রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ || ১০ আশ্বিন ১৪২৮
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ বার কাউন্সিলের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ (তালিকা) ■ এনআইডি'র আওতায় আসছে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীরা ■ ডিসেম্বরে ৫জি সেবা চালু ■ ইভানার স্বামীসহ দু'জনের বিরুদ্ধে মামলা ■ বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় গুলাব, সতর্কতা জারি ■ ওসি চাইলেই হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা হতে পারেন ■ মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীসহ আটক ৪৫ ■ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ইইউ’র সহায়তা চায় বাংলাদেশ ■ করোনামুক্ত বিশ্ব গড়তে অল্পমূল্যে টিকা দাবি ■ আরও ২৫ লাখ ফাইজারের টিকা আসছে ■ দেড় মাস ফেরি বন্ধ; দুর্ভোগে মানুষ ■ ডেঙ্গুতে ২৩ দিনে হাসপাতালে ভর্তি ৬৫৩৮, মৃত্যু ১৩
শুভ জন্মদিন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
মুরাদুল মুস্তাকীম মুরাদ
Published : Friday, 28 May, 2021 at 10:15 AM, Update: 28.05.2021 10:24:17 AM
Zoom In Zoom Out Original Text

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

পেছনে পনের বছর। চলমান যাত্রায় সামনে অগনিত পথ! অতীত কতটা মসৃণ কিংবা কণ্টকাকীর্ণ ছিলো সেই হিসেব হয়তো কষানো হয়েছে বহুবার। সামনের পথ কতটা নিষ্কণ্টক রাখা যায় সেই ভাবনা এখন নিত্যদিনকার। বলছিলাম লাল মাটির ক্যাম্পাস খ্যাত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা। আজ তার জন্মদিন। আঁকাবাঁকা রাস্তা উচুঁ-নিচু পাহাড়ি পথের বুকে এক সবুজ বিদ্যাপীঠ।

এখানে পথের বাঁকে নানান প্রজাতির বৃক্ষরা নিজস্ব সৌন্দর্যের আধিপত্য ছড়ায়। যেন প্রকৃতি এখানে ঢেলে দিয়েছে তার সমস্ত শোভা। প্রকৃতিতে সবুজকে বলা হয় তার নিজস্ব রং। সে রংয়েই ছেয়ে আছে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। সবুজ আমাদের প্রাণের স্পন্দন। সবুজ মানেই প্রকৃতি সবুজ মানেই প্রাণ। লালমাই পাহাড়ের বুক চিরে এই ক্যাম্পাস হওয়াতে পাহাড়ের নিজস্ব সৌন্দর্য এই অর্ধশত একরের মধ্যেও খুব ভালোভাবে ছোঁয়া যায়। লাল মাটির পরশ ছায়া সারা ক্যাম্পাস জুড়েই। যেন লাল রক্তাভ স্নেহের হাতে আগলে রেখেছে প্রাণের ভালোবাসাটাকে। প্রতিবছরই সারাদেশ থেকে অসংখ্য পর্যটক এখানে ঘুরতে আসেন। উপভোগ করেন ছবির মতোই সাজানো সুন্দর মনোরম বিশ্ববিদ্যালয়টিকে।

কুমিল্লার এই অঞ্চলটির জ্ঞানচর্চার ইতিহাস বেশ পুরোনো। প্রাচীন সমতট নামে পরিচিত এই কুমিল্লা অঞ্চল সবসময়ই ছিলো নতুন জ্ঞান সৃষ্টি এবং বিতরণের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। বিশেষ করে এই লালমাই-ময়নামতি অঞ্চলের জ্ঞান চর্চার উদাহরণ সারাবিশ্বেই ব্যাপক সমাদৃত। ইতিহাস বলে, বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং ৬৩৮ সালে ময়নামতিতে আসার পর তিনি শুধু ময়নামতিতেই ৩৫টি শিক্ষাকেন্দ্রের দেখা পান। খ্রিস্টীয় সপ্তম শতকে রাজা ভবদেব এই অঞ্চলের মানুষের জ্ঞান চর্চার জন্য গড়ে তোলেন শালবন বিহার। যা পরবর্তীকালে সারা বিশ্বের মানুষের কাছে জ্ঞান চর্চার অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

তারই ধারাবাহিকতায় আধুনিকতার মিশেলে এখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ছিলো এই অঞ্চলের মানুষের প্রানের দাবী। সেই দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে দেশের তৃতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ষাটের দশকেই এখানে স্থাপিত হওয়ার কথা ছিলো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পরও ১৯৬৪ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের স্পিকার ফজলুল কাদের চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন চট্টগ্রামে। যাতে স্বপ্নভঙ্গ হয় এই অঞ্চলের মানুষের, চুরমার হয় উচ্চশিক্ষার নিমিত্তে এই অঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবী। এরপর নানা ছড়াই উৎরাই পেরিয়ে মানুষের এই স্বপ্নের পূর্ণতা পায় ২০০৬ সালের ৭ই ফেব্রুয়ারি দেশের ২৬ তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। যদিও পরিতাপের বিষয় হচ্ছে ২০১৯ সালের ৩০শে এপ্রিল ক্যাম্পাস অভ্যন্তরীণ রাস্তা সম্প্রসারণের সময় ভেঙ্গে ফেলা হয় বেগম জিয়ার নাম খচিত বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিপ্রস্তর ফলক। আজ প্রায় দুই বছর সময় অতিবাহিত হওয়ার পরেও এখনো নতুন করে বসানো হয়নি প্রতিষ্ঠাকালীন কোন নামফলক। শিক্ষার্থীদের দাবি, ভিত্তিপ্রস্তর হলো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল অস্তিত্ব। তাই এভাবে ভিত্তিপ্রস্তর বিহীন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইতিহাস বিকৃতিরও রয়েছে যথেষ্ট আশংকা।

এরপর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের এক বছরের মাথায় ২০০৭ সালের ২৮ই মে ৭টি বিভাগে ৩০০ শিক্ষার্থী এবং ১৫ জন শিক্ষক নিয়ে এই ক্যাম্পাসের পথচলা। হাঁটি হাঁটি পা পা করে প্রিয় ক্যাম্পাসটি আজ কৈশোরে পরিনত। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬টি অনুষদের অধীনে ১৯ টি বিভাগে অধ্যয়ন করছে সাত হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী।

তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে প্রতিষ্ঠার ১৫ বছর পার হলেও প্রায় প্রতিটি বিভাগে রয়েছে পর্যাপ্ত ক্লাস রুম সংকট। কোন কোন অনুষদে প্রয়োজনের বিপরীতে নেই একটিও ল্যাব। ফলে বিঘ্নিত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণ এবং মৌলিক ব্যাবহারিক জ্ঞান। তবে এতো এতো অপূর্ণতা, এতো অভাবেও থেমে নেই শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পদযাত্রা। উচ্চশিক্ষায় বিভিন্ন সময় বরাবরই নিজের সাফল্যের জানান দিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। চলমান ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের আওতায় ৫০ একরের ক্যাম্পাস ২৫০ একরে উন্নীত হলে হয়তো অনেক অপূর্ণতাই পূর্ণতা পাবে।

তবে এখানে প্রকৃতি আর মানব প্রাণের যে এক অভিন্ন মেলবন্ধন সেটা এককথায় অনন্য। প্রকৃতির এখানে যেমন রয়েছে এক বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ, মানানসই আবহাওয়া, তেমনি শিক্ষার্থীদের মধ্যেও রয়েছে প্রাণের এক সম্পর্ক। নানান ব্যাস্ততার মাঝেও ক্যাম্পাসকে ঘিরে যে এক অকৃত্রিম ভালোবাসার সম্পর্ক সেটা সবাইকেই টানে সমানভাবে।

একইসাথে মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটাতে মুক্তমঞ্চ আলো ছড়ায়। শহীদ মিনার, কাঠাল তলা, বৈশাখী চত্বর, সানসেট ভ্যালি, বাবুই চত্বর, লালন চত্বর সহ ক্যাম্পাসের উল্লেখ যোগ্য স্থান গুলোর সর্বত্রই মুখরিত হয় শিক্ষার্থীদের পদচারণায়। কেউ বা দল বেঁধে গিটার নিয়ে বসে পড়ে, আড্ডাটা জমে তখন গানে গানে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়


এখানে ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতিও প্রকট। কর্মকর্তা, কর্মচারী রাজনীতিও চলে দেদারছে।  শিক্ষার্থীরা ভর্তি ফরমে রাজনীতি মুক্ত ক্যাম্পাসের আশ্বাস পেয়ে থাকলেও ভর্তির পর দেখা যায় সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র। দেখা যায়, রাজনীতি মুক্ত ক্যাম্পাসে আসলে রাজনীতিই সব। ছাত্ররাজনীতি বলতে মূলত ছাত্রলীগের রাজনীতিই বুঝানো হয় এখানে। কারণ অন্য রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠন গুলোর এখানে নেই কোন উল্লেখযোগ্য তৎপরতা। তাই ছাত্রলীগই এখানে সর্বেসর্বা। ২০১১ সালে আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে ছাত্রলীগের যাত্রা। ২০১৫ তে প্রথম কমিটি এবং ২০১৭ থেকে চলছে দ্বিতীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটির কার্যক্রম। যেহেতু অন্য সব ছাত্রসংগঠন এখানে নিষ্ক্রিয় তাই ছাত্রলীগের হাতেই মূলত এখানের সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ।  আবাসিক হল সমূহ মূলত ছাত্রলীগ নেতাদের নিয়ন্ত্রণেই। নেতাদের সাপোর্ট ছাড়া মিলেনা হলের সিট।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনেও রয়েছে ছাত্রলীগের দৌরাত্ম, প্রশাসনে নিয়োগ পেতে হলে লাগে ছাত্রলীগের সুপারিশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ব্যায়ামাগারটিও ছাত্রলীগের দখলে। যেটি ব্যাবহৃত হয় তাদের দলীয় কার্যালয় হিসেবে। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে চলে তাদের দলীয় বিচার ফয়সালাও। গত বছর মার্চের ৮ তারিখ দলীয় দুই নেতাকে ব্যায়ামাগারে ডেকে নিয়ে করা হয় শারীরিক নির্যাতন। এমনকি  ব্যায়ামাগারটির কোন চাবিও নেই প্রশাসনের হাতে। ছাত্রলীগ এটিকে ব্যাবহার করে নিজেদের প্রয়োজন মতো। তাই সাধারণ শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হয় ব্যায়ামাগারের উপকারিতা থেকে।

