ঢাকা, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০ || ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ করোনায় মঞ্জুর এলাহীর স্ত্রী নিলুফারের মৃত্যু ■ গণস্বাস্থ্যের কিটের ট্রায়াল স্থগিতের নির্দেশ ■ আসছে করোনার ২য় ভয়াবহ প্রকোপ ■ কলকাতা পুলিশে বিদ্রোহ ■ সৌদিতে আরও শিথিল হচ্ছে লকডাউন ■ লকডাউনে সম্পদ বিপুল পরিমাণে বেড়েছে জাকারবার্গের ■ করোনা চিকিৎসায় হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন দিতে নিষেধ! ■ বিপজ্জনক চেহারা নিচ্ছে চীন-মার্কিন বৈরিতা ■ সমুদ্রে ৩ নম্বর সংকেত ■ ভারতে ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপালের হানা ■ করোনা ঠেকাতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান ■ খেলা দেখতে গিয়ে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪১ জন
একই পরিক্ষায় তিন সেন্টারে তিন রিপোর্ট! বিপাকে রোগী
জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা)
Published : Sunday, 29 March, 2020 at 12:26 PM, Update: 29.03.2020 12:35:45 PM
Zoom In Zoom Out Original Text

একই পরিক্ষায় তিন সেন্টারে তিন রিপোর্ট! বিপাকে রোগী

একই পরিক্ষায় তিন সেন্টারে তিন রিপোর্ট! বিপাকে রোগী

চুয়াডাঙ্গা জীবননগর শহরের আলো ডায়াগনিস্টিক সেন্টার, মডার্ণ ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও অংকন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এক রোগীর তিন রকম রিপোর্ট দিয়েছে। রোগী ভুগছে সিদ্ধান্তহীনতায়।

ভুক্তভোগী রোগী জাহির শেখ বলেন, আমি গত ১২ মার্চ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে আমার পরিবারের লোকজন জীবননগর হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালে (SACMO) ডাক্তার রাসেদ আমাকে দু’টি প্রস্রাবের পরীক্ষা দেন। আমি হাসপাতাল রোডে ডাক্তারের আলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রস্রাব পরীক্ষা করে রিপোর্টে (Epithlial Cells 5-7 H P F আর Pus cells 8-10 H P F) ধরা পড়লে তিনি আমাকে এক সপ্তাহের ঔষধ দিয়ে এক সপ্তাহ পরে আবার দেখা করতে বললে আমি (২৮মার্চ) শনিবার দুপুরে দেখা করলে তিনি আবার একই পরীক্ষা দেন।

আমি আবারো পরীক্ষা করালে রিপোর্ট (Epithlial Cells 18-20 H P F আর Pus cells 8-10 H P F) আসলে আমার সন্দেহ হয় রিপোর্ট ভুল বলে। আমি তখনই মডার্ণ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করাই সেখানে (Epithlial Cells 1-2 H P F আর Pus cells 0-2 H P F) আসলে আমি আবার অংকন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করাই সেখানে (Epithlial Cells 4-6 H P F আর Pus cells 5-7 H P F) রিপোর্ট আসে।

জাহির শেখ বলেন, আমি এখন কোন রিপোর্টটা সঠিক ধরবো ভেবে পাচ্ছিনা, তবে আমি জীবননগর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ডাক্তারের কাছে রিপোর্টগুলো দেখালে তিনি বলেন, আলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্ট ভুল হয়েছে।

আলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক (SACMO) ডা. রাসেদ বলেন, টেকনিশিয়ান ফয়সালের ভুলের কারণে রিপোর্টটি এমন হয়েছে। তবে এমন ভুল মোটেও কাম্য নয় বলে ক্ষমা চান তিনি।

এব্যাপারে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ জুলিয়েট পারউইন বলেন, তিনটি ডাগাগনস্টিক সেন্টারের মধো যে দুটির রিপোর্ট কাছাকা‌ছি তাদেরগুলো সঠিক ধরে নেয়া যায়। তবে আলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যে রিপোর্ট আসছে সেটা সঠিক হলে রোগী প্রসাবের যন্ত্রনায় এতক্ষণে হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হতো। তবে আমি বলবো জীবননগরের বাহিরে অন্য কোথাও আর একবার পরীক্ষা করাকে। তাহলে আর একটু ক্লিয়ার হওয়া যাবে।

দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/এফএইচ/mmh


আরও সংবাদ   বিষয়:  জীবননগর   আলো ডায়াগনিস্টিক সেন্টার   মডার্ণ ডায়াগনস্টিক সেন্টার   অংকন ডায়াগনস্টিক সেন্টার  




আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা আপডেট
ভাইস প্রেসিডেন্টসহ করোনায় আক্রান্ত ১০ মন্ত্রী
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft
logo
up