সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ || ৫ আশ্বিন ১৪২৮
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ নিউইয়র্কে মুখোমুখি আ.লীগ-বিএনপি, থমথমে পরিস্থিতি ■ নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী ■ প্রতি মাসে ২ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেয়া হবে ■ দুর্নীতিবাজরা যেন শাস্তি পায় ■ করোনায় আরও ৪৩ জনের মৃত্যু, আক্রন্ত ১৩৮৩ ■ ই-কমার্সের গ্রাহকদের লোভ কমানোর পরামর্শ ■ খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ ৬ মাস বৃদ্ধি ■ মঙ্গলবার থেকে ফের বিএনপি’র ধারাবাহিক বৈঠক ■ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় আ.লীগের ৪৩ প্রার্থী জয়ী ■ হোটেল ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা ■ আরও ২৩২ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি ■ ঢাবির হল ৫ অক্টোবর খুলছে
বিলুপ্তির পথে বর্ষার সেই কদম ফুল
আরিফ খান, ঝালকাঠি
Published : Tuesday, 29 June, 2021 at 6:54 PM
Zoom In Zoom Out Original Text

বিলুপ্তির পথে বর্ষার সেই কদম ফুল

বিলুপ্তির পথে বর্ষার সেই কদম ফুল

সে কথা শুনিবে না কেহ আর, নিভৃত নির্জন চারিধার। দু’জন মুখোমুখি গভীর দুঃখ-দুখী, আকাশে জল ঝরে অনিবার- রবি ঠাকুরের কবিতার মতো এভাবেই বৃষ্টিস্নাত সজীবতার রূপ নিয়ে হাজির হয় বর্ষা। রূপময় ঋতু বর্ষার যেন মেঘবতী জলের দিন। বৃষ্টির সাথে কদমের ভালোবাসা তাই খুবই নিবিড়।

অথচ ক্রমান্বয়ে হারিয়ে যাচ্ছে সেই কদম ফুল। কদম ফুল সবাই পছন্দ করে। ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা কদম ফুল নিয়ে খেলা করে। এ ফুল আমাদের দেশের সব এলাকায় দেখা গেলেও এর আদি নিবাস ভারতের উষ্ণ অঞ্চলে, চীন ও মালয়ে। কদম নীপ নামেও পরিচিত। এছাড়া বৃত্তপুষ্প, মেঘাগমপ্রিয়, কর্ণপূরক, মঞ্জুকেশিনী, পুলকি, সর্ষপ, ললনাপ্রিয়, সুরভি ইত্যাদি মনোহর সব নাম রয়েছে কদমের। ছোট বলের মতো দেখতে এ ফুলের ভেতরভাগে রয়েছে মাংসল পুষ্পাধার। যাতে হলুদ রঙের পাপড়িগুলো আটকে থাকে। পাপড়ি মাথায় থাকে সাদা রঙের পরাগ।

হলুদ-সাদা কদমফুল গাঢ় সবুজ পাতার ফাঁকে দেখতে সুন্দর লাগে। ফুলে ভরা কদমগাছ দেখতে অসাধারণ হলেও এর আর্থিক মূল্য খুব কম। কাঠ নরম বলে আসবাবপত্র  তৈরি করা যায় না। কাঠ দিয়ে দেয়াশলাই ও কাগজ  তৈরি হয়ে থাকে। শুধু সৌন্দর্য নয়, ভেষজ গুণের পাশাপাশি কদমের রয়েছে অর্থনৈতিক গুরুত্বও। কাঠ দিয়ে কাগজ, দেয়াশলাই ছাড়াও তৈরি হয়ে থাকে বাক্সপেটরা। আর কদমের ছাল, পাতা কিংবা ফুলের রস পিপাসা নিবারণের পাশাপাশি কৃৃমি ও জ্বরনাশক এবং বলকারক।

বিলুপ্তির পথে বর্ষার সেই কদম ফুলকদম ফুল

বিলুপ্তির পথে বর্ষার সেই কদম ফুলকদম ফুল


নাগরিক উঠানে সেই কদমের ঘ্রাণ এখন অনেকটাই যেন অতীত। নেই আর আগের মতো বৈভব। আষাঢ়ে বৃষ্টি তো ছুঁয়েছে বৃক্ষ। তবে সেই রিমঝিম জলে কদমের কোমলতা যেন খুঁজে পাওয়া ভার। চোখ জুড়ানো ঘন সবুজ পাতার মাঝে হলুদ বন্ধুতায় চিরচেনা কদম গাছ এখন চোখে পড়ে কমই। তাই হয়তো বা শহরতলীজুড়ে কদমের শুভ্ররাগে হৃদয় রাঙিয়ে নেওয়ার সুযোগ নাগরিক অবসর কিংবা ব্যস্ততায় প্রায় নেই বললেই চলে।

কদম্ব মানে হলো ‘যা বিরহীকে দুঃখী করে’। তাই কদমতলে বংশীও বাঁজে মরমে। যে সুরে সবারই একটাই আবদার পথজুড়ে ছাতার মতো ছেঁয়ে থাকা কদমের বৃষ্টি ভালোবাসার গল্পটা যেন না হয়, রূপকথার কল্পকাহিনি। যান্ত্রিক সভ্যতা ও নগরায়ণের যুগে কমতে শুরু করেছে কদমগাছ।

অথচ আদিকাল থেকে কদম ফুল বর্ষার প্রকৃতিকে রাঙিয়ে যাচ্ছে। কদমফুল ছাড়া বর্ষা যেন একেবারে একা, নিঃসঙ্গ। আর তাই প্রকৃতির ঐতিহ্য রক্ষায় সরকারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে অন্যান্য গাছের পাশাপাশি কদমগাছও রোপণ করা জরুরি।

দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/এফবি/আরএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  কদম ফুল  


আপনার মতামত দিন
করোনা
প্রতি মাসে ২ কোটি  মানুষকে ভ্যাকসিন দেয়া হবে
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. মোশাররফ হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
সহযোগি সম্পাদক
এনামুল হক ভূঁইয়া
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
এম. এ হান্নান
সহকারি সম্পাদক
মোহাম্মদ রুবাইয়াত আনোয়ার
মেবিন হাসান
যোগাযোগ
টেলিফোন
০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবাইল ফোন
০১৭১৩ ৬০১৭২৯
ইমেইল
[email protected]
ফেসবুক
facebook.com/deshsangbad10

Developed & Maintenance by i2soft
logo
up