সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১ || ৬ বৈশাখ ১৪২৮
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ লকডাউনের মেয়াদ ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ল ■ স্বাস্থ্যকর্মীদের আইডি কার্ড ব্যবহার করতে হবে ■ ভারতে ২৪ ঘণ্টায় ২ লাখ ৭৩ হাজার আক্রান্ত ■ লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ■ নারায়ণগঞ্জে জামায়াতের আমিরসহ গ্রেফতার ৩ ■ সাত দিনের রিমান্ডে মামুনুল হক ■ খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি ■ আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৩০ লাখ ■ নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা ■ ডিবি কার্যালয়ে মামুনুল হক ■ ম্যাজিস্ট্রেট-পুলিশ-ডাক্তার তুমুল বাকবিতণ্ডা, ভিডিও ভাইরাল ■ মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ১৭ মামলা
হাইকোর্টের নির্দেশ পেলে আল জাজিরার সম্প্রচার বন্ধ
দেশসংবাদ, চট্টগ্রাম
Published : Friday, 12 February, 2021 at 11:50 PM, Update: 13.02.2021 10:48:16 AM
Zoom In Zoom Out Original Text

ড. হাছান মাহমুদ

ড. হাছান মাহমুদ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আমরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। তবে হাইকোর্ট যদি আল জাজিরা বন্ধে নির্দেশ দেয়, তবে আদালতের নির্দেশনা আমাদের মানতে হবে। সেক্ষেত্রে আল জাজিরার সম্প্রচার বন্ধ করা হবে।

শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তথ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম নগরের বাসায় সমসাময়িক বিষয় নিয়ে ব্রিফিং করেন। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল- ‘হাইকোর্ট তথ্য মন্ত্রণালয়কে আল জাজিরার প্রতিবেদন ইউটিউব এবং ফেসবুকসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে বাদ দেয়ার জন্য বলেছিলেন, কিন্তু আপনারা এটি বাদ দিচ্ছেন না কেন?’ এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা চাইলে আল জাজিরার সম্প্রচার আমাদের দেশে বন্ধ করতে পারতাম। অনেক দেশে বন্ধ করা হয়েছে এবং বন্ধ রয়েছে। এমনকি ভারতেও কিছুদিনের জন্য বন্ধ ছিল। এখনও ৬-৭টি দেশে আলজাজিরার সম্প্রচার বন্ধ আছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার যেহেতু গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে, এজন্য আমরা সেই উদ্যোগ (বন্ধের সিদ্ধান্ত) নেইনি।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাধীনতার যেমন দরকার, দায়িত্বশীলতারও প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতা মানে এই নয় যে ভুল, মিথ্যা, পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, অপরের স্বাধীনতা হরণ করে এমন সংবাদ পরিবেশন করা হবে। এটা কোনোভাবেই সমীচীন নয়। আল জাজিরার রিপোর্ট একটি মিথ্যা বানোয়াট। কিছু কাট-পেস্ট করে রিপোর্টটি প্রকাশ করা হয়েছে। এটি ব্যক্তিগত আক্রোশের বশঃবর্তী হয়ে রিপোর্টটি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিএনপি নেতাদের টিকাগ্রহণ প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতারা করোনা টিকা নিয়ে অনেক অপপ্রচার চালিয়েছেন। তারা প্রথমে বলেছে- সরকার টিকা সময়মতো আনতে পারবে না। যখন সময়মতো টিকা চলে এলো, তখন বললেন- এটি নিলে কোনো কাজ হবে না। এই টিকা দিয়ে বিএনপি নেতাদের মেরে ফেলতে চাচ্ছেন। এ ধরণের কথাও বলেছেন তারা।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, নানা ধরণের প্রশ্ন তুলে, দায়িত্বহীন অনেক কথা বলে শেষ পর্যন্ত বিএনপির অনেক নেতা করোনা টিকা নিয়েছেন এবং নেয়ার পক্ষে কথাও বলেছেন। সেজন্য তাদেরকে সাধুবাদ জানাই। কথায় আছে না ‘গাধা জল ঘোলা করে খায়’। টিকা নেয়ার ক্ষেত্রে বিএনপির ভূমিকাও সে রকমই।

তিনি বলেন, আমরা চাই- তারা (বিএনপি নেতারা) টিকা নিয়ে সুস্থ ও সবল থাকুক। তারা বিরোধী দল, বিরোধীতার ভূমিকায় তারা আছেন। আজীবন আমাদের বিরোধীতা করুক।

জিয়াউর রহমানের খেতাব প্রত্যাহার প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়াউর রহমানের ভূমিকা আসলে কি ছিল সেটি নিয়ে নানা প্রশ্ন আছে। মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মাবরণে তিনি প্রকৃতপক্ষে পাকিস্তানের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছিলেন। তার খেতাব বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তো হয়নি এখনও। এটা নিয়ে জামুকাতে আলোচনা হয়েছে মাত্র।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি তো বিরোধী দল, তারা বিক্ষোভ করতেই পারে। কিন্তু চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনসহ অন্যান্য যে সমস্ত ইস্যুতে তারা বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছেন, তা হাস্যকর।

হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ কিংবা পার্শ্ববর্তী দেশে যে ধরণের স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়, সেই নিরিখে চট্টগ্রাম সিটিতে একটা ভাল নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও কার্যত মাঠে ছিল না। ভোটের দিন তাদের কাউকে দেখা যায়নি।

তথ্যমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে বিএনপির মহাসচিব কি চট্টগ্রাম এসেছিলেন? তিনি কি নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছিলেন? একটা মিটিং করেছেন? অথচ তাদেরতো প্রচারণা চালাতে কোনো অসুবিধা ছিল না।

হাছান মাহমুদ বলেন, নির্বাচন কমিশনের নানা বাধ্যবাধকতার কারণে আমাদের দলের এমপি এবং মন্ত্রীদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা ছিল। মির্জা ফখরুল সাহেবসহ তাদের দলের নোতারা যারা প্রতিদিন নয়াপল্টনে কথা বলেন, তাদেরতো কোনো সমস্যা ছিল না। তারা কিন্তু আসেনি। অর্থাৎ তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে, কিন্তু মাঠে ছিল না, এটি তাদের ব্যর্থতা এবং দলীয় দুর্বলতা। এ কারণেই চট্টগ্রাম সিটিতে তারা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৯৪ সালে আমাদের প্রয়াত নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। তখন থেকেই বিএনপির পরাজয় শুরু। মাঝখানে একবার আওয়ামী লীগ থেকে মঞ্জুরুল আলম মঞ্জুকে হায়ার করে নিয়ে গিয়ে তারা জয় লাভ করেছিল। তারা কখনই এই শহরে জয়লাভ করেনি, বরাবরই আওয়ামী লীগই জয়লাভ করেছে। কারণ এটি আওয়ামী লীগের ঘাঁটি। সুতরাং এ নিয়ে বিক্ষোভ করে কোনো লাভ নেই।

দেশসংবাদ/জেএন/এফবি/mmh


আরও সংবাদ   বিষয়:  আল জাজিরা   ড. হাছান মাহমুদ  


আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা
ভারতে ২৪ ঘণ্টায় ২ লাখ ৭৩ হাজার আক্রান্ত
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : এম. এ হান্নান
যুগ্ম-সম্পাদক
মোহাম্মদ রুবাইয়াত আনোয়ার
মেবিন হাসান
যোগাযোগ
টেলিফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
সেলফোন : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft
logo
up