সোমবার, ১০ মে ২০২১ || ২৭ বৈশাখ ১৪২৮
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ শিক্ষার্থীদের জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে করার নির্দেশনা ■ এক ফেরিতে ৩ হাজার যাত্রী পার ■ মমতার নতুন মন্ত্রিসভায় ৭ মুসলিম ■ রাশিয়া থেকে আসছে এক কোটি টিকা ■ যুক্তরাষ্ট্রে ৬ জনকে গুলি করে হত্যা ■ হেফাজতের অর্থায়নে যাদের নাম ■ মমতার নতুন মন্ত্রিসভায় যাদের নাম ■ মাওয়ায় স্পীড বোট দুর্ঘটনা মামলার আসামী আটক ■ ভ্যাকসিনের জন্য জোর প্রচেষ্টার সুপারিশ ■ করোনার ভারতীয় ধরন থেকে সতর্ক থাকতে হবে ■ দেশে করোনায় আরও ৫৬ জনের মৃত্যু ■ বিদেশে যেতে পারবেন না খালেদা জিয়া
করোনার চেয়ে ৪ গুণ বেশি মৃত্যু হচ্ছে যক্ষ্মায়
দেশসংবাদ, ঢাকা
Published : Tuesday, 9 March, 2021 at 10:41 PM, Update: 10.03.2021 11:26:35 AM
Zoom In Zoom Out Original Text

যক্ষ্মায় করোনার চেয়ে ৪ গুণ বেশি মৃত্যু হচ্ছে

যক্ষ্মায় করোনার চেয়ে ৪ গুণ বেশি মৃত্যু হচ্ছে

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা ভাইরাস গত এক বছরে মৃত্যু হয়েছে সাড়ে আট হাজার। অন্যদিকে গত বছরে যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৬ হাজারের বেশি মানুষের।

সেই হিসাবে গত বছরে করোনায় মৃত্যুর চেয়ে যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হয়ে চার গুণ বেশি রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তাই কোনো রোগকে অবহেলা করা যাবে না, বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বুধবার (৯ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে বছরব্যাপী যক্ষ্মা সচেতনতা কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে বিশ্ব বিপর্যস্ত। গত নয় বছরে যেটুকু এগিয়ে ছিল, এক বছরেই ১০ বছর বিশ্বকে পিছিয়ে দিয়েছে। স্বাস্থ্যখাতকে অবেহলা করে কোনোমতে এগোনো সম্ভব নয়। এই খাতে আরও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে হবে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যখাত ঠিক না থাকলে অর্থনীতি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বে ১২ ট্রিলিয়ন ডলার, বাংলাদেশে ১২ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে।

জাহিদ মালেক বলেন, যক্ষ্মা এমন একটি রোগ, যা সারা বিশ্বে আছে। বাংলাদেশে এখনও অনেক রোগী শনাক্তের বাইরে আছে। এদের পরীক্ষার আওতায় এনে চিকিৎসা দিলে দেশকে যক্ষ্মামুক্ত করা যাবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য উল্লেখ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির পরিচালক অধ্যাপক ডা. সামিউল ইসলাম বলেন, বিশ্বের ৩০টি দেশে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা সর্বাধিক। এর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। ২০২০ সালে বাংলাদেশে নতুন রোগীর সংখ্যা দুই লাখ ৯২ হাজার ৯৪০ জন। ২০১০ সালে বাংলাদেশে যক্ষ্মা রোগে আনুমানিক মৃত্যু ছিল প্রতি লাখে ৫৪ জন, যা ২০২০ সালে ২৪ জনে এসে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসায় ভালো হয়েছে ৯৬ শতাংশ রোগী। এমনকি চিকিৎসার মাধ্যমে গত ১০ বছরে প্রায় ১০ লাখ মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, যক্ষ্মা শরীরের একটি মাত্র অঙ্গের রোগ নয়। শরীরের যেকোনো জায়গায় যক্ষ্মা হয়তো হতে পারে। সে ব্যাপারে দেশের জনগণকে সচেতন করার দায়িত্ব আমাদের। যক্ষ্মার ওষুধ খেলে যক্ষ্মা ভালো হয়ে যায়। ২০৩৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে যক্ষ্মা নির্মূল করতে বছরব্যাপী এই কর্মসূচি চলবে।

‘যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ, বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি তৌফিক মারুফ, অভিনেত্রী ত্রপা মজুমদার, মীরা দত্ত প্রমুখ।

দেশসংবাদ/বার্তা/এসআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক   বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা   যক্ষ্মা  


আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা
রাশিয়া থেকে আসছে এক কোটি টিকা
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
সহযোগি সম্পাদক
এনামুল হক ভূঁইয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
এম. এ হান্নান
সহকারি সম্পাদক
মোহাম্মদ রুবাইয়াত আনোয়ার
মেবিন হাসান
যোগাযোগ
টেলিফোন
০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবাইল ফোন
০১৭১৩ ৬০১৭২৯
ইমেইল
[email protected]
ফেসবুক
facebook.com/deshsangbad10

Developed & Maintenance by i2soft
logo
up