ঢাকা, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২০ || ২০ চৈত্র ১৪২৬
শিরোনাম: ■ যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১০৪৯ ■ মালয়েশিয়ায় খাদ্য সংকটে প্রবাসী বাংলাদেশীরা ■ করোনায় মৃত্যু সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে! ■ বৃষ্টিতে করোনা ভাইরাস কমা-বাড়া নিয়ে যা বললেন চিকিৎসক ■ লকডাউন ছাড়াই করোনা মোকাবেলা করছে আইসল্যান্ড ■ যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় প্রাণ গেছে ৫৩ বাংলাদেশির ■ মক্কা-মদিনায় কারফিউ জারি! ■ মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের যে বার্তা দিলেন আইজিপি ■ করোনা নিয়ে যা বললেন ব্যারিস্টার সুমন ■ নিত্যপণ্যের মজুত ও সরবরাহ ঠিক রাখার নির্দেশ ■ সরকারি কর্মকর্তাদের মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশ ■ স্পেনে ২৪ ঘণ্টায় ৯৫০ জনের মৃত্যু
রাশিয়ায় রহস্যময় গর্ত, পৃথিবী ধ্বংসের ইঙ্গিত!
দেশসংবাদ ডেস্ক
Published : Friday, 14 February, 2020 at 1:00 AM, Update: 14.02.2020 11:26:34 AM

রাশিয়ায় রহস্যময় গর্ত, পৃথিবী ধ্বংসের ইঙ্গিত!

রাশিয়ায় রহস্যময় গর্ত, পৃথিবী ধ্বংসের ইঙ্গিত!

রাশিয়ার উত্তর সাইবেরিয়ায় আচমকাই যেন গজিয়ে উঠেছিল বিশালাকার এমন বহু গর্ত। বরফে ঢাকা সাইবেরিয়ায় কোথা থেকে উদয় হল এই গর্তগুলো?

২০১৪ সালে প্রথম হেলিকপ্টার থেকে নজরে পড়ে গর্তগুলো। রহস্যজনক এই গর্তগুলো নিয়ে গবেষণা করার জন্য তারপর থেকেই বারবার সেখানে ছুটে গিয়েছেন গবেষকরা। কিন্তু রহস্যের নিশ্চিত সমাধান এখনও কেউ দিতে পারেননি।

কেউ মনে করেন, বিশালাকার উল্কা এই অংশে খসে পড়ে। তার থেকেই এমন গর্ত তৈরি হয়েছে। সময়ের সঙ্গে উল্কাগুলো ক্রমে মাটির নীচে প্রবেশ করে। এবং ওই অংশে এমন গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

কোনও বিজ্ঞানীর অনুমান, ভিনগ্রহীদের যান নেমেছিল এই অংশে। তখন থেকেই এমন গর্ত তৈরি হয়েছে। এমন নানা মতবাদ গজিয়ে উঠেছে গর্তগুলোকে ঘিরে। তবে এখনও পর্যন্ত সঠিক কোনও দিশা দেখাতে পারেননি বিজ্ঞানীরা।

এই নানা মতবাদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে যেটা গ্রহণযোগ্য হয়েছে বিজ্ঞানীমহলে, তা হল প্রাকৃতিক গ্যাসের নির্গমন।

একদল বিজ্ঞানীদের যেমন ধারণা, প্রচন্ড চাপে এই অংশে মাটির নীচে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস জমে ছিল। সাইবেরিয়ার ক্রমশ বাড়তে থাকা তাপমাত্রার জেরে ওই গ্যাসের আয়তন বৃদ্ধি পায়। ফলে চাপ বাড়তে বাড়তে একসময় জোরে বিস্ফোরণ হয়েই এই গর্তগুলো সৃষ্টি হয়েছে।

এক একটা গর্ত ১০০ ফুট পর্যন্ত চওড়া এবং ৬০ ফুট পর্যন্ত গভীর এই অঞ্চলে। বিজ্ঞানীরা ওই সমস্ত গর্তের ভিতরে মিথেন গ্যাস উপস্থিতির প্রমাণও পেয়েছেন।

কিন্তু বিজ্ঞাণীদের এই তত্ত্বই যদি ঠিক হয়, তাহলে সারা বিশ্বের জন্যই খুবই চিন্তার বিষয় হবে। পৃথিবী ধ্বংসের ইঙ্গিতও হতে পারে এটা! এমনটাই জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

কারণ, বিষয়টা যদি তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলেই ঘটে থাকে, তাহলে তার কারণ বিশ্ব উষ্ণায়ন। এখন বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে দ্রুত সাইবেরিয়ার উপরে জমে থাকা সমস্ত বরফ গলতে শুরু করেছে।


ওই গর্তগুলোও দ্রুত জলে ভরে যাচ্ছে। আগামী ১-২ বছরের মধ্যে জলে পরিপূর্ণ হয়ে যাবে। তখন আর এই গর্তগুলোর রহস্য ভেদ করার জন্য গবেষণাও চালানো সম্ভব হবে না।

পৃথিবীর বুকে জমে থাকা বরফ পরিবেশে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। কারণ এগুলো কার্বন গ্যাস শোষণ করে নেয়।

কিন্তু সাইবেরিয়ার ক্ষেত্রে ঠিক উল্টো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বাড়তে থাকা তাপমাত্রার জেরে মাটির নীচে জমে থাকা কার্বন ডাই অক্সাইড এবং মিথেন গ্যাস আরও বেশি পরিমাণে পরিবেশে মুক্ত হয়ে পড়ছে।

এই দুটোই গ্রিনহাউস গ্যাস। গ্রিনহাউস গ্যাস পরিবেশের তাপমাত্রা আরও বাড়িয়ে তুলছে এবং ফল হিসেবে আরও বেশি পরিমাণ গ্যাস পরিবেশে মুক্ত হতে সাহায্য করছে। সমগ্রিক ভাবে যার ক্ষতিকর প্রভাব ইতিমধ্যেই সাইবেরিয়ার ওই অঞ্চলে পড়তে শুরু করেছে বলে জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। সূত্র: আনন্দবাজার

দেশসংবাদ/বিপি/এফএইচ/mmh


আরও সংবাদ   বিষয়:  রাশিয়া   গর্ত   পৃথিবী  



মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft