ঢাকা, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০ || ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ বাড়ি বাড়ি প্রশ্ন পাঠিয়ে প্রাথমিকের পরীক্ষার নেয়া হচ্ছে ■ এই ইনহেলার ফুসফুসে করোনা সংক্রমণ রুখে দিতে পারে ■ সেপটিক ট্যাংকে পড়ে মা-ছেলের মৃত্যু ■ ওয়াশিংটন ডিসি ধীরে ধীরে চালু হচ্ছে ■ পিসিআর ল্যাবের পরীক্ষায়ও ডা. জাফরুল্লাহর করোনা পজিটিভ ■ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধের হুমকি ■ আরও ২ ইউপি চেয়ারম্যান ও ৩ মেম্বার বরখাস্ত ■ ছুটি শেষ, ঝুঁকি নিয়েই ঢাকায় আসছে মানুষ ■ ৩১ মে থেকে লঞ্চ চলবে, বাড়বে ভাড়া ■ ১০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ একমাসের মধ্যে ■ মেয়েকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা বাবার! ■ ভারতে ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত ৬,৫৬৬, মৃত্যু ১৯৪
আচরণ পরিবর্তন: করোনা প্রতিরোধের একমাত্র উপায়
মোঃ নাছির উদ্দিন, পিএইচডি
Published : Saturday, 28 March, 2020 at 12:14 AM, Update: 30.03.2020 1:09:39 AM
Zoom In Zoom Out Original Text

করোনাভাইরাস

করোনাভাইরাস

নৃবিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে সাধারণ কথায় আচরণ বলতে যা জানতে পেরেছি তা হল একজন মানুষ সামাজিক নিয়মে আরেক জন মানুষের সাথে যে ভাবে কথপকথন করে বা কোন নিদিষ্ট বিষয়ের প্রতি সাড়া প্রদান করে তাকে আচরণ বলা হয়। আর আচরণ পরিবর্তন বলতে কোন নিদিষ্ট পরিস্থিতিতে মানুষ নিজেকে মানিয়ে নেওয়া বা খাপ খাওয়ানোর জন্য যে ধরনের সাড়া প্রদান করে তাকে বুঝানো হয়। মানুষের আচরণ পরিবর্তন একটি কঠিন ও দুরুহ কাজ। যেকোন নিদিষ্ট পরিস্থিতিতে আচরণ পরিবর্তনের জন্য সামাজিক নিয়ম বা রীতি মেনে চলা অত্যন্ত জরুরী। বিদ্যমান ও পারিপার্শ্বিক জ্ঞানকান্ডের উপর ভিত্তি করে সামাজিক নিয়ম বা রীতি গড়ে ওঠে।

করোনা-বাংলাদেশ সহ সমগ্র বিশ্বে এক মহামারী রোগের নাম। করোনা তথা সকল মহামারী রোগ থেকে বাচাঁর জন্য আমাদের মহানবী (সাঃ) সর্বপ্রথম আচরণ পরিবর্তনের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন ‘মহামারী এমন একটি শাস্তি যা আল্লাহ বণী ঈসরাইলের উপর পাঠিয়েছিলেন, সুতরাং যখন তোমরা শুনবে যে, কোথাও তা বিদ্যমান তোমরা সেখানে যেও না। আর যদি মহামারি এলাকায় তোমরা থাক, তবে সেখান থেকে পালানোর জন্য বের হয়ো না’।   বর্তমানে সমগ্র বিশ্বে যারা এ মহামারি রোগ থেকে প্রতিকারের উপায় খুজঁছেন তারা সবাই আচরণ পরিবর্তনের জন্য বারবার তাগাদ দিচ্ছেন।  

ইতিমধ্যে আচরণ পরিবর্তনের জন্য সরকার কঠোর আইন প্রয়োগের ব্যবস্থা নিয়েছে। সমগ্রদেশে সিভিল প্রশাসনকে বাংলাদেশ সেনাবহিনী সহযোগীতা করছে। আচরণ পরিবর্তনের জন্য আমাদের যে বিষয়গুলোর উপর জোর দিতে হবে তা নিম্নে আলোচনা করা হলো:

হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় মুখে টিস্যু ব্যবহার করা

হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় মুখে টিস্যু ব্যবহার করা


ব্যক্তি ও পারিবারিক আচরণ পরিবর্তন

আচরণ পরিবর্তনের সর্বপ্রধান ও প্রথম ধাপ এটি। ব্যক্তি আচারণ পরিবর্তনের জন্য ব্যক্তির ইচ্ছাই যথেষ্ট। তথাপিও সমাজ ও রাষ্ট্রের সামগ্রিক রীতিনীতি অনুস্মরন করা অত্যাবশ্যক। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার কথা আমাদের ইসলাম ধর্মে বলাই আছে। তা হলো ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ’। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য ব্যক্তি ও পারিবারিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাই প্রধান হাতিয়ার। করোনা ভাইরাস ছোঁয়াচে জীবাণু। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি, সর্দি এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে এ ভাইরাসটি ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে অর্থাৎ ৩-৫ ফুটের মধ্যে কোন সুস্থ মানুষ এলেই তার আত্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। আক্রান্ত ব্যক্তি কোন কিছু যেমন দরজার হাতল বা নব, তালা, পানির বোতল/ গ্লাস, লিফটের বোতাম, সিঁড়ির হাতল, এটিএম বুথের বাটন, পানির কল, কমোডের ফ্লাস/সিটার, কাগজ, কলম, পেন্সিল, ব্যাগ, থলে, টাকা, মৃদ্রা ইত্যাদি ধরলে এবং তা পরে কোন সুস্থ ব্যক্তি স্পর্শ করলেই ওই ব্যক্তি আক্রান্ত হতে পারেন। আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত সকল বস্তু কোন সুস্থ ব্যক্তি ব্যবহার করলেই ওই ব্যক্তি আক্রান্ত হতে পারেন।

এজন্য সর্বপ্রথম আক্রান্ত ব্যক্তির আচরণ পরিবর্তন অতীব জরুরী। আক্রান্ত ব্যক্তিকে পরিবারের অন্যন্যা সদস্যেদের নিকট থেকে আলাদা করে রাখতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে তার পূর্বের সকল অভ্যাস/আচরণ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে চলতে হবে। এ অবস্থাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় আইসোলেসন/আলাদাকরণ বলা হয়।

আক্রান্ত ব্যক্তির সংর্স্পশে যারা ছিল বা থাকবে তাদের ১৪ দিন আলাদা রাখতে হবে। সর্বদাই একজন থেকে আরেক জনের দুরুত্ব ৩ ফুট হবে। কেউ কাউকে স্পর্শ করতে পারবে না বা কারো ব্যবহার করা বস্তু ব্যবহার করতে পারবে না ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে চলতে হবে। এ অবস্থাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় কোয়ারেন্টিন বলে।  কোয়ারেন্টিনে থাকাকালে ব্যক্তির কিছু অধিকার নিশ্চিত করা জরুরী। ১৯৮৪ সালের জাতিসংঘ স্বীকৃত সিরাকুসা নীতিমালা অনুসারে কোয়ারেন্টিনের বাধ্যবাধকতাগুলো হলো:

মাস্ক পরিধান করা

মাস্ক পরিধান করা


০১. যারা থাকবে, তাদের মৌলিক চাহিদা সহ রোগ প্রতিরোধের সকল ব্যবস্থা করতে হবে;

০২. প্রিয়জন ও পরিচর্যাকারীর সাথে যোগাযোগের পর্যাপ্ত সুযোগ থাকতে হবে;

০৩. কর্মস্থল, চাকরী, সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক ক্ষতির দিকে খেয়াল রাখতে হবে, ক্ষতিপুরনের ব্যবস্থা থাকতে হবে;

০৪. সামাজিক মর্যাদা যাই হোক সকল ক্ষেত্রে সবার সমান সুযোগ থাকতে হবে;

০৫. কোয়ারেন্টিন সমাজ ও জনগনের জন্য প্রয়োজনীয় বলে প্রতীয়মান হতে হবে;

০৬. রোগের সংক্রমন প্রতিরোধে এটা করতে হবে।

ব্যক্তি ও পারিবারিক আচরণ পরিবর্তনের জন্য পরিবারের বয়োজোষ্ঠ্যদের দায়িত্ব নিতে হবে। তারা তাদের পরিবারের সকল সদস্যদের দৈনন্দিন আচরণ পরিবীক্ষণ করবেন। মনে রাখতে হবে একজন আক্রান্ত হলে পরিবারটির সবাই আক্রান্ত হওয়ার আশংকায় থাকবে। এ বিষয়ে বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থার সুনিদিষ্ট নীতিমালা অনুস্মরন করা জরুরী।

সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার নিয়ম

সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার নিয়ম


০১. বাড়ির অন্য সদস্যদের নিকট থেকে আলাদা থাকুন;

০২. আলো-বাতাসের সুব্যবস্থাসম্পন্ন আলাদা ঘরে থাকুন। সম্ভব না হলে অন্যদের কাছ থেকে কমপক্ষে ৩ ফুট দুরে থাকুন। রাতে পৃথক বিছানা ব্যবহার করুন;

০৩. আলাদা গোসলখানা, টয়লেট ব্যবহার করুন। সম্ভব না হলে অন্যদের সাথে ব্যবহার করতে হয়- এমন স্থানের সংখ্যা কমান এবং ওই স্থানগুলোতে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা করুন;

০৪. স্তন্যদায়ী মা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারবেন। তবে শিশুর কাছে যাওয়ার আগে ভালভাবে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন ও মাস্ক ব্যবহার করুন;

০৫. বাড়ির অন্য সদস্যদের সাথে একই ঘরে অবস্থান করলে, বিশেষ করে ১ মিটার/৩ ফুট এর মধ্যে আসার প্রয়োজন হলে বা অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করুন;

০৬. সর্দ্দি, কাশি, বমি, ইত্যাদির সংর্স্পশে এলে সাথে সাথে মাস্ক খুলে ফেলুন এবং নতুন মাস্ক ব্যবহার করুন। মাস্ক ব্যবহারের পর ঢাকনাযুক্ত ময়লার পাত্রে ফেলুন এবং সাবান-পানি দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন;

০৭. সাবান-পানি দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড হাত ধুতে হবে এবং প্রয়োজনে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে;

০৮. সাবান-পানি ব্যবহারের পর টিস্যু দিয়ে হাত শুকনো করে ফেলুন। টিস্যু না থাকলে শুধু হাত মোছার জন্য নিদিষ্ট তোয়ালে/গামছা ব্যবহার করুন এবং ভিজে গেলে বদলে ফেলুন;

০৯. অপরিস্কার হাতে চোখ, নাক, মুখ স্পর্শ করবেন না;

১০. কাশি শিষ্টাচার মেনে চলুন। হাঁচি-কাশির সময় টিস্যু পেপার/মেডিকেল মাস্ক/কাপড়ের মাস্ক/বাহুর ভাঁজে
মুখ ও নাক ঢেকে রাখুর ও উপরের নিয়মানুসারে হাত পরিস্কার করুন;

১১. ব্যক্তিগত দ্রব্যাদি অন্য কারো সাথে শেয়ার করবেন না;

আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টিন উভয় অবস্থায় মহান আল্লাহর তথা সৃষ্টিকর্তার প্রার্থনায় মগ্ন থাকা অতি উত্তম। এ কারনে সরকার ঘোষিত ছুটির দিনগুলো পরিবাবের সবাইকে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখতে বাধ্য করতে হবে। সামাজিক দুরুত্ব হল সকল প্রকার জনসমাগম থেকে নিজেকে দুরে রেখে বাড়িতে অবস্থান করা।

হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা

হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা


গোষ্ঠীগত আচরণ পরিবর্তন

গোষ্ঠীগত আচরণ পরিবর্তন বলতে আক্রান্ত ব্যক্তি ও তার পরিবার ভিন্ন সংশ্লিষ্ট পাড়া/মহল্লার অন্যান্য মানুষদের আচরণকে বুঝায়। এ ক্ষেত্রে দেশের প্রতিটি মহল্লার প্রধান/মাতব্বর/কাউন্সিলরকে তার মহল্লার সকল মানুষের আচরণ পরিবর্তনের দায়িত্ব নিতে হবে। বিশেষ করে যে সকল এলাকায় বিদেশ থেকে বাংলাদেশীরা এসেছেন ঐ সকল এলাকার প্রতিটি মহল্লার প্রধান/ মাতব্বর/ কাউন্সিলরকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে করোনার হাত থেকে বাচাঁর উপায় সর্ম্পকে জানাতে হবে ও রাষ্টীয় বিধিনিষেধ মানতে বাধ্য করতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা নিতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তি ও তার সংস্পর্শে যারা এসেছে তাদের খুঁজে বের করার জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেচ্ছাসেবী দল গঠন করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় সেচ্ছাসেবী দল এর সকল সদস্যকে পিপিই সহ প্রশিক্ষণ প্রদান অত্যাবশ্যক। যে পাড়া/ মহল্লাকে লকডাউন করা হবে বা হয়েছে তাদের মৌলিক চাহিদা পুরনের সকল ব্যবস্থা স্থানীয় প্রশাসনকে করতে হবে। প্রতিটি মহল্লার হতদরিদ্র পরিবারকে চিহ্ণিত করে তাদের মৌলিক চাহিদা সহ প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত  করতে হবে। সরকারী সহায়তার পাশাপাশি প্রত্যেক এলাকার সেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বিত্তবান ব্যক্তিদের মাধ্যমে একটি জরুরী সহায়তা তহবিল  গঠন করে অসহায়দের সাহায্য করতে হবে। 

হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় এভাবে হাত ব্যবহার করা

হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় এভাবে হাত ব্যবহার করা


পরিচর্যাকারী ও স্বাস্থ্যসেবীদের আচরণ পরিবর্তন

সেনাবহিনীর নিয়ন্ত্রনে দেশের সকল সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতাল, ফার্মাসিউটিক্যালস জাতীয়করনের মাধ্যমে একত্রিত করতে হবে।  কোয়ারিন্টেনে ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে/হাসপাতালে কর্মরত স্বাস্থ্যসেবী/ পরিচর্যাকারীদের আচরণ সহনশীল হতে হবে। তাদেরকে অতি মানবীয় আচরণের মাধ্যমে সকল সমস্যার সমাধান কল্পে সীমিত সম্পদের সব্বোর্চ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরী। পিপিইর মাধ্যমে সর্বপ্রথম স্বাস্থ্যসেবী ও পরিচর্যাকারীদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবী ও পরিচর্যাকারীদের বার বার স্বাস্থ্য টেস্ট কিটের মাধ্যমে পরীক্ষা করে একজন আক্রান্ত/সন্দেহজনক ব্যক্তিকে ছাড়পত্র দিতে হবে। পরীক্ষাগুলো নিম্নরুপ হতে পারে:

০১. জ্বর পরীক্ষা;
০২. ফ্লু পরীক্ষা;
০৩. ইনফ্লুয়েঞ্জা পরীক্ষা;
০৪. ফুসফুসের সিটি স্ক্যান পরীক্ষা।

সরকারকে স্বাস্থ্যসেবী ও পরিচর্যাকারীদের জাতীয় বীর হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করে উচ্চ সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।

কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইট চালুকরণ


আইইডিসিআর হট লাইনের পাশাপাশি একটি কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইট চালু করা আশু প্রয়োজন। এর মাধ্যমে আক্রান্ত / সন্দেহজনক ব্যক্তিরা নিজেদের উপসর্গগুলোর বিবরণ জানাতে পারেবেন এবং বিবরণ মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবী ও পরিচর্যাকারীরা তাদের সর্ম্পকে মতামত জানাতে পারবেন।

আশা করছি সংশ্লিষ্ট মহল উপরের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করে করোনা নামক মহামারীর হাত থেকে  মহান সৃষ্টিকর্তার সহায়তায় বাংলাদেশ তথা সমগ্র বিশ্বের মানুষকে বাচাঁনোর চেষ্টায় সাড়া দিবেন।

লেখক :
মোঃ নাছির উদ্দিন, পিএইচডি
উপ-পরিচালক
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্ত একটি অধিদপ্তর
ইমেইল : [email protected]

দেশসংবাদ/এনইউ/এফএইচ/mmh


আরও সংবাদ   বিষয়:  করোনা ভাইরাস  




আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা আপডেট
টিকা না আসা পর্যন্ত করোনাকে সঙ্গী করেই বাঁচতে হবে
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft
logo
up