ঢাকা, বাংলাদেশ || শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২০ || ১৪ চৈত্র ১৪২৬
শিরোনাম: ■ করোনা পরীক্ষার কিট তৈরি করলেন ভারতীয় নারী! ■ গাইবান্ধায় আক্রান্ত আরো ২ ■ প্রশাসনকে নাগরিকদের সাথে ভাল আচরণের নির্দেশ ■ এসিল‍্যান্ড হাতে লাঞ্ছিত বৃদ্ধদের বাড়ি দেবে ইউএনও ■ আকিজের হাসপাতাল বানানোর খবরে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ■ সারা বিশ্বেই সরকারের ওপর আস্থা হারাচ্ছে মানুষ ■ বাংলাদেশ থেকে ২৫ মেডিক্যাল আইটেম নেবে যুক্তরাষ্ট্র ■ সুস্থ হয়ে আবারও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে চীনে ■ নিউইয়র্কে করোনায় আরও ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু ■ যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের সহায়তার প্রস্তাব ■ সেই বিতর্কিত এসিল্যান্ড সাইয়েমা হাসানকে প্রত্যাহার ■ করোনায় মিলান মুসলিম সেন্টারের সভাপতির মৃত্যু
ঝালকাঠির শীতল পাটির কারিগরদের জীবন চলছে অভাবে
আরিফ খান, ঝালকাঠি
Published : Friday, 20 March, 2020 at 7:23 PM

ঝালকাঠির শীতল পাটির কারিগরদের জীবন চলছে অভাবে

ঝালকাঠির শীতল পাটির কারিগরদের জীবন চলছে অভাবে

ঝালকাঠির শীতল পাটির গ্রামে হাইলাকাঠি আর সাঙ্গর। সারা দেশে এখানকার পাটির ব্যপক সমাদর থাকলেও মধ্যস্বত্তভোগী আর পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে হতাশায় কাটছে কারিগরদের জীবন-জীবিকা।

তাদের অভাবের সংসার চলছে টেনে হেচরে। পাটি বুনিয়ে যে টাকা লাভ হয় তা থেকে দাদন আনা ও চরা শুধে আনা টাকা পরিশোধ করে তাদের সংসার চলেনা বললেই চলে। তবে প্রচার প্রচারনা আর সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছে ঝালকাঠি বিসিক।

ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার হাইলাকাঠি আর সাংগর গ্রামে বংশ পরমপরায় শীতলপাটি তৈরি করে আসছে একটি সম্প্রদায়। হিন্দু ধর্মাবলম্বী এই কারুশিল্পীরা পাটিকর নামে পরিচিত। বংশের ধারা রক্ষা করে এখনও একশ পরিবার এ দুই গ্রামে পৈত্রিক পেশা চালিলে রেখেছেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনাসহ সারা দেশে এমনকী মধ্য প্রাচ্যেও রফতানী হচ্ছে ঝালকাঠির শীতল পাটি। মূতল পাটির বড় বড় ব্যবসায়ী ও ফরিৎদারা এখন থেকে সুভলমূল্যে পাটি পাইকারী দরে কিনে নিয়ে যান। তাই ঝালকাঠির পাটিকরদের ভাগ্যে সামান্য মজুরী ছাড়া আর কিছুই জোটেনা।

মধ্যস্বত্তভোগীরা চড়া দামে বিক্রি করে লাভবান হয়ে আসছেন। বছরের গরম ও বর্যার ৮/৯ মাস নিজেদের বাগানের গুল্ম জাতীয় পাইত্রা নামের তৃণ গাছ থেকে পাটিকররা পুটি বুনে থাকেন। পরিবারের শিশু-বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ সবাই পাটির কারিগর। ঘরের বারান্দায় প্রায় বছর জুরেরই নিপুন হাতে তৈরি হচ্ছে পাটি। তবে বিভিন্ন পর্যায় সম্পূর্ন হাতের কাজের মাধ্যমে পাইত্রা নামের তৃণ থেকে একটি পাটি তৈরিতে কমপক্ষে ১৫ দিন লাগে।

এত শৈল্পিক মেধা আর শারিরিক শ্রমের পরও একটি পাটি বিক্রির আয়ে সামান্য টাকার বেশি লাভ থাকছে না কাররিগরদের। তাই অভাব অনাটনে ঝালকাঠির পাটিকররা আজ নিজের পৈত্রিক পেশা নিয়ে চরম ভাবে হতাশাগ্রস্থ।

যদিও বিসিক জানিয়েছে, পাটিকরদের লাভের জন্য পণ্যমেলাসহ বিভিন্ন ভাবে প্রচার প্রচারনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া সহজ শর্তে ঋণের পাটিকরদের আর্থিক ঋনদেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তবে তার কোন অগ্রগতি নেই বলে জানিয়েছেন পটিকররা।

বাংলাদেশের শীতল পাটির যে চাহিদা তার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ঝালকাঠির হাইলাকাঠী আর সাঙ্গর গ্রামে জোগান দেয়। এখানকার একটি সাধারণ পাটি এক হাজার টাকায় কিনে ঢাকা চট্টগ্রমে কমপক্ষে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি করেন দোকানীরা। আর মসৃণ উন্নতমানের পাটি বিক্রি হয় বিলাসবহুল দামে। তবে তার লাভ পাটিকরদের ভাগ্যে জোটেনা #

দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/এনকে


আরও সংবাদ   বিষয়:  ঝালকাঠি   শীতল পাটি  



মতামত দিতে ক্লিক করুন
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft