ঢাকা, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০ || ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■  মৃত্যুর মিছিলে আরও ২১ জন, আক্রান্ত ১১৬৬ ■ প্রতিমন্ত্রী নুরুল ইসলাম মনজুর আর নেই ■ ডেপুটি স্পিকারের স্ত্রীর মৃত্যু ■ ২১ জুন থেকে কারফিউ তুলে নিচ্ছে সৌদি আরব ■ করোনায় মঞ্জুর এলাহীর স্ত্রী নিলুফারের মৃত্যু ■ গণস্বাস্থ্যের কিটের ট্রায়াল স্থগিতের নির্দেশ ■ আসছে করোনার ২য় ভয়াবহ প্রকোপ ■ কলকাতা পুলিশে বিদ্রোহ ■ লকডাউনে সম্পদ বিপুল পরিমাণে বেড়েছে জাকারবার্গের ■ করোনা চিকিৎসায় হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন দিতে নিষেধ! ■ বিপজ্জনক চেহারা নিচ্ছে চীন-মার্কিন বৈরিতা ■ সমুদ্রে ৩ নম্বর সংকেত
মটরশুঁটি চাষে ঝুঁকছেন নাটোরের কৃষকরা
সাকলাইন শুভ, নাটোর
Published : Monday, 10 February, 2020 at 3:30 PM
Zoom In Zoom Out Original Text

মটরশুঁটি

মটরশুঁটি

স্বল্প পুঁজি আর অল্প শ্রমে লাভবান হওয়া যায় বলে মটরশুঁটি চাষে ঝুঁকছেন নাটোরের কৃষকরা। এক দশক আগেও আমন ধান কাটার পরে শত শত হেক্টর জমি অনাবাদি পড়ে থাকত এ অঞ্চলে। বোরো মৌসুম শুরু হলে কৃষকরা ফের ধান চাষ শুরু করতেন। এখন সে জমিতেই হচ্ছে মটরশুঁটির চাষ। এতে কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। সে সঙ্গে বাড়ছে মাটির উর্বরতাও।

নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুব্রত কুমার সাহা জানান, অক্টোবর মাস থেকে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে মটরশুঁটির বীজ বুনলে ভালো ফলন পাওয়া যায়। চলতি মৌসুমে নাটোরে এক হাজার ১৯৫ হেক্টর জমিতে মটরশুঁটির চাষ হয়েছে। গত মৌসুমে ৯৬০ হেক্টর ও তার আগের বছর এ জেলায় ৭১৫ হেক্টর জমিতে মটরশুঁটি চাষ হয়েছে। লাভজনক হওয়ায় নাটোরের কৃষকরা এখন মটরশুঁটির চাষে ঝুঁকছেন।

মটরশুঁটি

মটরশুঁটি


সদর উপজেলার চন্দ্রকলা গ্রামের কৃষক আবুল কালাম জানালেন তার অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, এক সময় রোপা আমন ঘরে তোলার পরে বোরো রোপণের আগ পর্যন্ত জমি পতিত রাখা হতো। মটরশুঁটি তিন মাসের ফসল। তিন মাসে বিঘা প্রতি ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা আয় করা যায়। পাশাপাশি মটরশুঁটির গাছ গবাদিপশুর খাবার এবং জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।

এবার আট বিঘা জমিতে মটরশুঁটি চাষ করছেন উপজেলার চৌগাছি গ্রামের আলম হোসেন। এতে তার খরচ হয়েছে ৩৫ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে তিনি দেড় লাখ টাকার মটরশুঁটি বিক্রি করেছেন। তিনি জানান, আট বছর আগে আমি মটরশুঁটি চাষ শুরু করি। বছরপাঁচেক আগেও সংসার চালাতে আমাকে হিমশিম খেতে হতো। মটরশুঁটি চাষ শুরুর পর থেকে আমার সংসারে সচ্ছলতা এসেছে।

বাঙ্গাবাড়িয়া গ্রামের চাষি জামাল উদ্দিন জানান, আবহাওয়া প্রতিকূল হওয়ায় এ বছর ফলন ভালো হয়নি। তবে দাম ভালো পাওয়ায় কৃষক লাভবান হয়েছেন। ৫০ টাকা থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত দরে প্রতি কেজি মটরশুঁটি বিক্রি করেছেন তিনি।

ঘরের কাজের পাশাপাশি মটরশুঁটি তুলে প্রতিদিন ১০০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন বাঙ্গাবাড়িয়া গ্রামের গৃহিণী জাহেদা বেগম। এ কাজের সুযোগ পেয়েছেন শতাধিক নারী। একই গ্রামের আনোয়ারা বেগম জানান, এ সময় বাড়তি টাকা পাওয়ায় সংসারের ছোটখাটো চাহিদা মেটাতে পারছেন তিনি।

নাটোর থেকে মটরশুঁটি কিনে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করেন আফাজ উদ্দিন। তিনি জানান, বাজারে মটরশুঁটির প্রচুর চাহিদা। তাই কৃষকও ভালো দাম পান।

দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/এনকে


আরও সংবাদ   বিষয়:  মটরশুঁটি   নাটোর  




আপনার মতামত দিন
করোনা আপডেট
ভাইস প্রেসিডেন্টসহ করোনায় আক্রান্ত ১০ মন্ত্রী
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft
logo
up