ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ১ জুন ২০২০ || ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
Desh Sangbad
শিরোনাম: ■ কোথাও নেই স্বাস্থ্যবিধি, বেপরোয়া মানুষ-যানবাহন ■ স্ত্রী-পুত্রসহ আক্রান্ত নজরুল ইসলাম মজুমদার ■ আগামি ১ মাসে আক্রান্ত হবে দেশের ৮০ ভাগ মানুষ ■ ধেয়ে আসছে আরেক ঘূর্ণিঝড় ■ ফল ভাল করেও পছন্দের কলেজে ভর্তি অনিশ্চিত ■ জুলাইয়ে খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার ■ স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চে চলাচল করতে হবে ■ উবার-পাঠাওসহ সব রাইড শেয়ারিং সেবা বন্ধ ■ মাস্ক না পরলে ১ লাখ টাকা জরিমানা, ৬ মাসের জেল ■ জুন মাস পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিলের বিলম্ব মাশুল নেয়া হবে না ■ ঢাকার বাইরে যাওয়াদের সংসদে প্রবেশ বারণ ■ যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ অব্যাহত, সাংবাদিক গ্রেপ্তারে ক্ষমা প্রার্থনা
বগুড়ায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি ছাড়াই বিশেষায়িত হাসপাতাল
জিএম মিজান, বগুড়া
Published : Sunday, 29 March, 2020 at 10:18 PM
Zoom In Zoom Out Original Text

বগুড়ায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি ছাড়াই বিশেষায়িত হাসপাতাল

বগুড়ায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি ছাড়াই বিশেষায়িত হাসপাতাল

কোভিট-১৯ সন্দেহভাজনদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি ছাড়াই বগুড়া মোহাম্মাদ আলী হাসপাতালকে বিশেষায়িত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। শহরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আইসোলেশন কেন্দ্র ছোট পরিসরে আগামীকাল সোমবার থেকে চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে চাহিদামতো পর্যাপ্ত সরঞ্জাম না আসায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হতাশায়।

গত ২৪ মার্চ হাসপাতালটিকে আইসোলেশন কেন্দ্র ঘোষনা করে সেখানে ১২০ টি বেড প্রস্তুত করা হয়। কেন্দ্রটি পূর্ণাঙ্গ চালুর জন্য ঢাকায় আইসিইউ ১০ সেট, পিপিই ৫ হাজার, অক্সিজেন সিলিন্ডার ৫০ টি, নেবুলাইজার ১০০ টি, ঔষধ, ডিজিটাল এক্সরে মেশিন, বায়ো কেমিকেল এনালাইজার চাওয়া হয়। প্রথম ধাপে ১০০ পিপিই পাঠানো হয়। হাসপাতালে দেখা যায়, সেবিকারা তাদের কাজ গুছিয়ে নিচ্ছেন। করিডোরে দেখা যায়, ৪/৫ জন সেবিকা একসাথে বসে বিভিন্ন দোয়া পাঠ করছেন। কেউ আবার ওয়ার্ডের ভিতরে নিজেদের কার্যক্রম বিষয়ে আলোচনা করছেন।

হাসপাতাল কতৃপর্ক্ষ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অত্র হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ শফিক আমিন কাজল এ প্রতিবেদক-কে বলেন, আইসোলেশন কেন্দ্র ঘোষনার পর চালু না করায় সমালোচনা হচ্ছে।  এ ষিয়ে ঢাকায় যোগাযোগ করা হয়েছে। সোমবার থেকে এটা ছোট পরিসরে চালু করতে বলা হয়েছে। তিনি সমস্যার কথা তুলে ধরে বলেন, চাহিদা অনুযায়ী সব পাওয়া যায়নি।

শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ধার করে দুটি আইসিইউ বেড আনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত নতুন করে ৩শ পিপিই ও আগের ১শ পিপিই মিলে ৪শ পিপিই আছে। ডিজিটাল এক্সরে মেশিন এর ষিষয়ে কোন সাড়া নেই। শুধু যারা গুরুতর ও শ্বাসকষ্ট আছে সেই রোগী ছাড়া কাউকে ভর্তি করা হবেনা। জরুরী বিভাগে জর, সর্দি কাশির চিকিৎসা দেয়া হবে। অন্যসব রোগীর চিকিৎসা এই হাসপাতালে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

ডাঃ কাজল আরও বলেন, করোনার পরীক্ষার জন্য বায়োসেপটিক ল্যাব টু লাগবে। সেটা এখানে নেই। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বায়োসেপটিক ওয়ান ল্যাব রয়েছে। সেটা দিয়ে কাজ হবেনা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সেবিকা সাহসিকতার সাথে বলেন, ভয় করে লাভ নেই। রোগীর সেবা  করায় আমাদের কর্তব্য।

দেশসংবাদ/প্রতিনিধি/এফএইচ/বি


আরও সংবাদ   বিষয়:  বগুড়া   বিশেষায়িত   হাসপাতাল  




আপনার মতামত দিন
আরো খবর
করোনা আপডেট
আপনি কি করোনা আক্রান্ত? তাহলে যা করবেন
সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর >>
সর্বাধিক পঠিত
ফেসবুকে আমরা
English Version
More News...
সম্পাদক ও প্রকাশক
এম. হোসাইন
উপদেষ্টা সম্পাদক
ব্রি. জে. (অব.) আবদুস সবুর মিঞা
এনামুল হক ভূঁইয়া
যোগাযোগ
ফোন : ০২ ৪৮৩১১১০১-২
মোবা : ০১৭১৩ ৬০১৭২৯, ০১৮৪২ ৬০১৭২৯
ইমেইল : [email protected]
Developed & Maintenance by i2soft
logo
up