নয়নে তিনি ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন।  ব্রিগেডিয়ার নাসির একজন রোগীবান্ধব চিকিৎসক।সামরিকবাহিনীর এ সদস্য অত্যন্ত মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন মানুষ। রোগীদের উপকার হবে এমন অনেক কাজ তিনি এ হাসপাতালের জন্য করেছেন। অন্য পরিচালকদের যেসব বিষয়ে গুরুত্ব বুঝিয়েও আদায় করা যেত না, সেখানে তিনি এই হাসপাতালে ক্যাথল্যাব চালু করেছেন, যার কারণে সাধারণ মানুষ সহজেই স্ট্রোকের সেবা পাবেন। তিনি আরও কিছুদিন থাকলে আমাদের এই হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার অনেক উপকার হতো।  তিনি বিদায় নিতে যাচ্ছেন। নতুন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক এসেছেন, আমরা প্রত্যাশা করি তিনিও এ হাসপাতালের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বর্তমান পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন বলেন, আমি এ হাসপাতালে আরও কিছুদিন আছি। এখানকার কর্মরত চিকিৎসক খুব মিস করব। সাধারণ মানুষের সেবায় এ হাসপাতাল বিশেষ অবদান রেখেছে।  

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন বলেন, আমি এ হাসপাতাল পরিচালনার ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা চাই।  দায়িত্ব সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়াও সাংবাদিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে যেকোনো পরামর্শ আপনারা আমাদের দেবেন।

মেডিকেল সায়েন্সকে এগিয়ে নিতে সবার সহযোগিতা দরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই কোভিডে চিকিৎসকরা নিজেদের জীবনবাজি রেখে কাজ করেছেন।  আমি এই প্রবীণ বয়সে একদিনও হাসপাতালে আসা বাদ দিইনি।  এজন্য চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আরও দায়িত্ববান হওয়ার প্রতি আহ্বান জানান দেশের প্রখ্যাত এ নিউরোসার্জন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. অসীত চন্দ্র সরকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপ্যাল অধ্যাপক ডা. খান আবুল কালাম আজাদ, ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন, ঢামেক হাসপাতালের নতুন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক, ঢামেক হাসপাতালের এনেস্থেশিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. মোজাফফর হোসাইন। ডা. কানিজ ফাতেমা রিফাতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিউরোসার্জারি বিভাগের স্বনামধন্য অধ্যাপক ডা. মো. রাজিউল হক।

এছাড়াও বাংলাদেশে স্ট্রোক রোগীদের নানা তথ্য উপাত্ত তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মেডিকেলের নিউরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. কাজী গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. আহমেদ হোসাইন চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক ডা. মুতাসিম হাসান শিপলু প্রমুখ। 

কর্মশালায় প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সচিত্র তথ্য তুলে ধরেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম ও ডা. মো. সুমন রানা। অনুষ্ঠানে স্ট্রোক নিয়ে একটি বুকলেটের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

দেশসংবাদ/জেএন/এসআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  ঢাকা মেডিকেল   ক্যাথল্যাব   স্ট্রোক  


আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা
২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
সহযোগি সম্পাদক
এনামুল হক ভূঁইয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
এম. এ হান্নান
সহকারি সম্পাদক
মোহাম্মদ রুবাইয়াত আনোয়ার
মেবিন হাসান
যোগাযোগ
টেলিফোন
০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবাইল ফোন
০১৭১৩ ৬০১৭২৯
ইমেইল
[email protected]
ফেসবুক
facebook.com/deshsangbad10

Developed & Maintenance by i2soft
logo
up