এছাড়া বিভিন্ন সাংস্কৃতিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় এগিয়ে যেতে বরাবরই সরব কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। রয়েছে অনেক সাংস্কৃতিক সংগঠন। থিয়েটার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, সাংবাদিক সমিতি, ডিবেটিং ক্লাব, বিএনসিসি, সায়েন্স ক্লাব, প্রতিবর্তন, প্ল্যাটফর্ম, বন্ধু, উদীচী, আইটি সোসাইটি, রোটার‌্যাক্ট ক্লাব, লিও ক্লাব, ক্যারিয়ার ক্লাব, অনুপ্রাস, রোভার স্কাউট সহ অনেক সাংস্কৃতিক সংগঠন ক্যাম্পাসে এই কাজ গুলো করে যাচ্ছে বেশ দক্ষতার সাথেই।

১৫ বছরের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম এবং একমাত্র সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো গত বছর জানুয়ারির ২৭ তারিখ। যেটি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এটা অন্যতম বড় পাওনা। বর্তমান উপাচার্য কথা দিয়েছিলেন সমাবর্তন আয়োজন করার, তিনি তার কথাও রাখলেন। এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের কাছ থেকে চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক লাভ করেন ১৪ জন শিক্ষার্থী। প্রথম সমাবর্তন আয়োজন করা যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জের। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় যখন এই চ্যালেঞ্জ টপকানোর সামর্থ্য দেখিয়েছে, সামনে অনেক অনেক সমাবর্তন হবে। এটাই বর্তমান শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের নবীনতম বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর একটি। তার এতদিনের পথচলায় অনেক অনেক সীমাবদ্ধতা ছিলো। এসব সীমাবদ্ধতা নিয়েই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় অনেক দূর এগিয়ে যাবে। অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয় ২৫০ একরে উন্নীত হলে অনেক সীমাবদ্ধতাই থাকবেনা। শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা তাই নতুন প্রকল্পের কাজ হোক সুষ্ঠু ভাবে। প্রকল্পের শুরুতেই প্রধান ফটকের রড চুরির মতো যে অভিযোগ এসেছে এমন অভিযোগ আর না আসুক। ভালোবাসার ক্যাম্পাস অনেক বড় হোক, সুশিক্ষা প্রদানে দেশের মডেল হিসেবে উপস্থাপিত হোক।

বিশ্ববিদ্যালয়ে কেমন মানের ছাত্র ভর্তি নিয়েছে সেটা দিয়ে কখনো বিশ্ববিদ্যালয়কে মাপা হয়না, মাপা হয় কেমন মানের গ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় তার ভেতর থেকে তৈরী করে বের করতে পেরেছে তার উপর। প্রিয় শিক্ষাগুরুদের কাছে তাই প্রত্যাশা তারা যেন জাতি গঠনে আরও বেশি সচেষ্ট হন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ ক্যাম্পাস শরতের শুভ্র সাদা কাশফুলে কিংবা গ্রীষ্মের কৃষ্ণচূড়ার লালে যেভাবে সজীব থাকে সেভাবে সজীব থাকুক সবসময়।

শুভ জন্মদিন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। শুভ জন্মদিন প্রাণের ক্যাম্পাস। আগামীর পথচলা সমৃদ্ধ হোক। যে পদযাত্রা শুরু হয়েছিলো ২০০৬ সালের এইদিনে সেই যাত্রা চলতে থাকুক হাজার বছর।

লেখকঃ শিক্ষার্থী, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/এফবি/এমএম


আরও সংবাদ   বিষয়:  কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়  


আপনার মতামত দিন
করোনা
আরও ২৫ লাখ ফাইজারের টিকা আসছে
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. মোশাররফ হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
সহযোগি সম্পাদক
এনামুল হক ভূঁইয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
এম. এ হান্নান
সহকারি সম্পাদক
মোহাম্মদ রুবাইয়াত আনোয়ার
মেবিন হাসান
যোগাযোগ
টেলিফোন
০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবাইল ফোন
০১৭১৩ ৬০১৭২৯
ইমেইল
[email protected]
ফেসবুক
facebook.com/deshsangbad10

Developed & Maintenance by i2soft
logo
up