ঢাকা, বাংলাদেশ || বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০ || ২৫ চৈত্র ১৪২৬
শিরোনাম: ■ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন ■ অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় লকডাউন ■ ২০ জেলায় করোনা শনাক্ত ■ করোনায় বেকার হওয়ার আশঙ্কায় ৩৩০ কোটি মানুষ ■ ফ্রান্সে ১ দিনে করোনায় মারা গেল ১৪১৭ ■ ত্রাণের ছবি তোলার পর প্যাকেট কেড়ে নিল যুবলীগ নেতা! ■ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ট্রাম্পের হুমকি ■ র‌্যাবের নতুন ডিজি আবদুল্লাহ আল মামুন ■ ঢাকা জেলা জজ আদালতের ছুটি বাতিল ■ বাংলাদেশের যেসব ওষুধ করোনা চিকিৎসায় কার্যকর ■ পুলিশের নতুন আইজি বেনজীর আহমেদ ■ ফের বাড়ল হজ নিবন্ধনের সময়
যৌন হেনস্থা, বাবাকে কেটে টুকরো করে নদীতে ভাসিয়ে দিল মেয়ে
দেশসংবাদ ডেস্ক
Published : Monday, 9 December, 2019 at 11:01 AM

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

সুটকেসে ভরা পচাগলা দেহাংশগুলো জড়ানো ছিল একটি সোয়েটারে। যে দোকান থেকে সোয়েটারটি বানানো তার নাম লেখা ছিল পিঠে লাগানো ট্যাগে। সেই সূত্র ধরেই হত্যা-রহস্যের জাল ছাড়াল ভারতের মুম্বাই পুলিশের অপরাধ দমন শাখা।

তদন্তে উঠে এল, গত ২৭ নভেম্বর বেনেট রিবেলো নামে ৫৯ বছরের এক গিটার বাদককে মুম্বাইয়ের দ্বারকা কুঞ্জে তার নিজের বাড়িতেই খুন করে দত্তক কন্যা ১৯ বছরের আরাধ্যা পাটিল ও তার প্রেমিক। তারপর মরদেহ ছোট ছোট টুকরো করে সুটকেসে ভরে ভাসিয়ে দেয় নদীতে। মাহিম সৈকত থেকে উদ্ধার হয় সেই সুটকেসটি।

তদন্তে জানা গেছে, বেনেটকে প্রথমে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে ও ছুরি গিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে আরাধ্যা ও তার ১৬ বছর বয়সী প্রেমিক। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে মুখে মশা মারার ওষুধ স্প্রে করে দেয়। বেনেট মারা যাওয়ার পর তার মরদেহ ছুরি গিয়ে টুকরো করে অভিযুক্তরা। ওই অবস্থায় দেহ তিন দিন ফ্ল্যাটেই ছিল। সেই তিন দিন অভিযুক্তরাও ওই ফ্ল্যাটে ছিল। পরে মরদেহের টুকরোগুলো তিনটি সুটকেসে ভরে স্থানীয় মিঠি নদীতে ভাসিয়ে দেয় তারা।

পুলিশ জানিয়েছে, দেহাংশগুলো জড়িয়ে রাখা সোয়েটারটিই ছিল তাদের হাতে থাকা একমাত্র সূত্র। সোয়েটারে লাগানো ট্যাগ থেকে জানা যায়, সেটি কুরলা এলাকার একটি দোকান থেকে বানানো। সেই দোকানে গিয়ে দর্জির সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে, সোয়েটারটি বানিয়েছিলেন বেনেট রিবেলো নামে এক ব্যক্তি। এরপরে পুলিশ সোশ্যাল মিডিয়ায় খোঁজ শুরু করে বেনেটের। ফেসবুকে ওই নামের প্রোফাইলগুলো খুঁজতে থাকে তারা।

একটি প্রোফাইলে দেখা যায়, একই সোয়েটার পরা বেনেটের ছবি। সেখান থেকে তার ভিজিটিং কার্ডের ছবিও পাওয়া যায়। সেই সূত্র ধরে দ্বারকা কুঞ্জের বাড়িতে হাজির হয় পুলিশ। জানতে পারে, বেনেট একটি কন্যাসন্তান দত্তক নিয়েছিলেন। তারপরই আরাধ্যা ওরফে রিয়া ও তার প্রেমিককে আটক করে জেরা শুরু করে। জেরায় দুই অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করে।

আরাধ্যা জানায়, বেনেট তাকে যৌন হেনস্থা করতেন। তাদের সম্পর্ক নিয়েও আপত্তি ছিল বেনেটের। সেই ক্ষোভ থেকেই প্রেমিকের সঙ্গে মিলে বাবাকে খুন করে সে। সূত্র: আনন্দবাজার

দেশসংবাদ/বিডি/এনকে


আরও সংবাদ   বিষয়:  যৌন হেনস্থা   বাবা   কেটে টুকরো   মেয়ে  



মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft