শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১ || ৩১ বৈশাখ ১৪২৮
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■  হেফাজত নেতাকর্মীদের মুক্তি চাইলেন বাবুনগরী ■ মুহুর্মুহু বোমা বর্ষণে ৮৩ ফিলিস্তিনি নিহত ■  চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ ■ বিত্তবানদেরকে অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান ■ ২৩ মে পর্যন্ত বাড়ছে লকডাউন ■ দেশবাসীকে রাষ্ট্রপতির ঈদ শুভেচ্ছা ■ লকডাউনে বিচারিক ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ ■ ২৪ ঘণ্টায় ৩১ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৯০ ■ ঈদের জামাতে মানতে হবে যেসব শর্ত ■ সব কষ্ট নিম্ন-মধ্যবিত্তদের ■ বিএনপির কাছ থেকে কোন জবাব পাচ্ছি না ■  বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ের রেকর্ড
করোনাকালীন কেমন ছিল পর্তুগালে বাংলাদেশীদের জীবন?
মোঃ রাসেল আহম্মেদ, লিসবন (পর্তুগাল)
Published : Monday, 3 May, 2021 at 5:22 PM, Update: 03.05.2021 10:49:31 PM
Zoom In Zoom Out Original Text

করোনাকালীন কেমন ছিল পর্তুগালে বাংলাদেশীদের জীবন?

করোনাকালীন কেমন ছিল পর্তুগালে বাংলাদেশীদের জীবন?

দীর্ঘদিনের লকডাউন ও জরুরি অবস্থা থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছে লিসবন সহ সমগ্র পর্তুগাল। দ্বিতীয় ধাপের লকডাউন ১লা মে থেকে অনেকটাই শিথিল হয়ে স্বাভাবিক কাজকর্ম, অফিস আদালত, ব্যবসা বানিজ্য ও জীবনযাপন শুরু হয়েছে। খুলছে স্পেনের সাথে বন্ধ থাকা সীমান্ত ও অনেক দেশের সাথে সরাসরি বিমান যোগাযোগ। সবকিছু মিলিয়ে নতুন এক সম্ভাবনার দিন গুনছে পর্তুগালের স্থানীয় সহ বিপুল সংখ্যক অভিবাসী কমিউনিটি।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে পর্তুগীজ সরকার ১৮ মার্চ থেকে প্রথম লকডাউন ঘোষণা করে। ফলে বন্ধ হয়ে যায় পর্যটন সহ বেশীরভাগ ব্যবসা বানিজ্য ও কাজকর্ম, শুধুমাত্র জরুরি খাদ্য পন্য ও সেবা ব্যাতিত। দীর্ঘদিন থেকে বাংলাদেশ কমিউনিটি লিসবন সহ সমগ্র পর্তুগালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে পর্যটন শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজের সঙ্গে জড়িত। বিশেষ করে সুভিনিয়ার ব্যবসা এবং হোটেল ও রেস্টুরেন্টে। তাই প্রথম ধাপে লকডাউনে এসব ব্যবসা ও কাজকর্ম স্থবির হয়ে যায়।

গতবছরের ২রা মে থেকে যদিও লকডাউন প্রত্যাহার করা হয় তথাপি ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা, স্থানীয় ভাবে বিভিন্ন বিধিনিষেধের ফলে অনেকে প্রতিষ্ঠান পূনরায় খুলতেই পারে নাই অথবা যারা খুলেছিলেন আশানুরূপ সাড়া না পেয়ে এক পর্যায়ে বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন। আর যারা কাজ করছিলেন তারা পূনরায় কাজে যোগ দেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। কিছু কিছু কোম্পানি ও তাদের কর্মীরা লে-অফের সুবিধা পেলেও বেশীরভাগ কর্মী ছিল সেই সুবিধার বাহিরে।

এই প্রসঙ্গে পর্তুগালের ক্ষমতাসীন দলের নেতা ও পর্তুগাল বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ এসোসিয়েশান এর সভাপতি রানা তাসলিম উদ্দিন জানান, দীর্ঘ ১৩ মাসের টানা জরুরী অবস্থার পর ১ মে থেকে পর্তুগাল সরকার লকডাউন তুলে নিয়েছে। এই ১৩ মাসে কমিউনিটির মানুষ তাঁদের ব্যবসা বিনিজ্য ও পেশাগত ভাবে বিপুলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সরকারের ঘোষিত বিভিন্ন প্যাকেজের মাধ্যমে নানাবিধ সুবিধা অনেকেই পেয়েছেন আবার নিয়মের বহির্ভূত অবস্থায় থাকার কারনে এই সুবিধা থেকে অনেকেই বঞ্চিত হয়েছেন।

