বুধবার, ২৩ জুন ২০২১ || ৯ আষাঢ় ১৪২৮
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ ঢাকা-১৪ আসনে আ.লীগের প্রার্থী জয়ী ■ প্রয়োজনে লকডাউন এলাকা বাড়ানো হবে ■ কমিশন চায় এনআইডি আমাদের কাছে থাকুক ■ ৪২তম বিসিএস’র মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত ■ করোনার নতুন হটস্পট খুলনা ■ করোনায় আরও ৮ হাজার ২২৪ জনের মৃত্যু ■ বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত ■ আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ ■ রাজধানীর খালে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ ■ রাজশাহী মেডিকেলে আরও ১৬ জনের মৃত্যু ■ এবার স্কুল শিক্ষকদেরও ডোপ টেস্ট ■ ভ্যাকসিনকে বিশ্বব্যাপী পাবলিক পণ্য ঘোষণার আহ্বান
ধুনটে মৃৎশিল্পীদের জীবনে জাঁকিয়ে বসেছে অন্ধকার
রফিকুল আলম, ধুনট (বগুড়া)
Published : Saturday, 8 May, 2021 at 11:30 AM
Zoom In Zoom Out Original Text

ধুনটে মৃৎশিল্পীদের জীবনে জাঁকিয়ে বসেছে অন্ধকার

ধুনটে মৃৎশিল্পীদের জীবনে জাঁকিয়ে বসেছে অন্ধকার

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় গ্রামের মানুষ এক সময়ে মাটির তৈরি হাঁড়ি, বাসন, কলস, বদনা, মুড়ি ভাজার খোলাসহ বিভিন্ন সামগ্রী ব্যবহার করতেন গৃহস্থালির কাজে। এসব পণ্য সুনিপুণ হাতে তৈরি হতো কুমারপল্লীতে। নানা সমস্যা সংকটের পরও যারা এখনো এ পেশার সঙ্গে রয়েছেন তাদের মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনাভাইরাস। করোনা সংক্রমণ ও লকডাউনের প্রভাবে মৃৎশিল্পীদের জীবনে জমাটবাঁধা অন্ধকার আরো জাঁকিয়ে বসেছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার বিলকাজিুলী ও পেঁচিবাড়ি গ্রামে পাল সম্প্রদায়ভুক্ত প্রায় ৫০০ পরিবারের বসবাস। একসময় তাদের জীবন কাটতো মৃৎশিল্পকে ঘিরে। পরিবারের সবাই মিলে গৃহস্থালী নানা সামগ্রী তৈরি করে সেগুলো হাট-বাজার ও গ্রামে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মৃৎ-সামগ্রীর চাহিদা ক্রমান্বয়ে কমতে থাকায় জীবনযুদ্ধে টিকে থাকতে তাদের অনেকেই পৈতৃক পেশা ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এরপরেও যারা বংশগত ঐতিহ্য রক্ষায় মনের টানে এই পেশাতেই নিজেদের সম্পৃক্ত রেখেছেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে তারা নিতান্তই বিপাকে পড়েছেন।

চৈত্রসংক্রান্তি, পহেলা বৈশাখকে ঘিরেই মূলত মৃৎ সামগ্রীর উল্লেখযোগ্য বেচাকেনা হয়। বছরের বেশির ভাগ আয় আসে সে সময়েই। কিন্তু, এ বছর করোনা রোধে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী সব অনুষ্ঠান বিশেষ করে চৈত্রসংক্রান্তি, বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত না হওয়ায় বিক্রি তো হয়নি। এক বছর ধরে করোনায় দোকানপাট বন্ধ থাকায় হাঁড়ি-পাতিল বিক্রি করতে না পাড়ায় বিপাকে পড়েছে এই শিল্পের সাথে জড়িতরা। কারখানায় ছাঁচদানির চাকা ঘুরছে না। রঙ তুলির ছোঁয়াও নেই। ভাটির (আগুনে পোড়ানোর চুলা) আগুন বন্ধ হয়েছে আরো আগে। সব মিলিয়ে কষ্টে দিনাতিপাত করছেন পাল সম্প্রদায়ের লোকজন।

বিলকাজুলী পাল পাড়ার মাখন চন্দ্র জানান, এই কাজ করে জীবন অতিবাহিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সম্প্রদায়ের অনেকেই বাধ্য হয়ে এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। বিশেষ করে তরুণরা এই শিল্পকর্মে আগ্রহ বোধ করছে না। আর্থিকভাবে তেমন লাভবান হওয়ার সুযোগ নেই, তাই। কয়েক বছর আগেও মৃৎ সামগ্রীর চাহিদা ভালো ছিল বলে বর্ষার সময়টা ছাড়া সারা বছরই ব্যস্ত সময় কাটাতে হতো। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে চরম প্রতিকূল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আয় রোজগারের পথ একরকম বন্ধই হয়ে গেছে। করোনার প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন হয়ে পড়লেও সরকারি প্রণোদনা কিংবা অন্যান্য সহায়তা মেলেনি বলেও জানান তিনি।

দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/এফএইচ/বি


আরও সংবাদ   বিষয়:  ধুনট   বগুড়া   মৃৎশিল্পী  


আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা
প্রয়োজনে লকডাউন এলাকা বাড়ানো হবে
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
সহযোগি সম্পাদক
এনামুল হক ভূঁইয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
এম. এ হান্নান
সহকারি সম্পাদক
মোহাম্মদ রুবাইয়াত আনোয়ার
মেবিন হাসান
যোগাযোগ
টেলিফোন
০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবাইল ফোন
০১৭১৩ ৬০১৭২৯
ইমেইল
[email protected]
ফেসবুক
facebook.com/deshsangbad10

Developed & Maintenance by i2soft
logo
up