ঢাকা, বাংলাদেশ || বুধবার, ২৭ মে ২০২০ || ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ ড. জাফরুল্লাহকে প্লাজমা থেরাপি ■ কী কথা হলো খালেদা জিয়া-জাফরুল্লাহর মধ্যে? ■ রংপুরে মদপানে একসঙ্গে ৬ জনের মৃত্যু ■ ৩০ মে থেকে মার্কেট খুলছে! ■ ভারত মহাসাগরে টেকটনিক প্লেট দুই টুকরো ■ উহানে ৯ দিনে ৬৫ লাখ নমুনা পরীক্ষা ■ শাহরিয়ারের ফের করোনা পজিটিভ ■ সীমান্তে ফের মুখোমুখি ভারত-চীন ■ চৌদ্দগ্রামে আরও ৭ জন আক্রান্ত ■ শ্রীমঙ্গলে ডাক্তার ও পৌর কাউন্সিলর করোনায় আক্রান্ত ■ বাংলাদেশসহ ১১ দেশ থেকে জাপানে ঢোকা নিষেধ ■ ২৩ লাখ মানুষ করোনামুক্ত
অস্থির চালের বাজার
দেশসংবাদ ডেস্ক
Published : Thursday, 23 January, 2020 at 5:03 PM
Zoom In Zoom Out Original Text

চাল

চাল

ক্রমেই অস্থির হয়ে উঠছে চালের বাজার। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে দাম বেড়েছে চার থেকে ছয় টাকা। চালের এই মূল্যবৃদ্ধির জন্য খুচরা বিক্রেতারা দুষছেন পাইকারদের। আর পাইকারি বিক্রেতাদের অভিযোগের আঙুল মিল মালিকদের দিকে। ধানের মূল্যবৃদ্ধিকে অস্থিতিশীলতার কারণ হিসেবে দেখাচ্ছেন চালকল মালিকরা। অথচ কৃষকের অভিযোগ থেকেই যাচ্ছে। ধানের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে হতাশ তারা। মাঝে পড়ে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে ভোক্তাদের।

বুধবার রাজধানীর মালিবাগ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ভালো মানের নাজিরশাইল ও মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৪ টাকা কেজি দরে। ব্যবসায়ীরা জানান, এক সপ্তাহ আগে তারা এ চাল বিক্রি করেছেন ৫২ থেকে ৬০ টাকায়। খুচরা বাজারে গতকাল ৪০ থেকে ৪৪ টাকায় বিক্রি হওয়া মোটা চাল এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছিল তিন থেকে চার টাকা কম দরে। পাইকারি বাজারে মোটা চালের কেজি গতকাল ছিল ৩৮ থেকে ৪২ টাকা। আর মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের পাইকারি দর ছিল ৫৭ থেকে ৬২ টাকা।

বিভিন্নপর্যায়ের ক্রেতা-বিক্রেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, তিন দিন আগে খুচরা বাজারে ৫০ কেজির প্রতি বস্তা মিনিকেট চাল বিক্রি হয়েছে ২২০০ থেকে ২২৫০ টাকা, আটাশ চাল ১৭০০ থেকে ১৭৫০, নাজিরশাইল ২১০০ থেকে ২৩৫০ টাকা। গতকাল প্রতি বস্তা মিনিকেট (নতুন) চাল বিক্রি হয় ২৪০০ থেকে ২৪৫০ টাকা, মিনিকেট (পুরনো) ২৫০০ থেকে ২৫৫০ টাকা, আটাশ ১৮৫০ থেকে ১৯০০ টাকা, বিভিন্ন মানের নাজিরশাইল বিক্রি হয় ২২৫০ টাকা থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত।

রাজধানীর মৌলভীবাজার পাইকারি মার্কেটে গতকাল প্রতি কেজি ভালো মানের মিনিকেট চাল বিক্রি হয় ৫৯ থেকে ৬০ টাকা। খুচরা বাজারে এসে একই চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা। এক সপ্তাহ আগে খুচরা বাজারেই এ দাম ছিল ৫৮ থেকে ৫৯ টাকা। কয়েক দিন আগে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে মোটা চালের কেজিপ্রতি দর ছিল ৩২ থেকে ৩৪ টাকা, যা গতকাল বিক্রি হয় ৩৬ থেকে ৩৭ টাকা কেজি দরে। মাঝারি মানের বিআর-২৮ জাতের চালের দাম কেজিতে ৪ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ টাকায়।

ঢাকার পাশাপাশি চালের দাম বেড়েছে বাইরের মোকামেও। তবে মোকামে দাম বেড়েছে কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা। কুষ্টিয়ার চালের আড়তে গত সপ্তাহে মিলগেটে মিনিকেট চাল বিক্রি হয় ৫৮ টাকা কেজি দরে, যা এখন ৬০ টাকা। খুচরা বাজারে তা ভোক্তারা কিনছেন ৬৫ টাকা দরে। মিল মালিকেরা বলছেন, ধানের দাম বেড়েছে। তাই বাধ্য হয়ে চালের দাম বাড়ানো হয়েছে। মিনিকেট চালের দাম আরো কিছুটা বাড়তে পারে বলেও জানান চালকল মালিকরা। অথচ আড়তদার, মিলমালিক কিংবা খুচরো বিক্রেতাÑ সবাই একবাক্যে বলছেন এ সময়ে এভাবে চালের দাম বাড়ার যৌক্তিক কোনো কারণ নেই। খাদ্যমন্ত্রী সাধন মজুমদার নিজেও বলেছেন, দেশে চালের পর্যাপ্ত মজুদ আছে এবং সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই।
 
হাবিবুর নামে রাজধানীর মালিবাগ বাজারের এক ক্রেতা বলেন, এখন ব্যবসায়ীরা সব পণ্যের দর-দাম ঠিক করে দেন। আমরা বাধ্য হয়েই তাদের থেকে মালামাল সংগ্রহ করি। মাত্র চার দিন আগে যে চাল ৪৪ টাকা কেজি দরে কিনেছি এখন সেটার দাম হয়ে গেল ৫০ টাকা। এ যেন মগেরমুল্লুক!

একই অভিব্যক্তি জানালেন রামপুরা বাজারের ক্রেতা বাবুলি। তিনি বলেন, এ নিয়ে এক মাসের মধ্যে দুইবার চালের দাম বাড়ল। সরকারিভাবে বাজার তদারকি না থাকলে শুধু চাল কেন সব কিছুর মূল্য নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে ব্যবসায়ীদের হাতে। যখন প্রথমে দাম বাড়ানো হলো সে সময়েই পদক্ষেপ নেয়া হলে আবার দাম বাড়ত না।

এ বিষয়ে কাওরান বাজারের চাল বিক্রেতা ও সিরাজ অ্যান্ড সন্সের মালিক খোকন বলেন, তিন-চার দিনের ব্যবধানে চালের দাম বস্তাপ্রতি ২০০ থেকে ৫৫০ টাকা বেড়েছে। এখন চালের বিক্রি কম হলেও মিল মালিকরা এ দাম বাড়িয়েছেন। সেখান থেকে বেশি দামে চাল কেনায় আমাদের বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। মিল মালিকরা চালের দাম কমালে আমাদের এখানেও দাম কমে আসবে। যদিও মিল মালিকরা বলছেন, বাজারে ধানের দাম বেড়ে যাওয়া এবং সরকারি আমন সংগ্রহ অভিযান শুরু হওয়ায় বেড়েছে চালের দাম।

দেশসংবাদ/এনডি/এনকে


আরও সংবাদ   বিষয়:  অস্থির   চাল   বাজার  




আপনার মতামত দিন
করোনা আপডেট
টিকা না আসা পর্যন্ত করোনাকে সঙ্গী করেই বাঁচতে হবে
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft
logo
up