ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০ || ১৪ চৈত্র ১৪২৬
শিরোনাম: ■ ইতালিতে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়াল ■ রোববার থেকে সীমিত আকারে ব্যাংক চালু থাকবে ■ করোনার গুজব নিয়ে যে সতর্কবার্তা দিলো সরকার ■ সময় ফুরাবার আগেই চিন্তা করতে হবে কোন পথে হাঁটবো? ■ করোনায় আক্রান্ত জাতিসংঘের ৮৬ কর্মী ■ ব্রিটেনে ২৪ ঘণ্টায় ২৬০ জনের মৃত্যু ■ করোনা পরীক্ষার কিট তৈরি করলেন ভারতীয় নারী! ■ আকিজের হাসপাতাল বানানোর খবরে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ■ সারা বিশ্বেই সরকারের ওপর আস্থা হারাচ্ছে মানুষ ■ বাংলাদেশ থেকে ২৫ মেডিক্যাল আইটেম নেবে যুক্তরাষ্ট্র ■ সুস্থ হয়ে আবারও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে চীনে ■ নিউইয়র্কে করোনায় আরও ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু
মানবাধিকারের নামে অপরাজনীতির মন্ত্রপাঠ!
মোঃ মাজহারুল হাসান নাহিদ
Published : Monday, 20 January, 2020 at 4:58 PM

মোঃ মাজহারুল হাসান নাহিদ

মোঃ মাজহারুল হাসান নাহিদ

বিশ্বায়ন কিংবা পুঁজিবাদের এই যুগে পুরু বিশ্ব তার স্বাভাবিকতা থেকে ছিটকে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত পটপরিবর্তন কিংবা নতুন মেরুকরণের দিকে ধাবিত হচ্ছে বিশ্বের গতিপথ। প্রশ্ন হলো বিশ্বের এই বিদ্যমান গতিপথ সরল রৈখিক নাকি বক্রাকার?

শঙ্কার বিষয় হচ্ছে বিশ্বের এই গতিপথ বক্রাকারের চেয়েও কয়েক ধাপ এগিয়ে। যে বক্রাকারের মারপ্যাঁচে রয়েছে সহিংসতা, উগ্রতা, যুদ্ধ বিগ্রহ,গনহত্যা,সন্ত্রাসবাদ,সাম্প্রদায়িকতা, অমানবিকতা, জাতীয়তাবাদ, ক্ষমতার একচেটিয়া দাম্ভিকতা এমনকি উগ্র ডানপন্থীদের জয়গান যার ফলশ্রুতিতে বিরূপ প্রভাব পরছে ব্যক্তি, সমাজ এমনকি খোদ রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে।

বিশ্বের এসকল চরিত্রের সাথে যে বিষয়টি খুবই শঙ্কার বিষয় তা হচ্ছে ক্রমান্বয়ে বিশ্ব অমানবিক চরিত্র প্রদর্শন করছে যার নেপথ্যে রয়েছে বিশ্বের স্বার্থান্বেষী মহলের অপরাজনীতি।যার কারনে বিশ্বে মানবাধিকার পরিস্থিতি অনেকটা ভঙ্গুর এবং শোচনীয়। অভিবাসী সংকট জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ফল।যার ফলে বিশ্বকে সাগরের পানিতে অবলোকন করতে হচ্ছে আইলান কুর্দি এবং ভ্যালেরিয়ার মতো ছোট্ট শিশুদের নিথর দেহকে। ঘটনা দুটি মানবাধিকার পরিস্থিতির করুন পরিণতির বহিঃপ্রকাশ।বিশ্ব মানবতা এবং মানবাধিকার যেনো সাগরের পানিতে হাবুডুবু খাচ্ছে!

পৃথিবীর যে কোন প্রান্তেই একজন মানুষ যখন তার নূন্যতম অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় তখন স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের মন ও বিবেক কাতরে ওঠে। কিন্তু বর্তমান যুগে মানুষের অধিকার বা মানবাধিকার এতটাই লঙ্ঘিত হচ্ছে এটা নিয়ে মন খারাপের ফুসরতই পাওয়া যাচ্ছেনা,এমনকি বিশ্বের যে মোড়লরা মানবিকতা,মানবাধিকারের রক্ষায় আসীন তাদের হাতেই ক্রমশ ভূলন্ঠিত হচ্ছে মানবাধিকার। মানবাধিকার প্রত্যয়টি ব্যাপক এবং বিশাল আঙ্গিকে সবসময় ব্যবহার করা হয়।যে শব্দের বিস্তৃতি মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যা পৃথিবীর সব জায়গায় সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। সাধারনত মানবাধিকার বলতে একজন মানুষের শুধুমাত্র ‘’মানুষ’’ হিসেবে জন্ম গ্রহণ করার কারনেই তাঁর প্রাপ্য অধিকারকে বুঝায়। মানবাধিকারকে যদি সরলীকরণ করি তাহলে দাঁড়ায় মানবের অধিকার যা সার্বজনীন এবং সকলের জন্য সমান।

সাম্য( equality), মানবিক মর্যাদা( human dignity),স্বাধীনতার( freedom) পরিপূর্ণতার নামই মানবাধিকার। শ্রেণী,বর্ণ,গোত্র জাত,ধর্ম,বয়স,লিঙ্গ কিংবা ভৌগলিক অবস্থান মানুষকে এই অধিকার থেকে বঞ্চিত করার সামর্থ্য রাখেনা। কিন্তু আজকের দিনের বাস্তবতায় ভিন্ন দৃশ্যপট দৃশ্যত হচ্ছে জনসম্মুখে।পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় মানবধিকারকে বিভিন্ন ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সবচেয়ে দুঃখের ব্যপার হচ্ছে বর্তমান বিশ্ব মানবধিকার নিয়েও এক নোংরা রাজনীতিতে মেতে উঠেছে। বিশ্বরাজনীতির মঞ্চে মানবাধিকার এমন এক অস্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে যা দিয়ে স্বার্থান্বেষী মহল বিভিন্ন পন্থায় তাদের স্বার্থ হাসিল করে নেয়।

মানবাধিকার আজ স্বার্থান্বেষী রাজনীতিকদের হাতে জিম্মি।তাদের ক্ষমতার বাহুডোরে অসমভাবে চক্রাকারে দুলছে ভঙ্গুর মানবাধিকার।বর্তমান পৃথিবীতে মানবাধিকার হরণ ও রক্ষার নামে এক ভয়ংকর ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে উন্নত রাষ্ট্রগুলো আর তার সাথে তাল মেলাচ্ছে আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো। বিশ্বে দুর্বলদের ওপর সবদলদের রাজত্ব বহমান।জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা সবসময় দুর্বলতম দেশগুলোর ব্যাপারে নাক গলাতে মোটেও ভুল করেনা অথচ সবলদের বিষয়ে বরাবরই তারা নীরব ভুমিকা পালন করছে।

মধ্যপ্রাচ্যের একের পর এক দেশ ধ্বংস, এশিয়া, ইউরোপ সহ গোটা বিশ্বের শান্তি রক্ষার নাম করে যারা শান্তি বিনষ্ট করছেন তাদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপই নিচ্ছেনা মানবাধিকার সংস্থাগুলো কিংবা সার্বিকভাবে মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নে সেরকম কোনো অগ্রগতি চোখে পরছেনা। যুগে যুগে মানুষ তাদের অধিকার সম্বন্ধে সচেতন হয়েছে, মানুষ তাঁদের নিজেদের অধিকার রক্ষার জন্য তৈরী করেছে অনেক আইন।

সেই রকম একটি আইন ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সারা বিশ্বের মানুষের জন্য ঘোষণা করেছিলো যার নাম হচ্ছে “মানবাধিকার সনদ” ,যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষ, সকল জাতি পেয়েছে সমান অধিকার এবং যেই সনদে স্থান,কাল ও পাত্র বিশেষে কোন ভেদাভেদের অস্থিত্ব থাকবেনা । যেখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে সেখানেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে নিপীড়িতদের মানবাধিকার রক্ষায় । সেই মানবাধিকার কে আরো শক্তিশালী রূপদান করা হয়েছে জেনেভা কনভেনশন এর মাধ্যমে । জাতিসংঘের সকল সদস্য দেশ এইসব আইন মেনে চলতে বাধ্য । কিন্তু আজ বাস্তবতা অনেক ভিন্ন , বাস্তবতার কাছ থেকে অনেক দূরে সরে এসেছি আমরা। আজ মানবাধিকার আইনকে ব্যবহার করা হচ্ছে স্বার্থ আদায়ের অস্ত্র হিসেবে। মানবাধিকার আইন পরিণত হয়েছে ধনী দেশগুলোর নিপীড়নের হাতিয়ার। পৃথিবীর অনেক জায়গায় প্রতিদিন হাজারো মানবাধিকার লঙ্ঘন হলেও জাতিসংঘ থেকে শুরু করে মানবাধিকার রক্ষার খলনায়ক আমেরিকা সহ তাদের সকল তাবেদার রাষ্ট্র,সকল সংগঠন তখন অনেকটা বোবা চরিত্র প্রদর্শন করে। আর যদি দেখে তাদের স্বার্থ লঙ্ঘিত হচ্ছে তখনই তারা সবাই এক সাথে হুংকার দিয়ে ওঠে।

আমরা দেখি যখন পৃথিবীর কোন দেশে আমেরিকার কোন সৈন্যের উপর হামলা হয় সেটি হয় মানবাধিকার লংঘন আর যখন ইসরাইল ফিলিস্তিনের ওপর বিনা কারণে হামলা চালিয়ে হাজার হাজার নিরীহ লোককে হত্যা করে তখন তা হয়ে যায় অধিকার আদায়ের সংগ্রাম।  যখন হামাস তাদর নিজেদের আইনি ভাবে প্রাপ্ত মাতৃভূমি রক্ষার জন্য আন্দোলন করে তা হয়ে যায় মানবাধিকার লংঘন। কারণ টা অবশ্য সবারই জানা আর তা হলো মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতীশীল রাখা। মধ্যপ্রাচ্য অস্থিতীশীল রাখলেই শুধুমাত্র তেলের এবং অস্ত্রের বাণিজ্য রমরমা রাখা সম্ভব। আমেরিকা যে সারা বিশ্বের অনেক দেশে অবৈধ ভাবে তাদের সৈন্য দিয়ে রেখেছে সেইটা কোন আইনের বলে, সেইটা কোন মানবধিকার রক্ষার বলে? তারা যখন বিনা কারণে ইরাক, লিবিয়া, আফগানিস্তানে হামলা চালায় তখন তা হয় মানবাধিকার রক্ষার লড়াই।

রাশিয়ার( তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন) বিরূদ্ধে লড়াই করার জন্য যখন তারা লাদেন ও আল -কায়েদা কে সৃষ্টি করেছিলো, তাকে সামরিক সহায়তা দিতো, তখন লাদেনের আন্দোলন ছিলো মানবাধিকার রক্ষার আন্দোলন আর যখন সে একসময় আমেরিকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিল তখন সে হয়ে গেলো সন্ত্রাসী। শুধুমাত্র তাকে হত্যা করার জন্যে ইরাক,আফগানিস্থান কে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিল আমেরিকা। আল কায়েদা নাটকের পরবর্তীতে এপিসোড ছিল আইএস সৃষ্টি ।সত্যি বলতে জঙ্গিবাদ অবশ্যই লাভজনক ‘ব্যবসা’। যে কোন ধরনের জঙ্গি সংগঠন একটি জায়ান্ট করপোরেট হাউজ। এদের ‘ব্র্যান্ডিং‘ রয়েছে, এখানে বিভিন্ন পদমর্যাদা আছে, এখানে কর্মী নিয়োগ হয়, কর্মীদের প্রশিক্ষণ হয়, অস্ত্র কেনাবেচা হয়, মাদক কেনাবেচা হয়, জান্নাত কেনাবেচা হয়, যৌনতা সরবরাহ হয়, অর্থ লেনদেন হয়, ক্ষমতা কেনাবেচা হয়।

নিজেদের স্বার্থ হাসিল কিংবা ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য বিশ্বের মোড়লরা সন্ত্রাসবাদ কিম্বা মানবাধিকার রক্ষার নামে মধ্যপ্রাচ্যে একধরনের আধিপত্য স্থাপন করেছে।যার কারনে মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ বিগ্রহ, অরাজকতা এবং অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ রছে। সিরিয়া,ইয়েমেন,ইরাক,লেবাননে,ফিলিস্থিন মানবাধিকার আজ হুমরি খেয়ে কাঁদছে। সেখানকার প্রতিটি ধ্বংসস্তূপের ইট, বালিকণা মানবাধিকারের দিকে চেয়ে চেয়ে মৃদু হাসছে!সিরিয়ায়, ইয়েমেনে কি বিপন্ন এবং ভয়াবহ হয়ে ওঠেছে মানুষের জীবন। অনেক মানুষ বাস্তুহারা, নিরপত্তাহীনতা,খাদ্য সংকটে ভোগছে।উদ্ধাস্তু হয়ে ঘুরছে যাযাবরের মতো। প্রতিনিয়ত শিশুদের আর্তনাদ বিশ্ব বিবেককে নাড়িয়ে তুলছে। অথচ কারওর তেমন কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই এতে।দীর্ঘদিনের এই সংকটের এখন অবধি কোনো সুরাহা হচ্ছেনা। অথচ সমগ্র দুনিয়াতে তাদের ক্ষমতা বলবৎ রাখার জন্যে একের পর এক নিজের মতো করে তারা মানবধিকারের সংজ্ঞায়ন করছে। যদিও এই ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্টগুলির দায়ও এড়ানো সম্ভব নয়।

