মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১ || ২৮ বৈশাখ ১৪২৮
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ এবার টাকায় মিললো করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি ■ ফের লকডাউনে মালয়েশিয়া ■ চাপ বাড়লে ফেরি বাড়ানো হবে ■ বাংলাবাজার-শিমুলিয়া ফেরি চলাচল স্বাভাবিক ■ দেশে ভারত-নেপালের মতো ভয়াবহ অবস্থার আশঙ্কা ■ আমিরাত প্রবেশ করতে পারবে না বাংলাদেশিরা ■ চব্বিশ ঘণ্টায় দেশে ৩৮ মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫১৪ ■ রিমান্ড শেষে কারাগারে মামুনুল-রফিকুল ■ বাড়ছে সোনার দাম, কার্যকর আজই ■ বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ৩৩ লাখ ৬ হাজার ■ শিক্ষার্থীদের জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে করার নির্দেশনা ■ এক ফেরিতে ৩ হাজার যাত্রী পার
তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে সংসদে বিতর্ক
দেশসংবাদ, ঢাকা
Published : Monday, 16 November, 2020 at 10:41 PM, Update: 17.11.2020 11:19:11 AM
Zoom In Zoom Out Original Text

তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে সংসদে বিতর্ক

তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে সংসদে বিতর্ক

তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা নিয়ে সংসদে বিতর্ক করেছে সরকার ও বিরোধী পক্ষ।  বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ অভিযোগ করেন, সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করার মূল উদ্দেশে ছিল সরকারকে সন্তুষ্ট করা।  

জবাবে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, বাংলাদেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থাকে সমুন্নত করার জন্য সেই রায়টি হয়েছিল।  এটা সরকারকে খুশি করার জন্য কোন রায় না।  সোমবার রাতে সংসদে এই বিতর্ক হয় সামুদ্রিক মৎস বিল-২০২০ পাসের সময়। 

বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী। বিলের দফায় সংশোধনী ও জনমত যাচাই-বাছাই করার প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে হারুনুর রশীদ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে কথা তোলেন।
  
সামরিক শাসনামলে জারি করা সমস্ত অধ্যাদেশ বাতিল করা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের যে সমস্ত রায় দেয়া হয়, সমস্ত রায় কি আমরা কার্যকর করি, মানি? 

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে অবজারবেশন দেয়া হয়েছিল, যে রায় দেয়া হয়েছিল সেগুলো কার্যকর করা হয়নি।  সুতরাং রায় দেয়া যায়, ২০১১ সালে সরকারকে সন্তুষ্ট করার জন্য এই রায়টি প্রদান করা হয়েছিল।  অর্থাৎ পঞ্চম এবং সপ্তম সংশোধনী বাতিল করলাম অথচ ওই সময় যে সমস্ত কর্মকাণ্ড আজ পর্যন্ত ওই আইনের দ্বারা চলমান রয়েছে সেগুলোকে কিভাবে বাতিল করব? ওই আইনের কার্যকারিতা কি প্রয়োজন নাই? আজকে ওই সময়ের সমস্ত আইনকে অবৈধ করে দিলেন, তাহলে ওই সময় যে সমস্ত আইন দ্বারা কার্যকর হয়েছে।  আমি সামরিক আইনকে অবৈধ ঘোষণা করলাম কিন্তু ওই সময়ের সমস্ত কর্মকাণ্ড অবৈধ ঘোষণা করল ওই সময় যে সমস্ত আইন দ্বারা কার্যকর সেগুলোর কি হবে?’

জবাবে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘কেয়ারটেকার গভমেন্ট অবজারবেশনকে আমরা মানিনি কেন? এরকম একটা কথা বলতে চেয়েছেন। অবজারবেশনটা কতটুক ছিল? অবজারবেশন কোন ডিসিশন না, আর অবজারবেশনের অপশনটা পার্লামেন্টে দেয়া হয়েছিল পার্লামেন্ট যেটাকে যথার্থ মনে করেছেন, পার্লামেন্ট সে বিষয়টি করেছেন।  সরকারকে খুশি করার জন্য পঞ্চদশ এবং সপ্তদশ সংশোধনী হয়নি।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধান।  যেটাকে প্রায়ই আমরা রেফার করি।  এই সংবিধানের প্রস্তাবনা থেকে শুরু করে অনুচ্ছেদ ১ থেকে শুরু করে শেষ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত কোথাও মার্শাল ল’ নামক কোনো আইন নাই এবং কেউ কাউকে অথরিটি দেয়নি চাকরিতে থাকা অবস্থায় আমি এসে দাঁড়িয়ে বলব- বিসমিল্লাহির রহমানের রাহিম, দেশবাসী আমি দায়িত্ব গ্রহণ করলাম।  আমাদের সংবিধান কী বলছে, যদি রাষ্ট্রপতি না থাকেন উপ রাষ্ট্রপতি আছেন, উপ রাষ্ট্রপতি যদি না থাকেন স্পিকার রয়েছেন।  কে সামরিক শাসকদের সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের অথরিটি দিয়েছিল ক্ষমতা দখল করার? ইউনিফর্ম পরে আমি প্রার্থী আমাকে ভোট দেবেন না, দেবেন না, হ্যাঁ বা না ভোট। কোন কোন জায়গায় নাকি ১০১ শতাংশ ভোট দেয়া হয়েছিল।  এই জাতীয় ত্রুটি নিয়ে যারা আসছেন তাদের লিগ্যাল কোন স্ট্যান্ড না থাকার কারণেই সর্বোচ্চ আদালত সেই রায় দিয়েছেন।  এই রায় সরকারকে খুশি করার জন্য নয়, বাংলাদেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থাকে সমুন্নত করার জন্য সেই রায়টি হয়েছিল। এটা সরকারকে খুশি করার জন্য কোন রায় না।

পরে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, যখন কেউ ক্ষমতায় থাকে তখন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে যথেষ্ট ক্ষমতা দিতে খুব ভাল লাগে।  গৃহ তল্লাশি, বিনা পরোয়ানায় তল্লাশি, সেগুলোতো গুচ্ছ ক্ষমতা, পারলে বিনা বিচারের হত্যার ক্ষমতা, দেখামাত্র গুলি করার ক্ষমতা এগুলো ক্ষমতা দিতে খুব আরাম লাগে। কিন্তু ক্ষমতা থেকে যখন চলে যায়, তখন বোঝা যায় যে এই ধরণের ক্ষমতার ফল কী হতে পারে তা সবারই জানা আছে। 

তিনি বলেন, মোবাইল কোর্টের ব্যাপারে কি ধারণা আমাদের সংবিধান দেয়? বিষয়টি সরকার কেন তড়িঘড়ি করে একটা আপিল দায়ের করল মোবাইলে কোর্টের পক্ষে? যে স্থগিতাদেশ ‘স্টে অর্ডারটা’ গত তিন বছর ধরে ঝুঁলে আছে এটার শুনানি কেন করা যাচ্ছে না।  শুধুমাত্র মোবাইল কোর্টটাকে প্রলম্বিত করার জন্য এবং নির্বাহী বিভাগের হাতে বিচার বিভাগের কিছু ক্ষমতা তুলে দেবার জন্য সরকার মামলাটির শুনানির ব্যাপারে উদ্যোগ এখনো গ্রহণ করছে না।

দেশসংবাদ/জেআর/এসআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  সংসদ   তত্ত্বাবধায়ক সরকার   মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী  


আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা
এবার টাকায় মিললো করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
সহযোগি সম্পাদক
এনামুল হক ভূঁইয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
এম. এ হান্নান
সহকারি সম্পাদক
মোহাম্মদ রুবাইয়াত আনোয়ার
মেবিন হাসান
যোগাযোগ
টেলিফোন
০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবাইল ফোন
০১৭১৩ ৬০১৭২৯
ইমেইল
[email protected]
ফেসবুক
facebook.com/deshsangbad10

Developed & Maintenance by i2soft
logo
up