আমাদের লোকাল অনেক সংগঠনের মাধ্যমেও অনেকে সহায়তা পেয়েছেন। আমি মনে করি পর্তুগালের বাংলাদেশীরা অতটা সুবিধা বঞ্চিত হননি। এর কারন হিসেবে বলতে পারি, যারা চাকুরীজীবী ছিলেন তাঁরা ঠিকই তাঁদের বেতন পেয়েছেন আবার অনেকে লে অফ পেয়েছেন। শুধু ব্যবসায়ীরা বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কারন দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অনেক মালিকই ভাড়া কমান নি বা অর্ধেক করেছেন ভাড়া। এছাড়া, আমাদের অনেক ব্যবসায়ী মিনি মার্কেট ব্যবসায়ী। আর এরা এই জরুরী অবস্থায় বেশ ভালো ব্যবসা করেছেন বলে জানা যায়।

সব কিছু মিলিয়ে আমাদের হাতে গোনা কিছু মানুষ ছাড়া বাকী সব মানুষ ভালোই ছিলেন বা ভালো আছেন। আমাদের এই হিসেব অনেক সময় সঠিক নাও হতে পারে। এর মুল কারন আমাদের দেশের মানুষ সহজে কারো কাছে হাত পাতেন না বা সরকারী ও অন্যান্য কোনও সংস্থা থেকেও কোন সাহায্য নিতে চান না। এই হিসেবে সমস্যা জনিত মানুষদের আসল পরিসংখ্যান পাওয়া বেশ দুষ্কর। তবে মোটের উপর আমি বলতে পারি আমাদের লোকেরা ভালোই আছেন আর এখন লকডাউন তুলে নেয়ার কারনে অনেকে আশাবাদি অল্প সময়ের মধ্যে সবাই তাঁদের সঙ্কট মকাবেলা করতে পারবেন।

আমরা জানি ইউরোপ হলো সামার ভিত্তিক ব্যবসা বানিজ্য এবং বেশির ভাগ অর্থনৈতিক কাজকর্ম সম্পাদন হয়ে থাকে এই সময়েই। ব্যবসা বানিজ্য ও কাজকর্ম বিশেষ করে পর্যটন শিল্পে বছরে ৮/৯ মাস কাজ থাকে। এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত কাজের চাহিদা বেশী থাকে এবং অন্য মাস গুলো বাংলাদেশী সহ অনন্য দেশের অভিবাসীরা ছুটি কাটাতে স্ব স্ব দেশ বা বিভিন্ন দেশে পরিবার বন্ধু বান্ধব এবং আত্মীয় স্বজনের সাথে সময় কাটান।

অনেকেই আছেন ২০১৯ সালের অক্টোবর মাস থেকে এখন পর্যন্ত বেকার কারন সেই সময়ে ঐ বছরের সামার শেষ হলে বিপুল পরিমাণ অভিবাসী যারা পর্যটন শিল্প এবং আবাসিক হোটেল বা রেস্টুরেন্টের সাথে যুক্ত ছিলেন তারা বেকার এবং পরবর্তী বছরের মার্চ/এপ্রিল পূনরায় কাজে যোগ দেওয়ার অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু তাদের সেই অপেক্ষা আর শেষ হয় না এবং তা দীর্ঘায়িত হতে হতে দুই বছর হতে চলেছে।

এখানে বাংলাদেশী উদ্যোক্তাদের বেশীরভাগ ছিলেন পর্তুগীজ সুভিনিয়ার ব্যবসায়ের সাথে জড়িত ফলে পর্যটক শূন্য পর্তুগালে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ের একটি এটি। বিগত দেড় বছরে এই খাতের বেশীরভাগ ব্যবসায়ী পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। যারা টিকে থাকার চেষ্টা করছেন তারাও পড়েছেন বিপুল পরিমাণ ধার দেনায়। বেশীরভাগ ব্যবসায়ী সময় মত পরিশোধ করতে পারছেন না দোকান ভাড়া সহ অনন্য খরচ। তাই এই খাতে অনেকে ব্যবসা গুটিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

এক সময়ে শুধুমাত্র লিসবন ডাউনটাউনে প্রায় ২ হাজারের বেশী বাংলাদেশী সুবিনিয়র শপ ছিল যার বেশীরভাগ এখন বন্ধ। যদিও ১লা মে থেকে পর্তুগালে অনেকটা স্বাভাবিক জীবন যাপন শুরু হয়েছে তথাপি কবে নাগাদ আবার সব কিছু পূর্বের ন্যায় স্বাভাবিক হয় তা কেউ বলতে পারছেন না। আবার অনেকে আশঙ্কা করছে হয়তো পরিস্থিতি কখনোই আর আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না। তাই এই খাতের ব্যবসায়ীর চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন।

এই প্রসঙ্গে কথা হলে বাংলাদেশ কমিউনিটি অব ফোর্তোর সভাপতি জনাব শাহ আলম কাজল বলেন, পর্তুগাল করোনা পরিস্থিতিতে সবার মত প্রবাসী বাংলাদেশীদের ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যায় এবং অনেক প্রবাসী চাকরি হারিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করেন, পর্তূগীজ সরকার, বাংলাদেশ দূতাবাস এবং বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে কিছু সহযোগিতা করা হয় যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল ছিল। বর্তমানে লকডাউন উঠে দেওয়ায় সবার মত প্রবাসী বাংলাদেশীরা নতুন আশায় বুক বেঁধে ভালো দিনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন।

গতবছর প্রথম লকডাউন শুরু হলে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশী অভিবাসী বিভিন্ন এ্যাপ ভিত্তিক ডেলিভারিতে সংযুক্ত হয় বিশেষ করে সাইকেল ও মোটরসাইকেলের মাধ্যমে। তাছাড়া অনেকেই রাইড শেয়ারিং সেবায় যুক্ত হন। লকডাউন ও বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপের ফলে এবং করোনার ভয়াল থাবা থেকে মুক্ত থাকার জন্য বেশীরভাগ মানুষ ঘরে বসে খাবার ও পন্য পেতে বেশী সাচ্ছন্দ্য করতেন। ফলে এই সেবার যথেষ্ট চাহিদা তৈরি হয় এবং বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশী তরুণ এই সেবার সাথে যুক্ত হয়ে ভাল উপার্জন করেছে।

সবকিছু স্বাভাবিক হওয়ার ফলে এবং মানুষের দীর্ঘদিন ঘরে বন্দি দশা থেকে মুক্তি লাভের কারনে সকলে এখন খোলা জায়গায় বা বাহিরে বন্ধু বান্ধব অথবা সমুদ্র সৈকতে বেশী পাড়ি জমাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এই সেবার চাহিদা কিছুটা ভাটা লক্ষ করা যাচ্ছে ফলে অনেক বাংলাদেশী অভিবাসীকে পূনরায় তাদের পূর্বের পেশা অথবা অন্য কোন কিছুতে সংযুক্ত হতে হবে বলে মনে করেন অনেকেই।

লকডাউনের সময়ে যারা এখানে মিনি মারকাডো বা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন তারা ও বেশ ভাল করেছে। এই সময়ে মানুষ দূরদূরান্তে মানুষ সুপার শপে না গিয়ে ঘরের পাশে ছোট ছোট গ্রোসারি শপ গুলো থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহ করেছে। ফলে তাদের ব্যবসা কয়েকগুণ বেড়ে যায় এবং নতুন নতুন অনেক প্রতিষ্ঠান ঘরে উঠে এই সময়ে। সল্প পুঁজিতে এবং কম সময়ে এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শুরু করা যায় যার কারনে লিসবন সহ বিভিন্ন শহরে তা চোখে পড়ার মত এখন।

বিগত এক বছরের বেশী সময় বাংলাদেশী খাবারের রেস্টুরেন্ট গুলো অনেকটা চ্যালেঞ্জিং সময় পার করেছে। একেক সময় একেক নিয়মের ফলে তারা বেশ কঠিন সময় পার করেছে। শুধুমাত্র ডেলিভারি নির্ভর ব্যবসা অনেক প্রতিষ্ঠানের খরচ জোগাড় করতে হিমসিম খেতে হয়েছে। কিছু রেস্টুরেন্ট এই সময়ে বন্ধ থাকলেও বেশীরভাগ চলেছে লোকসান বা সমান সমান খরচে। গত ১৯ এপ্রিল থেকে রেস্টুরেন্টের উপর থেকে কিছুটা বিধিনিষেধ শিথিল করায় এখন অনেকের এই খাতে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে।

লকডাউনে অনেক বাংলাদেশী উদ্যোক্তা স্থানীয় বিভিন্ন উদ্যোগ শুরু করেছে। তাদের ব্যবসায়ের ধারণা এবং স্থানীয় সুবিধা ভুগি হওয়াতে তারা ভাল করছে। বিশেষ করে স্থানীয় কৃষি কাজে শ্রমিক সরবরাহ এবং বিভিন্ন লজিস্টিক সাপোর্ট। কৃষি, কনস্ট্রাকশন, ক্লিনিং এবং মেনটেনেন্স সেক্টরে গত দুই বছর থেকে বেশকিছু সফল উদ্যোগ দেখা গেছে। সল্প সময়ে এবং পুঁজিতে এখানে ভাল করা যায় যদি সঠিক অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান থাকে। অনেক তরুণ উদ্যোগি হওয়াতে এই সকল ব্যবসায়ে সামনের দিনগুলোতে আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

লকডাউনের সময়ে যারা পূর্বে সঠিক নিয়মকানুন অনুসরণ করে কাজ করেছে তারা লে-অফ অথবা সামাজিক নিরাপত্তা খাতে থেকে প্রতি মাসে বেতনের দিদি একটি অংশ নগদ সুবিধা পেয়েছ। বিপত্তি বাঁধে যারা কোন ধরনের চুক্তি ছাড়া কাজ করেছে বা মহামারী শুরুর আগে বেকার ছিলেন। তাদের বেশীরভাগ মানুষই দীর্ঘ এই সময়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হয়েছে। যদিও সময়ে সময়ে বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন সংগ্রহ, বাংলাদেশ দূতাবাস এবং স্থানীয় অনেক সংগঠন জরুরি সেবা নিয়ে সহযোগিতা করেছেন। কিন্তু তা ছিল প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল।

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার ফলে ১লা মে থেকে মোটামুটি সবকিছু স্বাভাবিক করে দেওয়ার ফলে এখন প্রায় সকল ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পর্যটন কেন্দ্র খুলে দেওয়ার ফলে অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। করোনা আবার যদি আঘাত না করে তাহলে সবাই নিকট ভবিষ্যতে আবারও স্বপ্নের সোনালী দিনের অপেক্ষায়।

ইসলামিক রিলিজিয়াস এন্ড কালচারাল কমিউনিটি ইন পর্তুগাল (CRCIPT) মাতৃ মনিজ জামে মসজিদ এর সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, পর্তুগাল একটি পর্যটন নির্ভর দেশ হওয়ার কারণে বিশ্বব্যাপী করোনার  প্রাদুর্ভাব  বৃদ্ধি পাওয়ার পর থেকে পর্তুগাল অর্থনৈতিক  ভাবে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।এখানকার বাংলাদেশিরা শতকরা 90% পর্যটন ব্যবসার সাথে জড়িত হওয়ার কারণে করোনা মহামারীতে পর্তুগাল প্রবাসী বাংলাদেশীরা ব্যাপকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে পড়েন।

যারা কাজ করতেন তারাও কাজ হারিয়ে ব্যাপক অর্থনৈতিক সমস্যার সম্মুখীন হয় এই পরিস্থিতিতে CRCIPT সহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক সংগঠন তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসে। দ্বিতীয় ধাপের লকডাউনে ব্যবসায়ীরা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হন যার ফলে অনেকে ব্যবসা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। আর যারা ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারাও হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে পড়েছেন এই ভেবে যে সামনে কি হবে। পর্তুগালে করোনাকালীন সময়ে বাংলাদেশিরা শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভালো নেই তারপরও আমরা মনে করি সবকিছু জুনের মধ্যে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। পর্যটন নির্ভর পর্তুগাল পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হবে ব্যবসায়ী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে।

দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/এফএইচ/বি


আরও সংবাদ   বিষয়:  লিসবন   পর্তুগাল  


আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা
২৪ ঘণ্টায় ৩১ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৯০
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
সহযোগি সম্পাদক
এনামুল হক ভূঁইয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
এম. এ হান্নান
সহকারি সম্পাদক
মোহাম্মদ রুবাইয়াত আনোয়ার
মেবিন হাসান
যোগাযোগ
টেলিফোন
০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবাইল ফোন
০১৭১৩ ৬০১৭২৯
ইমেইল
[email protected]
ফেসবুক
facebook.com/deshsangbad10

Developed & Maintenance by i2soft
logo
up