অন্যদিকে মায়ানমারের জান্তা সরকার যে অন্যায়ভাবে রোহিঙ্গাদের জাতিগত নিধন করার উদ্দেশ্য এক ভয়ংকর হত্যাকাণ্ড সংগঠন করলো, তার কোন সঠিক সমধান ও বিচার এখনও বিশ্ব দেখেতে পারলনা। রোহিঙ্গারা শুধু জীবনে নিরাপত্তা চায়,এই জীবনের নিরাপত্তাটুকু এখন পর্যন্ত সমগ্র বিশ্ব মিলে তাদেরকে দিতে পারল না। রোহিঙ্গারা বুঝি মানুষ না, তাদের কোন মানবাধিকার থাকতে নেই! অবশ্য এটা নিয়ে অনেক দেশই কথা বলবে না কারণ কথা বললেই তারা তাদের স্বীয় স্বার্থ হাসিল করতে পারবে না। তাছাড়া কাশ্মীর,চিনের উইঘুর সম্প্রদায়ের দিকে তাকালেই বুঝা যায় বিশ্বের মানবাধিকার পরিস্থিতি কতোটা ভয়াবহ অবস্থায় বিরাজ করছে।

বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট অনুসারে একথা বলাই যায় যে, জাতিসংঘ হচ্ছে ঢাল নাই তলোয়ার নাই নিধিরাম সর্দার। আর মানবাধিকার সংস্থাগুলো সম্রাজ্যবাদীদের একপেশে চাটুকার হিসেবেই ব্যবহৃত হয়। এরা শোষিতের নয় শোষকের, মজলুমের নয় জালিমের, অত্যাচারিতদের নয় অত্যাচারীদের, মানবের অধিকারের পক্ষে নয়, ক্ষমতা ও অর্থের পক্ষে স্বার্থের বিনিমিয়ে কাজ করে। বর্তমান বিশ্বে মানবাধিকার একটি অস্ত্রের নাম। এটি কোন মারনাস্ত্র নয়, কিন্তু সকল প্রকার মারনাস্ত্র প্রয়োগের এক রহস্যময় শাব্দিক অস্ত্র। কেননা মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগ তুলেই ধ্বংস করা হচ্ছে বিভিন্ন সভ্যতা। মানবাধিকার শব্দটির মাধমে সকল হামলাকে জায়েজ করা হচ্ছে দিনের পর দিন। অথচ তারাই আবার মানবাধিকারের রক্ষক হিসেবে বড় বড় বুলি আউড়ায় যা অনেকটা মানবাধিকারের নামে অপরাজনীতির মন্ত্রপাঠের মতোই শুনায়!

একটি সুন্দর ও মানবিক পৃথিবী গড়ে তুলতে হলে মানবাধিকার নিয়ে নোংরা রাজনীতি বন্ধ করে সত্যিকারের “মানবাধিকারের রাজনীতি” করতে হবে। এজন্য আন্তর্জাতিক মহলসহ পৃথিবীর সকল রাষ্ট্র  ও অন্যান্য রাষ্ট তাদের নিজেদের স্বার্থকে ভুলে গিয়ে মানুষের স্বার্থকে মূল্য দিতে হবে।পৃথিবীটা মানুষের ও মানবিক হোক।ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতি ব্যতিরেকে রাজনীতি হোক মানুষের সার্বিক কল্যাণ এবং মানুষের অধিকারের স্বার্থে। তাহলেই সুন্দর এক বাসযোগ্য পৃথিবী বিনির্মাণ সম্ভবপর বলে মনে করি।

মোঃ মাজহারুল হাসান নাহিদ
মাস্টার্স শিক্ষার্থী
ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগ
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/এনকে


আরও সংবাদ   বিষয়:  বিশ্বায়ন   পুঁজিবাদ   বিশ্বের গতিপথ   মোঃ মাজহারুল হাসান নাহিদ  



মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft