ঢাকা, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০ || ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ জাসদ নেতা মিন্টু গ্রেফতার ■ ফের নির্বাচনের দাবিতে ইসিকে স্মারকলিপি দেবে ঐক্যফ্রন্ট ■ নতুন মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ রোববার ■ বিবিসি’র সেই ভিডিও নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী ■ বিদেশিদের বিএনপির ভরাডুবির কারণ জানালেন শেখ হাসিনা ■ বিশ্ব গণমাধ্যমে বাংলাদেশের নির্বাচন ■ সংবিধান লঙ্ঘনে ইসির বিচার দাবি খোকনের ■ শপথ গ্রহণে যাচ্ছে না ঐক্যফ্রন্টের সংসদ সদস্যরা! ■ আ’ লীগের দুই গ্রুপের কোন্দলে যুবলীগ নেতা নিহত ■ বিদেশি পর্যবেক্ষক ছিল একেবারেই আইওয়াশ ■ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় গভীর উদ্বেগ টিআইবি’র ■  আ’লীগের জয়জয়কার, মুছে গেল বিরোধীরা
কয়লা গায়েবের সাথে খনির সবাই জড়িত!
দেশসংবাদ, ঢাকা :
Published : Wednesday, 25 July, 2018 at 6:25 PM, Update: 25.07.2018 11:23:05 PM
Zoom In Zoom Out Original Text

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতির প্রতিবেদন জমা পড়েছে। বুধবার বিকালে পেট্রোবাংলা গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনটি জমা দিয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনে কয়লা খোয়া যাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।’ কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যখন কেউই কয়লার হিসাব রাখেনি, তখন সবাই  দুর্নীতির  সঙ্গে জড়িত।

বুধবার সচিবালয়ে পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির গায়েব কয়লার বিষয়ে  তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরে প্রতিমন্ত্রী প্রতিবেদনটি নিয়ে  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্দেশে বের হয়ে যান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখনও প্রতিবেদন পুরোটা পড়তে পারিনি।’ পুরোটা দেখে যারা দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

এর আগে সকাল থেকেই কয়লার প্রতিবেদন তৈরি নিয়ে কাজ চলছিল। দুপুরে পেট্রোবাংলায় গিয়ে দেখা যায়, কমিটির প্রধান ও সংস্থার পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মাইন) প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামানের  কক্ষে প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। সেসময় দেখা করতে চাইলে প্রকৌশলী কামরুজ্জামানের কক্ষের বাইরে থেকে জানানো হয়, তিনি এখন কারও সঙ্গে দেখা করতে পারবেন না। ভেতরে কয়লা দুর্নীতির প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে বলে জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, ২০০৬ সাল থেকে বড়পুকুরিয়া খনি থেকে কয়লা তুলে কোল ইয়ার্ডে জমা রাখা হচ্ছিল। কিন্তু বিক্রির পর বছরে কতটুকু কয়লা অবশিষ্ট থাকলো,  তা কখনও পরিমাপ করা হয়নি। এখন কাগজে-কলমে অবিক্রিত কয়লার পরিমাণ দেখানো হচ্ছে এক লাখ ৪০ হাজার টন । কিন্তু বাস্তবে কয়লা পাওয়া গেছে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টন। অর্থাৎ এক লাখ ৩০ হাজার টন কয়লার কোনও হদিস পাওয়া যাচ্ছে না।

দেশসংবাদ/এসআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি   জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্  




আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা আপডেট
আ'লীগ সরকারী দল, বিরোধী দল জাতীয় পার্টি
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft
logo
up